রাঙামাটিতে ৩০ গ্রাম প্লাবিত
রাঙামাটিতে ৩০ গ্রাম প্লাবিত
টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটি জেলার অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ২০ হাজার মানুষ।


পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনির রাজধানী কোনাক্রিতে আবর্জনার স্তূপ ধসে ৩০ জন নিহত হয়েছে। রাতে ভারি বৃষ্টির মধ্যে পাহাড়সম সেই বর্জ্যের স্তূপ ধসে পাশের বেশ কিছু অস্থায়ী ঝুপড়ি ও ঘরবাড়ির ওপর পড়লে এই ভয়াবহ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

মুম্বাইয়ের কুরলা ও ঘাটকোপার সংলগ্ন চিরাগ নগরের গাউসিয়া চাউল এলাকায় বুধবার (১২ আগস্ট) পাহাড়ধসে ৬ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এ দুর্ঘটনায় ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও একাধিক মানুষ আটকা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আহতদের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, বান্দরবানে ২ জন এবং খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন। এছাড়া কক্সবাজারে একজন নিখোঁজ রয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে টানা দুইদিন ধরে রাঙামাটির পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়েছিলেন প্রায় সাড়ে ৫০০ পর্যটক। তবে সেনাবাহিনীর
টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটি জেলার অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ এবং মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে টানা চার দিনের ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ভয়াবহ দুর্যোগ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পাহাড়ধস, দেয়ালধস, জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ি ঢলে গত তিন দিনে অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় বসতবাড়ি ওপর পাহাড়ধসের ঘটনায় গিয়ে মাটি চাপা পড়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

বান্দরবানের লামা উপজেলার পাহাড়ধসের পৃথক দুটি ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনসহ মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি মক্তবে পাহাড়ধসে পাঁচ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অনেকেই আহত হয়েছেন।
