‘সরকারের মধ্যে সবকিছু গোপনে করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে’

‘সরকারের মধ্যে সবকিছু গোপনে করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেছেন, সরকারের মধ্যে সবকিছু গোপনে করার একটি প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। কোনো চুক্তি বা সিদ্ধান্ত দেশের স্বার্থে হলে, সেটি জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে এবং প্রয়োজন হলে সংসদে আলোচনা করতে হবে।
সোমবার (১০ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আধিপত্যবাদবিরোধী নাগরিক সমাজ আয়োজিত ‘নতুন বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ রাষ্ট্রে সার্বভৌমত্ব কৌশল’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
দিলারা চৌধুরী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে সরকার কী ধরনের চুক্তি করছে এবং সেগুলো দেশের স্বার্থে হচ্ছে কি না, তা জানার অধিকার জনগণের রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা চুক্তি কিংবা সৌদি আরব, আরব ও দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সামরিক ও অন্যান্য চুক্তিগুলো জনসম্মুখে আনা প্রয়োজন। এসব বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হওয়া উচিত। জনগণকে অন্ধকারে রেখে কোনো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি করা উচিত নয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে এনে দিলারা চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক বিভাজন থেকে দেশকে বের করে আনা, রাষ্ট্রের কাঠামো সংস্কার এবং জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই জুলাইয়ের অভ্যুত্থান হয়েছিল। কিন্তু জুলাইয়ের পরও রাজনৈতিক বিভাজন পুরোপুরি দূর হয়নি।
আলোচনা সভায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, আধিপত্য মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র, পশ্চিমা দেশ ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি শক্তিশালী গণতন্ত্র, বিরোধী দলের রাজনৈতিক পরিসর, সংখ্যালঘুদের অধিকার ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
জনতার দলের মুখপাত্র ও মুখ্য সমন্বয়ক মেজর (অব.) ডেল এইচ খান বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব কোনো একটি রাজনৈতিক দলের বিষয় নয়। সরকার পরিবর্তন হলেও এ বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় নীতি অপরিবর্তিত থাকা প্রয়োজন। বঙ্গোপসাগরকে কোনোভাবেই ইজারা দেওয়া যাবে না। এজন্য নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকারকর্মী ও চিত্র সাংবাদিক ড. শহিদুল আলম বলেন, শুধু সরকার পরিবর্তন হলেই কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না। রাজনৈতিক ও সামাজিক চরিত্রের পরিবর্তন প্রয়োজন। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সরকারকে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বারবার বিতর্ক তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা না পাওয়া এবং জুলাই জাদুঘর থেকে ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী আন্দোলনসংক্রান্ত কিছু প্রদর্শনী সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও জবাবদিহি প্রয়োজন।
সংসদ সদস্য মারজিয়া মমতাজ বলেন, দেশের গ্যাস সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্টদের আরও কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
আলোচনা সভায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, গণভোট বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরামের সমন্বয়ক ফাহিম মাশরুর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেছেন, সরকারের মধ্যে সবকিছু গোপনে করার একটি প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। কোনো চুক্তি বা সিদ্ধান্ত দেশের স্বার্থে হলে, সেটি জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে এবং প্রয়োজন হলে সংসদে আলোচনা করতে হবে।
সোমবার (১০ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আধিপত্যবাদবিরোধী নাগরিক সমাজ আয়োজিত ‘নতুন বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ রাষ্ট্রে সার্বভৌমত্ব কৌশল’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
দিলারা চৌধুরী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে সরকার কী ধরনের চুক্তি করছে এবং সেগুলো দেশের স্বার্থে হচ্ছে কি না, তা জানার অধিকার জনগণের রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা চুক্তি কিংবা সৌদি আরব, আরব ও দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সামরিক ও অন্যান্য চুক্তিগুলো জনসম্মুখে আনা প্রয়োজন। এসব বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হওয়া উচিত। জনগণকে অন্ধকারে রেখে কোনো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি করা উচিত নয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে এনে দিলারা চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক বিভাজন থেকে দেশকে বের করে আনা, রাষ্ট্রের কাঠামো সংস্কার এবং জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই জুলাইয়ের অভ্যুত্থান হয়েছিল। কিন্তু জুলাইয়ের পরও রাজনৈতিক বিভাজন পুরোপুরি দূর হয়নি।
আলোচনা সভায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, আধিপত্য মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র, পশ্চিমা দেশ ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি শক্তিশালী গণতন্ত্র, বিরোধী দলের রাজনৈতিক পরিসর, সংখ্যালঘুদের অধিকার ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
জনতার দলের মুখপাত্র ও মুখ্য সমন্বয়ক মেজর (অব.) ডেল এইচ খান বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব কোনো একটি রাজনৈতিক দলের বিষয় নয়। সরকার পরিবর্তন হলেও এ বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় নীতি অপরিবর্তিত থাকা প্রয়োজন। বঙ্গোপসাগরকে কোনোভাবেই ইজারা দেওয়া যাবে না। এজন্য নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকারকর্মী ও চিত্র সাংবাদিক ড. শহিদুল আলম বলেন, শুধু সরকার পরিবর্তন হলেই কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না। রাজনৈতিক ও সামাজিক চরিত্রের পরিবর্তন প্রয়োজন। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সরকারকে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বারবার বিতর্ক তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা না পাওয়া এবং জুলাই জাদুঘর থেকে ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী আন্দোলনসংক্রান্ত কিছু প্রদর্শনী সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও জবাবদিহি প্রয়োজন।
সংসদ সদস্য মারজিয়া মমতাজ বলেন, দেশের গ্যাস সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্টদের আরও কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
আলোচনা সভায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, গণভোট বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরামের সমন্বয়ক ফাহিম মাশরুর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

‘সরকারের মধ্যে সবকিছু গোপনে করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেছেন, সরকারের মধ্যে সবকিছু গোপনে করার একটি প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। কোনো চুক্তি বা সিদ্ধান্ত দেশের স্বার্থে হলে, সেটি জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে এবং প্রয়োজন হলে সংসদে আলোচনা করতে হবে।
সোমবার (১০ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আধিপত্যবাদবিরোধী নাগরিক সমাজ আয়োজিত ‘নতুন বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ রাষ্ট্রে সার্বভৌমত্ব কৌশল’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
দিলারা চৌধুরী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে সরকার কী ধরনের চুক্তি করছে এবং সেগুলো দেশের স্বার্থে হচ্ছে কি না, তা জানার অধিকার জনগণের রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা চুক্তি কিংবা সৌদি আরব, আরব ও দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সামরিক ও অন্যান্য চুক্তিগুলো জনসম্মুখে আনা প্রয়োজন। এসব বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হওয়া উচিত। জনগণকে অন্ধকারে রেখে কোনো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি করা উচিত নয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে এনে দিলারা চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক বিভাজন থেকে দেশকে বের করে আনা, রাষ্ট্রের কাঠামো সংস্কার এবং জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই জুলাইয়ের অভ্যুত্থান হয়েছিল। কিন্তু জুলাইয়ের পরও রাজনৈতিক বিভাজন পুরোপুরি দূর হয়নি।
আলোচনা সভায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, আধিপত্য মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র, পশ্চিমা দেশ ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি শক্তিশালী গণতন্ত্র, বিরোধী দলের রাজনৈতিক পরিসর, সংখ্যালঘুদের অধিকার ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
জনতার দলের মুখপাত্র ও মুখ্য সমন্বয়ক মেজর (অব.) ডেল এইচ খান বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব কোনো একটি রাজনৈতিক দলের বিষয় নয়। সরকার পরিবর্তন হলেও এ বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় নীতি অপরিবর্তিত থাকা প্রয়োজন। বঙ্গোপসাগরকে কোনোভাবেই ইজারা দেওয়া যাবে না। এজন্য নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকারকর্মী ও চিত্র সাংবাদিক ড. শহিদুল আলম বলেন, শুধু সরকার পরিবর্তন হলেই কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না। রাজনৈতিক ও সামাজিক চরিত্রের পরিবর্তন প্রয়োজন। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সরকারকে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বারবার বিতর্ক তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা না পাওয়া এবং জুলাই জাদুঘর থেকে ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী আন্দোলনসংক্রান্ত কিছু প্রদর্শনী সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও জবাবদিহি প্রয়োজন।
সংসদ সদস্য মারজিয়া মমতাজ বলেন, দেশের গ্যাস সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্টদের আরও কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
আলোচনা সভায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, গণভোট বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরামের সমন্বয়ক ফাহিম মাশরুর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিকল্প ছিল না: ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী







