শিরোনাম

শিম-বরবটির দাম কেজিতে বেড়েছে ৪০ টাকা, স্বস্তি নেই ডিম-মাংসেও

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শিম-বরবটির দাম কেজিতে বেড়েছে ৪০ টাকা, স্বস্তি নেই ডিম-মাংসেও
সবজি, ডিম, মুরগি ও গরুর মাংস। ছবি: সিজেডএন টোয়েন্টিফোর

সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর কাঁচাবাজারে স্বস্তি ফেরেনি। শিমের দাম কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকা এবং বরবটি ৪০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকা হয়েছে। এছাড়া গাজর, শশা ও বেগুনের দামও বেড়েছে। অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়তি। কমেনি লাল ও সাদা কোনো ডিমের দাম।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে রাজধানীর নয়াবাজার ও ধূপখোলা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সবজির বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, শিমের দাম গত সপ্তাহের চেয়ে ৪০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকায় ও আর বরটি ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গাজর ১৪০ টাকা, শশা ৬০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে এসব সবজির দাম কেজিতে ২০ টাকা করে বেড়েছে।

অন্যদিকে পেঁয়াজ ৪৫ টাকা, আলু ৩০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, রেহা ৬০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা, কচুর মুখী ৮০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ধুন্দুল ৬০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর লেবুর হলি ৫০ টাকা।

সবজি বিক্রেতা আবুল কালাম বলেন, বাজারে কাঁচা মাল এই বাড়ে এই কমে। এই সপ্তাহে শিম, গাজর ও বেগুনের দাম বেড়েছে। শিম ১৬০ টাকা থেকে বেড়ে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লাল ডিম প্রতি ডজন ১৫০ টাকা এবং সাদা ডিম ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ডিম বিক্রেতারা জানান, গত এক মাস ধরে ১৫০ টাকা ডিমের ডজন। আগে ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন ছিল ১৩০-১৩৫ টাকা। আগস্টের শুরুতে ডিমের দাম বেড়েছে, এরপর আর কমেনি।

মাংসের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় এবং সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১২০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতা ওবায়দুল হক বলেন, ব্রয়লার মুরগির দাম দিন দিন বাড়ছে। আগে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকায় কিনতে পারতাম। এখন বাড়তে বাড়তে ২০০ টাকা হয়ে গেছে। যে অবস্থা হচ্ছে দিন যত যায় বাজারে পণ্যের দাম বাড়তেই থাকে। কমার কোনো লক্ষন নেই।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চাষের চিংড়ি ৯০০ টাকা, পাঙাশ ২৪০, কৈ ৩০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, নদীর পোয়া মাছ প্রতি কেজি ৬০০ টাকা, বেলে ১৬০০ টাকা, পাবদা ৫০০ টাকা, রিডা ১২০০ টাকা, বোয়াল ১০০০ টাকা, আইড় ১৩০০ টাকা, সিং ১১০০ টাকা, কৈ ১২০০ টাকা, রুই ৫০০ টাকা এবং পদ্মার পাঙাশ ১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নিত্যপণের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ২০৫ টাকা, আর খোলা তেল ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া

চিনি প্রতি কেজি ১১০ টাকা ও আটা ৫৫ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) ১৫০ টাকা, মুসুর ডাল (মোটা) ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ধূপখোলায় বাজার করতে আসা ক্রেতা জয়নাল হোসেন বলেন, ‘আজ শুক্রবার প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে ১০ টাকা করে বেশি। এছাড়া বাজারে তেল, মাছ, ডিম, মাংস সবকিছুর দাম বেশি। বাসা থেকে যা কেনার পরিকল্পনা করে বের হই তা কিনতে পারি না। আয় কম। সংসার কীভাবে চালাবো তার কূলকিনারা পাচ্ছি না।’

/জেএইচ/