ইসরায়েলি চাপেই ভেস্তে গেছে মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা: ইরানি অধ্যাপক

ইসরায়েলি চাপেই ভেস্তে গেছে মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা: ইরানি অধ্যাপক
সিজেডএন ডেস্ক

ইসরায়েলের তীব্র চাপ এবং মার্কিন নীতিতে দেশটির লবির একচ্ছত্র প্রভাবই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার পরমাণু সমঝোতা ভেস্তে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক হোসেইন রয়ভারান। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
অধ্যাপক রয়ভারান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তেহরানের পরমাণু কর্মসূচিকে নিজেদের সামরিক আগ্রাসন, নিষেধাজ্ঞা ও নানা হামলার যৌক্তিকতা হিসেবে ব্যবহার করে আসছে ওয়াশিংটন। এমনকি স্কুল, ক্রীড়া কেন্দ্র কিংবা বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলার পক্ষে যুক্তি দিতে একই অজুহাত ব্যবহার করা হয়েছে।
তার মতে, পরমাণু অস্ত্র অর্জনের বিরুদ্ধে ইরানে ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তেহরান যদি সত্যিই এমন কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিত, তবে তা দ্রুত বাস্তবায়নের সক্ষমতা তাদের রয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিকভাবে কখনোই এমন কোনো পথ বেছে নেয়নি দেশটি।
ওমানের মধ্যস্থতায় জেনেভায় দুই পক্ষের মধ্যে একটি প্রাথমিক সমঝোতা হয়েছিল এবং খুব দ্রুতই একটি খসড়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা ছিল। ওই সমঝোতায় নিজেদের পরমাণু কর্মসূচিকে সামরিকীকরণ না করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল ইরান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনীতির পথ বাদ দিয়ে যুদ্ধের পথে হাঁটায় সেই সমঝোতা আর আলোর মুখ দেখেনি।
ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো আগ্রাসী পদক্ষেপে তেহরান নীরব দর্শক হয়ে থাকবে না বলে সতর্ক করেছেন এ অধ্যাপক। তার দাবি, মার্কিন নৌযান ডুবিয়ে দেওয়ার মতো সামরিক সক্ষমতাও ইরানের হাতে রয়েছে। তবে এর মারাত্মক পরিণতি এড়াতেই ইরান সবসময় সংযত আচরণ করছে।
রয়ভারান জানান, ইসরায়েলি চাপেই মূলত আলোচনার গতিপথ বদলে গিয়েছিল। ওয়াশিংটনের রাজনীতিতে দেশটির লবির প্রভাব নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, ‘এআইপ্যাক হোয়াইট হাউস নিয়ন্ত্রণ করে এবং অনেক সিদ্ধান্তেও তাদের প্রভাব রয়েছে।’ তবে সাক্ষাৎকারটিতে উঠে আসা এসব মূল্যায়ন ও দাবি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইসরায়েলের তীব্র চাপ এবং মার্কিন নীতিতে দেশটির লবির একচ্ছত্র প্রভাবই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার পরমাণু সমঝোতা ভেস্তে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক হোসেইন রয়ভারান। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
অধ্যাপক রয়ভারান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তেহরানের পরমাণু কর্মসূচিকে নিজেদের সামরিক আগ্রাসন, নিষেধাজ্ঞা ও নানা হামলার যৌক্তিকতা হিসেবে ব্যবহার করে আসছে ওয়াশিংটন। এমনকি স্কুল, ক্রীড়া কেন্দ্র কিংবা বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলার পক্ষে যুক্তি দিতে একই অজুহাত ব্যবহার করা হয়েছে।
তার মতে, পরমাণু অস্ত্র অর্জনের বিরুদ্ধে ইরানে ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তেহরান যদি সত্যিই এমন কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিত, তবে তা দ্রুত বাস্তবায়নের সক্ষমতা তাদের রয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিকভাবে কখনোই এমন কোনো পথ বেছে নেয়নি দেশটি।
ওমানের মধ্যস্থতায় জেনেভায় দুই পক্ষের মধ্যে একটি প্রাথমিক সমঝোতা হয়েছিল এবং খুব দ্রুতই একটি খসড়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা ছিল। ওই সমঝোতায় নিজেদের পরমাণু কর্মসূচিকে সামরিকীকরণ না করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল ইরান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনীতির পথ বাদ দিয়ে যুদ্ধের পথে হাঁটায় সেই সমঝোতা আর আলোর মুখ দেখেনি।
ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো আগ্রাসী পদক্ষেপে তেহরান নীরব দর্শক হয়ে থাকবে না বলে সতর্ক করেছেন এ অধ্যাপক। তার দাবি, মার্কিন নৌযান ডুবিয়ে দেওয়ার মতো সামরিক সক্ষমতাও ইরানের হাতে রয়েছে। তবে এর মারাত্মক পরিণতি এড়াতেই ইরান সবসময় সংযত আচরণ করছে।
রয়ভারান জানান, ইসরায়েলি চাপেই মূলত আলোচনার গতিপথ বদলে গিয়েছিল। ওয়াশিংটনের রাজনীতিতে দেশটির লবির প্রভাব নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, ‘এআইপ্যাক হোয়াইট হাউস নিয়ন্ত্রণ করে এবং অনেক সিদ্ধান্তেও তাদের প্রভাব রয়েছে।’ তবে সাক্ষাৎকারটিতে উঠে আসা এসব মূল্যায়ন ও দাবি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইসরায়েলি চাপেই ভেস্তে গেছে মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা: ইরানি অধ্যাপক
সিজেডএন ডেস্ক

