


ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের সংস্কার ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রাথমিক নকশা ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রায় ৮ কোটি টাকা খরচ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান টিএ কনসালট্যান্টের বরাবরে এ অর্থ ছাড় করা হয়েছে

তেজগাঁও সিএসডির চারপাশে অবৈধভাবে গড়ে ওঠেছে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানস্ট্যান্ড। এছাড়া গুদামের সীমানাপ্রাচীর ঘিরে অর্ধশত দোকান ও খুপড়ি ঘর তৈরি করা হয়েছে।

একটা সময় সরকারি যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সাজসজ্জা কিংবা ভিআইপি অনুষ্ঠানের কাজে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতো ‘প্যারাডাইম আর্কিটেক্টস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স’কে। গত দেড় যুগ ধরে এমন অঘোষিত সংস্কৃতি ছিলো সরকারের বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান গণপূর্ত অধিদপ্তরে।

শুধু লিফট নয়, এ প্রকল্পে ইএম বিভাগের আওতায় জেনারেটর, অগ্নিনিরোধক ব্যবস্থাপনা, বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনসহ অন্যান্য কেনাকাটায়ও অনুমোদিত দরের চেয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ বেশি খরচ করা হচ্ছে। এ কাজের সঙ্গে জাগৃকের নির্বাহী প্রকৌশলী (ইএম) মো. মিরাজ হোসেন জড়িত বলে জানা যায়।

সূত্র বলছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের ব্যক্তিগত প্লটে সরকারি অর্থ ব্যয় করা প্রকৌশলীদের তথ্য সংগ্রহে নেমেছে দায়িত্বশীল সংস্থা।

ধানমন্ডির ৮ নম্বর সড়কেই মডার্ন গ্রুপ অব কোম্পানিজের পাঁচটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তারা পদে পদে আইন লঙ্ঘন করে হাসপাতাল বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।

গাড়ি কেনার জন্য সরকারের সুদমুক্ত ঋণ সুবিধা নিয়েছেন। প্রতি মাসে পাচ্ছেন জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতন বাবদ নগদ অর্থ। তারপরও সরকারি প্রকল্পের জন্য কেনা জিপ ব্যবহার করছেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পাঁচ সদস্য।

মাসের শেষ সপ্তাহ। রান্নাঘরের বাজার প্রায় শেষ। মেয়েদের স্কুলের পরীক্ষার ফি দেওয়ার সময়ও ঘনিয়ে এসেছে। অথচ পরের বেতন পেতে এখনও কয়েক দিন বাকি।

ধানমন্ডির গ্রিন রোড পুরোটাই আবাসিক এলাকা ছিল। নব্বই দশকের শুরুতে এখানে হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।

অধীনস্থ সংস্থা থেকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব, সহকারী একান্ত সচিব নিয়েছেন একাধিক গাড়ি। দামি পাজেরো স্পোর্ট ও আউটল্যান্ডার জিপও রয়েছে সেই তালিকায়

দেশি-বিদেশি দালাল চক্র ভাগ্যবদলের স্বপ্নে বিভোর তরুণদের প্রথম টার্গেট করছে। পরে তারা ইউরোপে পাঠোনোর নানা প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করছে।

একপ্রকার ‘গায়ের জোরেই’ শান্তার প্লট একত্রীকরণের আবেদনের ফাইলটি পাস করিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কিছু কর্মকর্তা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। প্লট একত্রীকরণের অনুমোদনপত্রের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

রাজউকের পরিকল্পিত নগরায়নের উদ্দেশ্য, সেখানে পর্যাপ্ত ফাঁকা জমি, প্রশস্ত রাস্তা ও ওয়াটার বডি রেখে নকশা করা হয়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কোনো প্রকল্পের জমি দামি হয়ে উঠলে শুরু হয় মূল পরিকল্পনার কাটছাঁট।

সেচপাম্প, পোলট্রি ফার্মের ভেন্টিলেশন, হ্যাচারি, মাছ উৎপাদনের এয়ারেটর, দুধ ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থা, হিমাগার, ফিড মিল, ধান-চাল প্রক্রিয়াজাতকরণসহ খাদ্য উৎপাদনের প্রায় প্রতিটি স্তরই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল।

ঢাকার মতিঝিল, মিরপুর, মহাখালী বা আজিমপুরে গত কয়েকবছরে গড়ে উঠেছে সরকারি আবাসিক এলাকা। নতুন এই আবাসন প্রকল্পগুলোর বেশির ভাগের বয়সই এক থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে। বলতে গেলে অনেক ভবনের রঙের গন্ধ এখনো নাকে লাগে। অথচ এই ভবনগুলো মেরামত করার জন্যই প্রতি অর্থবছরে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

গুলশান-১ এর সিনেমা হলের প্লটে অবশেষে বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েই গেলো বেসরকারি আবাসন নির্মাণ প্রতিষ্ঠান শান্তা হোল্ডিংস। আর এতে একের পর এক নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অনেকটা ‘গায়ের জোরে’ প্লটগুলো শান্তার হাতে তুলে দিয়েছে রাজউক।

কাজী ফিরোজ হাসান নিজেকে সৎ কর্মকর্তা দাবি করলেও চাকরির প্রায় পুরোটা সময় ঢাকায় অবস্থান করে তিনি সব সময় বিদেশ ভ্রমণে যুক্ত আছেন। তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর প্রকিউরমেন্ট এস্টেট ও কনস্ট্রাকশন ইউনিটে (পেকু) কর্মরত থাকায় তাকে ‘পেকু ফিরোজ’ নামেই সবাই চেনেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজউক থেকে পাওয়া প্লটের তথ্য খুঁজতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন সদস্যের এ কমিটির পেছনে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩১ লাখ টাকা। এর মধ্যে কমিটির সভাপতি সাবেক এক আমলা নিয়েছেন ১২ লাখ টাকা, দুইজন সদস্যের প্রত্যেকে নিয়েছেন ৬ লাখ টাকা করে

ইনিয়ে-বিনিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ চলছেই। নানান ফন্দি বের করে একের পর এক বিদেশ সফরে যাচ্ছেন তারা।

সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের অভিযোগ, স্বচ্ছতা নিশ্চিতে লটারি পদ্ধতির কথা বলা হলেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ডিভিশনের পদগুলো রাখা হয়েছে লটারির বাইরে।

ঋণের টাকায় ১২৫ কোটি ব্যয়ে নির্মাণ করা ভবনটিতে বছর না পেরোতেই নানা ত্রুটি দেখা দিয়েছে।