ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে পুতিন, আসছেন শি জিনপিংসহ বিশ্বনেতারা

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে পুতিন, আসছেন শি জিনপিংসহ বিশ্বনেতারা
সিজেডএন ডেস্ক

উন্নয়নশীল অর্থনীতির জোট ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) আয়োজক দেশ ভারতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বর্তমান অর্থনৈতিক অস্থিরতার আবহে এই সম্মেলন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা ও ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানরাও সরাসরি সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।
রাশিয়ার বার্তাসংস্থা রিয়া নভোস্তির ফুটেজে দেখা যায়, নয়াদিল্লির পালাম বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানান ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং।
ভারতের কূটনৈতিক সূত্র জানায়, দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনের ফাঁকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আলোচনার কথা রয়েছে। একইসঙ্গে, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও মোদির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট জিনপিংসহ আমন্ত্রিত রাষ্ট্রপ্রধানদের অধিকাংশই শনিবার আসবেন। পুতিন একদিন আগেই ভারতে এলেন। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন তিনি। এই বৈঠকে প্রতিরক্ষা, বিদ্যুৎ, প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রে নয়াদিল্লি এবং মস্কোর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
এদিকে, ২০১৯ সালের পর এটিই হতে যাচ্ছে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রথম ভারত সফর। বিতর্কিত হিমালয় সীমান্তে প্রাণঘাতী সংঘর্ষের ৬ বছর পর দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই সফরকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্মেলনে আসা বিশ্বনেতাদের স্বাগত জানাতে পুরো নয়াদিল্লির রাস্তাঘাট প্রধানমন্ত্রী মোদির পোস্টারে ছেয়ে গেছে। নিরাপত্তার জন্য নয়াদিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও ভিভিআইপি রুটগুলোতে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্থাপন করেছে উচ্চপ্রযুক্তির একটি ডেডিকেটেড কন্ট্রোল রুম। সেখান থেকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্বনেতাদের মোটরকেডের গতিবিধি এবং রাজধানীর সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় জেলাগুলোতেও যান চলাচলের ওপর ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
২০০৯ সালে ব্রিকস তৈরি হয়েছিল মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর প্রভাব কমাতে। কিন্তু এখন ইরান, সৌদি আরব আর আরব আমিরাতের মতো নতুন দেশ যুক্ত হওয়ায় জোটের ভেতরেই মতের অমিল দেখা দিয়েছে। কারণ, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে এই দেশগুলোর অবস্থান আলাদা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের সম্মেলনের সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হবে এই মতপার্থক্য বা ‘বিভাজন রেখা’। যে সম্প্রসারণকে একসময় বড় সাফল্য ভাবা হতো, এখন সেটাই ব্রিকসের জন্য একটা বড় চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এবারের সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিকল্প মুদ্রার ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও এবারের শীর্ষ বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচি হয়ে উঠতে পারে।