ইসরায়েলের তীব্র চাপ এবং মার্কিন নীতিতে দেশটির লবির একচ্ছত্র প্রভাবই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার পরমাণু সমঝোতা ভেস্তে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক হোসেইন রয়ভারান। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
অধ্যাপক রয়ভারান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তেহরানের পরমাণু কর্মসূচিকে নিজেদের সামরিক আগ্রাসন, নিষেধাজ্ঞা ও নানা হামলার যৌক্তিকতা হিসেবে ব্যবহার করে আসছে ওয়াশিংটন। এমনকি স্কুল, ক্রীড়া কেন্দ্র কিংবা বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলার পক্ষে যুক্তি দিতে একই অজুহাত ব্যবহার করা হয়েছে।
তার মতে, পরমাণু অস্ত্র অর্জনের বিরুদ্ধে ইরানে ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তেহরান যদি সত্যিই এমন কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিত, তবে তা দ্রুত বাস্তবায়নের সক্ষমতা তাদের রয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিকভাবে কখনোই এমন কোনো পথ বেছে নেয়নি দেশটি।
ওমানের মধ্যস্থতায় জেনেভায় দুই পক্ষের মধ্যে একটি প্রাথমিক সমঝোতা হয়েছিল এবং খুব দ্রুতই একটি খসড়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা ছিল। ওই সমঝোতায় নিজেদের পরমাণু কর্মসূচিকে সামরিকীকরণ না করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল ইরান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনীতির পথ বাদ দিয়ে যুদ্ধের পথে হাঁটায় সেই সমঝোতা আর আলোর মুখ দেখেনি।
ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো আগ্রাসী পদক্ষেপে তেহরান নীরব দর্শক হয়ে থাকবে না বলে সতর্ক করেছেন এ অধ্যাপক। তার দাবি, মার্কিন নৌযান ডুবিয়ে দেওয়ার মতো সামরিক সক্ষমতাও ইরানের হাতে রয়েছে। তবে এর মারাত্মক পরিণতি এড়াতেই ইরান সবসময় সংযত আচরণ করছে।
রয়ভারান জানান, ইসরায়েলি চাপেই মূলত আলোচনার গতিপথ বদলে গিয়েছিল। ওয়াশিংটনের রাজনীতিতে দেশটির লবির প্রভাব নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, ‘এআইপ্যাক হোয়াইট হাউস নিয়ন্ত্রণ করে এবং অনেক সিদ্ধান্তেও তাদের প্রভাব রয়েছে।’ তবে সাক্ষাৎকারটিতে উঠে আসা এসব মূল্যায়ন ও দাবি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

হুথিদের ওপর হামলার জন্য সৌদি যুবরাজের আবেদন নাকচ ট্রাম্পের 







