লোহিত সাগরের পর পেরিম দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিলো হুথিরা

লোহিত সাগরের পর পেরিম দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিলো হুথিরা
সিজেডএন ডেস্ক

লোহিত সাগর উপকূলের পুরো নিয়ন্ত্রণ এখন ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের হাতে। ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখাসহ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল বাব আল-মান্দেব প্রণালির ওপর নিজেদের অবস্থান আরও জোরালো করল গোষ্ঠীটি।
মাত্র ১৮ ঘণ্টার অভিযানে ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের শেষ ঘাঁটিগুলোর পতন ঘটে। সরকারি বাহিনী মোখা থেকে পিছু হটার পর হুথি যোদ্ধারা দ্রুত দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে ধুবাব এবং মুরাদ দখল করে নেয়। মুরাদ ছিল সরকারি বাহিনীর হাতে থাকা সর্বশেষ উপকূলীয় শহর।
এরপর বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিকটবর্তী ধুবাবে পৌঁছে যায় তারা। পরিস্থিতি এখানেই থেমে থাকেনি। হুথির নৌবাহিনী উপকূল ছাড়িয়ে মায়ুন দ্বীপ নিজেদের দখলে নিয়েছে এবং জুকার দ্বীপের দিকে এগিয়ে চলেছে, যেখানে বর্তমানে তীব্র সংঘর্ষ চলছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে চার ইয়েমেনি সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাব আল-মান্দেব প্রণালির মুখে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পেরিম দ্বীপেও হুতিরা পৌঁছে গেছে। পেরিম দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে গেলে বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটিতে হুথিদের আধিপত্য আরও সুদৃঢ় হবে। এর প্রতিক্রিয়ায় হুথি-সমর্থিত আল-মাসিরাহ টেলিভিশন জানিয়েছে, মোখা বিমানবন্দরে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি সামরিক বাহিনী।
মাঠের রাজনীতি ও ক্ষমতার ভারসাম্যে এই মুহূর্তে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে হুথিরা। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বা হারানো ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারে এখনও কোনো বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করতে পারেনি। তবে হুথিদের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যেসব সরকারি সেনা অস্ত্র সমর্পণ করবেন, তাদের সম্পূর্ণ ক্ষমা ও দায়মুক্তি দেওয়া হবে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

লোহিত সাগর উপকূলের পুরো নিয়ন্ত্রণ এখন ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের হাতে। ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখাসহ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল বাব আল-মান্দেব প্রণালির ওপর নিজেদের অবস্থান আরও জোরালো করল গোষ্ঠীটি।
মাত্র ১৮ ঘণ্টার অভিযানে ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের শেষ ঘাঁটিগুলোর পতন ঘটে। সরকারি বাহিনী মোখা থেকে পিছু হটার পর হুথি যোদ্ধারা দ্রুত দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে ধুবাব এবং মুরাদ দখল করে নেয়। মুরাদ ছিল সরকারি বাহিনীর হাতে থাকা সর্বশেষ উপকূলীয় শহর।
এরপর বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিকটবর্তী ধুবাবে পৌঁছে যায় তারা। পরিস্থিতি এখানেই থেমে থাকেনি। হুথির নৌবাহিনী উপকূল ছাড়িয়ে মায়ুন দ্বীপ নিজেদের দখলে নিয়েছে এবং জুকার দ্বীপের দিকে এগিয়ে চলেছে, যেখানে বর্তমানে তীব্র সংঘর্ষ চলছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে চার ইয়েমেনি সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাব আল-মান্দেব প্রণালির মুখে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পেরিম দ্বীপেও হুতিরা পৌঁছে গেছে। পেরিম দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে গেলে বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটিতে হুথিদের আধিপত্য আরও সুদৃঢ় হবে। এর প্রতিক্রিয়ায় হুথি-সমর্থিত আল-মাসিরাহ টেলিভিশন জানিয়েছে, মোখা বিমানবন্দরে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি সামরিক বাহিনী।
মাঠের রাজনীতি ও ক্ষমতার ভারসাম্যে এই মুহূর্তে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে হুথিরা। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বা হারানো ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারে এখনও কোনো বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করতে পারেনি। তবে হুথিদের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যেসব সরকারি সেনা অস্ত্র সমর্পণ করবেন, তাদের সম্পূর্ণ ক্ষমা ও দায়মুক্তি দেওয়া হবে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

লোহিত সাগরের পর পেরিম দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিলো হুথিরা
সিজেডএন ডেস্ক

লোহিত সাগর উপকূলের পুরো নিয়ন্ত্রণ এখন ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের হাতে। ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখাসহ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল বাব আল-মান্দেব প্রণালির ওপর নিজেদের অবস্থান আরও জোরালো করল গোষ্ঠীটি।
মাত্র ১৮ ঘণ্টার অভিযানে ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের শেষ ঘাঁটিগুলোর পতন ঘটে। সরকারি বাহিনী মোখা থেকে পিছু হটার পর হুথি যোদ্ধারা দ্রুত দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে ধুবাব এবং মুরাদ দখল করে নেয়। মুরাদ ছিল সরকারি বাহিনীর হাতে থাকা সর্বশেষ উপকূলীয় শহর।
এরপর বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিকটবর্তী ধুবাবে পৌঁছে যায় তারা। পরিস্থিতি এখানেই থেমে থাকেনি। হুথির নৌবাহিনী উপকূল ছাড়িয়ে মায়ুন দ্বীপ নিজেদের দখলে নিয়েছে এবং জুকার দ্বীপের দিকে এগিয়ে চলেছে, যেখানে বর্তমানে তীব্র সংঘর্ষ চলছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে চার ইয়েমেনি সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাব আল-মান্দেব প্রণালির মুখে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পেরিম দ্বীপেও হুতিরা পৌঁছে গেছে। পেরিম দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে গেলে বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটিতে হুথিদের আধিপত্য আরও সুদৃঢ় হবে। এর প্রতিক্রিয়ায় হুথি-সমর্থিত আল-মাসিরাহ টেলিভিশন জানিয়েছে, মোখা বিমানবন্দরে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি সামরিক বাহিনী।
মাঠের রাজনীতি ও ক্ষমতার ভারসাম্যে এই মুহূর্তে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে হুথিরা। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বা হারানো ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারে এখনও কোনো বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করতে পারেনি। তবে হুথিদের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যেসব সরকারি সেনা অস্ত্র সমর্পণ করবেন, তাদের সম্পূর্ণ ক্ষমা ও দায়মুক্তি দেওয়া হবে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে নন পেজেশকিয়ান





