ইনফান্তিনোকে বাঁচানোর মার্কিন হস্তক্ষেপ রুখতে আদলতের শরণাপন্ন উয়েফা

ইনফান্তিনোকে বাঁচানোর মার্কিন হস্তক্ষেপ রুখতে আদলতের শরণাপন্ন উয়েফা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ বাণিজ্যিক স্বত্বের অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা করায় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এনে ফৌজদারি মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয় উয়েফা। সেই মামলার জন্য প্রমাণ সংগ্রহের যে উদ্যোগ উয়েফা নিয়েছে, তাতে ফিফার মার্কিন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর হস্তক্ষেপের চেষ্টা রুখতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালতের কাছে আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি (উয়েফা)।
ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দাখিল করা নথিতে উয়েফা উল্লেখ করেছে, ‘ফিফা (আমেরিকা) ইনক’ এবং ‘এফডব্লিউসি২০২৬ ইউএস ইনক’ অন্যায়ভাবে ফিফা ও ইনফান্তিনোর হয়ে কাজ করার চেষ্টা করছে।
উয়েফার যুক্তি, নিউইয়র্কের আইনি কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর কোনো প্রত্যক্ষ আইনি স্বার্থ নেই; কারণ প্রস্তাবিত সুইস মামলার লক্ষ্যবস্তু বা আদালতের তলব আদেশের প্রাপক তারা না।
শেয়ার বিক্রি ও বিনিয়োগকারী খোঁজার মূল দায়িত্বে রাখা হয়েছিল মার্কিন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ‘থ্রাইভ ক্যাপিটাল’ কে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা জশুয়া কুশনার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের ভাই।
উয়েফা আরও জানায়, মার্কিন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলো গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়ে যে উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেছে, তার দাবিদার যদি কেউ হয়ে থাকে তবে সেটি মূল প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ ফিফা। সংস্থাটি এও যুক্তি দেয় যে, থ্রাইভ এবং কুশনারের নিজস্ব আইনজীবী রয়েছেন, যারা আদালতের তলব আদেশ জারির পর তা চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন।
আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগে সংশ্লিষ্ট সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইনি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে তা ‘সেকশন ১৭৮২’ এর অধীনে করা আবেদনের প্রচলিত রীতির পরিপন্থী হবে বলে মনে করে উয়েফা। সাধারণত এ ধরনের আবেদন শুরুতে কোনো বিরোধিতা ছাড়াই মঞ্জুর করা হয় এবং পরবর্তীতে তা বাতিলের আবেদনের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হয়ে থাকে।
ইউরোপীয় সংস্থাটি আরও যুক্তি দেখিয়েছে, সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর এই হস্তক্ষেপের ফলে নথিপত্র সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় বাড়তি সময় নষ্ট হবে, কারণ উয়েফা নথিপত্র চাওয়ার আগেই মামলার বিষয়বস্তু বা গুণাগুণ নিয়ে অতিরিক্ত এক দফা লিখিত যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের প্রয়োজন পড়বে।
গত সপ্তাহে ফিফা অভিযোগ তোলে, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের আবেদনগুলো ফিফা ও এর নেতৃত্বের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত।
উল্লেখ্য, বাইরের বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব বিক্রির পরিকল্পনা করে সমালোচিত হন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো। উয়েফাসহ আরও কয়েকটি মাহাদেশীয় ফুটবল নিয়ন্ত্রণ সংস্থার চাপে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন ফিফা সভাপতি। ইনফান্তিনোকে সরাতে অনাস্থা ভোটের কথাও ভাবা হয়। তবু ফিফা সভাপতি পদে আবারও প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন ইনফান্তিনো। ২০২৭ সালের নির্বাচনে নতুন মেয়াদের জন্য লড়বেন সুইজারল্যান্ডের এই কর্মকর্তা।

বিশ্বকাপ বাণিজ্যিক স্বত্বের অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা করায় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এনে ফৌজদারি মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয় উয়েফা। সেই মামলার জন্য প্রমাণ সংগ্রহের যে উদ্যোগ উয়েফা নিয়েছে, তাতে ফিফার মার্কিন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর হস্তক্ষেপের চেষ্টা রুখতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালতের কাছে আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি (উয়েফা)।
ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দাখিল করা নথিতে উয়েফা উল্লেখ করেছে, ‘ফিফা (আমেরিকা) ইনক’ এবং ‘এফডব্লিউসি২০২৬ ইউএস ইনক’ অন্যায়ভাবে ফিফা ও ইনফান্তিনোর হয়ে কাজ করার চেষ্টা করছে।
উয়েফার যুক্তি, নিউইয়র্কের আইনি কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর কোনো প্রত্যক্ষ আইনি স্বার্থ নেই; কারণ প্রস্তাবিত সুইস মামলার লক্ষ্যবস্তু বা আদালতের তলব আদেশের প্রাপক তারা না।
শেয়ার বিক্রি ও বিনিয়োগকারী খোঁজার মূল দায়িত্বে রাখা হয়েছিল মার্কিন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ‘থ্রাইভ ক্যাপিটাল’ কে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা জশুয়া কুশনার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের ভাই।
উয়েফা আরও জানায়, মার্কিন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলো গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়ে যে উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেছে, তার দাবিদার যদি কেউ হয়ে থাকে তবে সেটি মূল প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ ফিফা। সংস্থাটি এও যুক্তি দেয় যে, থ্রাইভ এবং কুশনারের নিজস্ব আইনজীবী রয়েছেন, যারা আদালতের তলব আদেশ জারির পর তা চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন।
আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগে সংশ্লিষ্ট সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইনি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে তা ‘সেকশন ১৭৮২’ এর অধীনে করা আবেদনের প্রচলিত রীতির পরিপন্থী হবে বলে মনে করে উয়েফা। সাধারণত এ ধরনের আবেদন শুরুতে কোনো বিরোধিতা ছাড়াই মঞ্জুর করা হয় এবং পরবর্তীতে তা বাতিলের আবেদনের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হয়ে থাকে।
ইউরোপীয় সংস্থাটি আরও যুক্তি দেখিয়েছে, সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর এই হস্তক্ষেপের ফলে নথিপত্র সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় বাড়তি সময় নষ্ট হবে, কারণ উয়েফা নথিপত্র চাওয়ার আগেই মামলার বিষয়বস্তু বা গুণাগুণ নিয়ে অতিরিক্ত এক দফা লিখিত যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের প্রয়োজন পড়বে।
গত সপ্তাহে ফিফা অভিযোগ তোলে, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের আবেদনগুলো ফিফা ও এর নেতৃত্বের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত।
উল্লেখ্য, বাইরের বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব বিক্রির পরিকল্পনা করে সমালোচিত হন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো। উয়েফাসহ আরও কয়েকটি মাহাদেশীয় ফুটবল নিয়ন্ত্রণ সংস্থার চাপে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন ফিফা সভাপতি। ইনফান্তিনোকে সরাতে অনাস্থা ভোটের কথাও ভাবা হয়। তবু ফিফা সভাপতি পদে আবারও প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন ইনফান্তিনো। ২০২৭ সালের নির্বাচনে নতুন মেয়াদের জন্য লড়বেন সুইজারল্যান্ডের এই কর্মকর্তা।

ইনফান্তিনোকে বাঁচানোর মার্কিন হস্তক্ষেপ রুখতে আদলতের শরণাপন্ন উয়েফা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ বাণিজ্যিক স্বত্বের অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা করায় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এনে ফৌজদারি মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয় উয়েফা। সেই মামলার জন্য প্রমাণ সংগ্রহের যে উদ্যোগ উয়েফা নিয়েছে, তাতে ফিফার মার্কিন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর হস্তক্ষেপের চেষ্টা রুখতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালতের কাছে আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি (উয়েফা)।
ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দাখিল করা নথিতে উয়েফা উল্লেখ করেছে, ‘ফিফা (আমেরিকা) ইনক’ এবং ‘এফডব্লিউসি২০২৬ ইউএস ইনক’ অন্যায়ভাবে ফিফা ও ইনফান্তিনোর হয়ে কাজ করার চেষ্টা করছে।
উয়েফার যুক্তি, নিউইয়র্কের আইনি কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর কোনো প্রত্যক্ষ আইনি স্বার্থ নেই; কারণ প্রস্তাবিত সুইস মামলার লক্ষ্যবস্তু বা আদালতের তলব আদেশের প্রাপক তারা না।
শেয়ার বিক্রি ও বিনিয়োগকারী খোঁজার মূল দায়িত্বে রাখা হয়েছিল মার্কিন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ‘থ্রাইভ ক্যাপিটাল’ কে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা জশুয়া কুশনার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের ভাই।
উয়েফা আরও জানায়, মার্কিন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলো গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়ে যে উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেছে, তার দাবিদার যদি কেউ হয়ে থাকে তবে সেটি মূল প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ ফিফা। সংস্থাটি এও যুক্তি দেয় যে, থ্রাইভ এবং কুশনারের নিজস্ব আইনজীবী রয়েছেন, যারা আদালতের তলব আদেশ জারির পর তা চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন।
আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগে সংশ্লিষ্ট সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইনি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে তা ‘সেকশন ১৭৮২’ এর অধীনে করা আবেদনের প্রচলিত রীতির পরিপন্থী হবে বলে মনে করে উয়েফা। সাধারণত এ ধরনের আবেদন শুরুতে কোনো বিরোধিতা ছাড়াই মঞ্জুর করা হয় এবং পরবর্তীতে তা বাতিলের আবেদনের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হয়ে থাকে।
ইউরোপীয় সংস্থাটি আরও যুক্তি দেখিয়েছে, সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর এই হস্তক্ষেপের ফলে নথিপত্র সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় বাড়তি সময় নষ্ট হবে, কারণ উয়েফা নথিপত্র চাওয়ার আগেই মামলার বিষয়বস্তু বা গুণাগুণ নিয়ে অতিরিক্ত এক দফা লিখিত যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের প্রয়োজন পড়বে।
গত সপ্তাহে ফিফা অভিযোগ তোলে, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের আবেদনগুলো ফিফা ও এর নেতৃত্বের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত।
উল্লেখ্য, বাইরের বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব বিক্রির পরিকল্পনা করে সমালোচিত হন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো। উয়েফাসহ আরও কয়েকটি মাহাদেশীয় ফুটবল নিয়ন্ত্রণ সংস্থার চাপে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন ফিফা সভাপতি। ইনফান্তিনোকে সরাতে অনাস্থা ভোটের কথাও ভাবা হয়। তবু ফিফা সভাপতি পদে আবারও প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন ইনফান্তিনো। ২০২৭ সালের নির্বাচনে নতুন মেয়াদের জন্য লড়বেন সুইজারল্যান্ডের এই কর্মকর্তা।

আবারও ফিফা সভাপতি পদে লড়বেন ইনফান্তিনো