উন্নয়নশীল অর্থনীতির জোট ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) আয়োজক দেশ ভারতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বর্তমান অর্থনৈতিক অস্থিরতার আবহে এই সম্মেলন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা ও ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানরাও সরাসরি সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।
রাশিয়ার বার্তাসংস্থা রিয়া নভোস্তির ফুটেজে দেখা যায়, নয়াদিল্লির পালাম বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানান ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং।
ভারতের কূটনৈতিক সূত্র জানায়, দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনের ফাঁকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আলোচনার কথা রয়েছে। একইসঙ্গে, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও মোদির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট জিনপিংসহ আমন্ত্রিত রাষ্ট্রপ্রধানদের অধিকাংশই শনিবার আসবেন। পুতিন একদিন আগেই ভারতে এলেন। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন তিনি। এই বৈঠকে প্রতিরক্ষা, বিদ্যুৎ, প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রে নয়াদিল্লি এবং মস্কোর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
এদিকে, ২০১৯ সালের পর এটিই হতে যাচ্ছে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রথম ভারত সফর। বিতর্কিত হিমালয় সীমান্তে প্রাণঘাতী সংঘর্ষের ৬ বছর পর দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই সফরকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্মেলনে আসা বিশ্বনেতাদের স্বাগত জানাতে পুরো নয়াদিল্লির রাস্তাঘাট প্রধানমন্ত্রী মোদির পোস্টারে ছেয়ে গেছে। নিরাপত্তার জন্য নয়াদিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও ভিভিআইপি রুটগুলোতে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্থাপন করেছে উচ্চপ্রযুক্তির একটি ডেডিকেটেড কন্ট্রোল রুম। সেখান থেকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্বনেতাদের মোটরকেডের গতিবিধি এবং রাজধানীর সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় জেলাগুলোতেও যান চলাচলের ওপর ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
২০০৯ সালে ব্রিকস তৈরি হয়েছিল মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর প্রভাব কমাতে। কিন্তু এখন ইরান, সৌদি আরব আর আরব আমিরাতের মতো নতুন দেশ যুক্ত হওয়ায় জোটের ভেতরেই মতের অমিল দেখা দিয়েছে। কারণ, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে এই দেশগুলোর অবস্থান আলাদা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের সম্মেলনের সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হবে এই মতপার্থক্য বা ‘বিভাজন রেখা’। যে সম্প্রসারণকে একসময় বড় সাফল্য ভাবা হতো, এখন সেটাই ব্রিকসের জন্য একটা বড় চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এবারের সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিকল্প মুদ্রার ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও এবারের শীর্ষ বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচি হয়ে উঠতে পারে।

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে পুতিন, আসছেন শি জিনপিংসহ বিশ্বনেতারা
সিজেডএন ডেস্ক

উন্নয়নশীল অর্থনীতির জোট ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) আয়োজক দেশ ভারতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বর্তমান অর্থনৈতিক অস্থিরতার আবহে এই সম্মেলন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা ও ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানরাও সরাসরি সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।
রাশিয়ার বার্তাসংস্থা রিয়া নভোস্তির ফুটেজে দেখা যায়, নয়াদিল্লির পালাম বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানান ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং।
ভারতের কূটনৈতিক সূত্র জানায়, দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনের ফাঁকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আলোচনার কথা রয়েছে। একইসঙ্গে, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও মোদির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট জিনপিংসহ আমন্ত্রিত রাষ্ট্রপ্রধানদের অধিকাংশই শনিবার আসবেন। পুতিন একদিন আগেই ভারতে এলেন। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন তিনি। এই বৈঠকে প্রতিরক্ষা, বিদ্যুৎ, প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রে নয়াদিল্লি এবং মস্কোর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
এদিকে, ২০১৯ সালের পর এটিই হতে যাচ্ছে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রথম ভারত সফর। বিতর্কিত হিমালয় সীমান্তে প্রাণঘাতী সংঘর্ষের ৬ বছর পর দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই সফরকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্মেলনে আসা বিশ্বনেতাদের স্বাগত জানাতে পুরো নয়াদিল্লির রাস্তাঘাট প্রধানমন্ত্রী মোদির পোস্টারে ছেয়ে গেছে। নিরাপত্তার জন্য নয়াদিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও ভিভিআইপি রুটগুলোতে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্থাপন করেছে উচ্চপ্রযুক্তির একটি ডেডিকেটেড কন্ট্রোল রুম। সেখান থেকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্বনেতাদের মোটরকেডের গতিবিধি এবং রাজধানীর সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় জেলাগুলোতেও যান চলাচলের ওপর ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
২০০৯ সালে ব্রিকস তৈরি হয়েছিল মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর প্রভাব কমাতে। কিন্তু এখন ইরান, সৌদি আরব আর আরব আমিরাতের মতো নতুন দেশ যুক্ত হওয়ায় জোটের ভেতরেই মতের অমিল দেখা দিয়েছে। কারণ, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে এই দেশগুলোর অবস্থান আলাদা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের সম্মেলনের সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হবে এই মতপার্থক্য বা ‘বিভাজন রেখা’। যে সম্প্রসারণকে একসময় বড় সাফল্য ভাবা হতো, এখন সেটাই ব্রিকসের জন্য একটা বড় চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এবারের সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিকল্প মুদ্রার ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও এবারের শীর্ষ বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচি হয়ে উঠতে পারে।

ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী







