শতকের ওপরে অধিকাংশ সবজি, কাঁচামরিচ ৪০০ ছুঁইছুঁই

শতকের ওপরে অধিকাংশ সবজি, কাঁচামরিচ ৪০০ ছুঁইছুঁই
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর কাঁচাবাজারে স্বস্তি ফিরছে না নিত্যপণ্যের দামে। সপ্তাহের ব্যবধানে আরও বেড়েছে অধিকাংশ সবজির দাম। বেশিরভাগ সবজিই এখন বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০০ টাকা বা তার বেশি দরে। আর কাঁচামরিচের দাম পৌঁছেছে ৪০০ টাকার কাছাকাছি। লাগামহীন এ মূল্যবৃদ্ধিতে চাপে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতারা।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও মিরপুর ৬ নম্বর কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রতি কেজি টমেটো ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, বেগুন আকার ও মানভেদে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, শসা ও গাজর ১২০, বরবটি ১২০, করলা ১৪০, ঝিঁঙে ১০০, কচুর মুখী ১২০, ধুন্দল ১০০, শিম ২৬০ এবং মুলা ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, লাউ প্রতি পিস ১০০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
এদিকে, প্রতি কেজি কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা করে। ঢেঁড়স ও কচুর লতি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০, পটল ও মিষ্টি কুমড়া ৬০ থেকে ৭০, পেঁপে ৪০ এবং চাল কুমড়া প্রতি পিস ৮০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, লেবুর হালি ২০ থেকে ৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে কাঁচামরিচের। মানভেদে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৩৪০ থেকে ৪০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে, গত সপ্তাহেও যা ছিল ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘২ সপ্তাহ ধরে সবজির দাম বেড়ে গেছে। কিছুদিন আগে বৃষ্টি থাকায় দাম বেড়েছে বলে জেনেছি। এখন তো আর বৃষ্টি নেই, তাহলে দাম কমছে না কেন?’
বিক্রেতারা বলছেন, ‘বৃষ্টিতে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাজারে সবজির সরবরাহ কম। এজন্য সবজির দাম দিনদিন বাড়ছে।’
এদিকে, ফার্মের লাল এবং সাদা ডিমের দামও বেড়েছে। বর্তমানে লাল ডিমের ডজন ১৪৫ টাকা এবং সাদা ডিমের ডজন ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহেও যা ছিল ১২৫ থেকে ১৩৫ টাকা।

মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ইলিশ মাছ আকারভেদে ১১০০ থেকে ২৩০০ টাকা, শোল মাছ ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা, মাঝারি সাইজের কৈ ২৫০, শিং ৫০০ থেকে ৬০০, পাবদা ৪০০, পোয়া ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া নদীর বোয়াল আকারভেদে ৬০০ থেকে ১০০০, টেংরা ৮০০, আইর মাছ মাঝারি সাইজেরগুলো ১০০০, রুই মাঝারি সাইজেরগুলো ৫০০ এবং ছোট সাইজেরগুলো ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে ৬ কেজির বড় রুই প্রতি কেজি ৭০০ টাকা, নদীর ছোট সাইজের চিংড়ি ১২০০, চাষেরগুলো ৭০০ এবং বড় সাইজ ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লইট্টা আকারভেদে ২৫০ থেকে ৩০০, তেলাপিয়া ২৪০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
ব্রয়লার জাতের মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকা, সোনালি ৩২০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস ১২০০ এবং ছাগলের মাংস ১০৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
মিরপুর ৬ নম্বর কাঁচাবাজারের চিত্র
রাজধানী মিরপুরের কাঁচাবাজারে টমেটো প্রতি কেজি ১৫০ টাকা, বেগুন ১২০ থেকে ১৫০, শসা ১৩০, গাজর ১২০, বরবটি ১২০-১৩০, করলা ১৩০-১৫০, ঝিঁঙে ১২০, কাঁকরোল ১০০, ঢেঁঢস ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কচুর লতি ১০০, কচুর মুখী ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ধুন্দল ১০০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি চিচিঙ্গা ৮০, পটল ও মিষ্টি কুমড়া ৭০ থেকে ৮০, পেঁপে ৫০ এবং চাল কুমড়া প্রতি পিস ৮০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের কেজি ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত। গত সপ্তাহে ১৬০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পাবদা মাছ প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা, নদীর চিংড়ি আকারভেদে ১২৫০ থেকে ১৭০০ টাকা, শোল মাছ ৮০০ থেকে ৯৫০ টাকা, শিং মাছ ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা, লইট্টা ২৫০ থেকে ৩০০, পোয়া ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নদীর কাতলা আকারভেদে প্রতি কেছি বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে ১১০০, টেংরা ৭৫০, তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ৩৫০, চাষের কৈ মাছ ৩২০ নদীর ছোট বোয়াল ৮০০ এবং বড়গুলো ১২০০ টাকা। ইলিশ মাছ মাঝারি সাইজের প্রতি কেজি ২৭০০ টাকা এবং বড় সাইজের ৩৩০০ টাকা এবং জাটকা ৭০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, ব্রয়লার জাতের মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকা, সোনালি ৩৩০ এবং লেয়ার ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরুর মাংস প্রতি কেজির দাম ৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১৩০০ এবং ছাগলের মাংস ১১৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
ক্রেতাদের ভাষ্যমতে, বাজারে এখন বলতে গেলে দুই একটা সবজি ১০০ টাকার নিচে। বাকি সব ১০০ টাকার উপরে। এতো বেশি দামে সাধারণ মানুষের জন্য সবজি কিনে খাওয়া কঠিন।

রাজধানীর কাঁচাবাজারে স্বস্তি ফিরছে না নিত্যপণ্যের দামে। সপ্তাহের ব্যবধানে আরও বেড়েছে অধিকাংশ সবজির দাম। বেশিরভাগ সবজিই এখন বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০০ টাকা বা তার বেশি দরে। আর কাঁচামরিচের দাম পৌঁছেছে ৪০০ টাকার কাছাকাছি। লাগামহীন এ মূল্যবৃদ্ধিতে চাপে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতারা।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও মিরপুর ৬ নম্বর কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রতি কেজি টমেটো ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, বেগুন আকার ও মানভেদে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, শসা ও গাজর ১২০, বরবটি ১২০, করলা ১৪০, ঝিঁঙে ১০০, কচুর মুখী ১২০, ধুন্দল ১০০, শিম ২৬০ এবং মুলা ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, লাউ প্রতি পিস ১০০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
এদিকে, প্রতি কেজি কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা করে। ঢেঁড়স ও কচুর লতি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০, পটল ও মিষ্টি কুমড়া ৬০ থেকে ৭০, পেঁপে ৪০ এবং চাল কুমড়া প্রতি পিস ৮০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, লেবুর হালি ২০ থেকে ৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে কাঁচামরিচের। মানভেদে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৩৪০ থেকে ৪০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে, গত সপ্তাহেও যা ছিল ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘২ সপ্তাহ ধরে সবজির দাম বেড়ে গেছে। কিছুদিন আগে বৃষ্টি থাকায় দাম বেড়েছে বলে জেনেছি। এখন তো আর বৃষ্টি নেই, তাহলে দাম কমছে না কেন?’
বিক্রেতারা বলছেন, ‘বৃষ্টিতে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাজারে সবজির সরবরাহ কম। এজন্য সবজির দাম দিনদিন বাড়ছে।’
এদিকে, ফার্মের লাল এবং সাদা ডিমের দামও বেড়েছে। বর্তমানে লাল ডিমের ডজন ১৪৫ টাকা এবং সাদা ডিমের ডজন ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহেও যা ছিল ১২৫ থেকে ১৩৫ টাকা।

মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ইলিশ মাছ আকারভেদে ১১০০ থেকে ২৩০০ টাকা, শোল মাছ ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা, মাঝারি সাইজের কৈ ২৫০, শিং ৫০০ থেকে ৬০০, পাবদা ৪০০, পোয়া ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া নদীর বোয়াল আকারভেদে ৬০০ থেকে ১০০০, টেংরা ৮০০, আইর মাছ মাঝারি সাইজেরগুলো ১০০০, রুই মাঝারি সাইজেরগুলো ৫০০ এবং ছোট সাইজেরগুলো ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে ৬ কেজির বড় রুই প্রতি কেজি ৭০০ টাকা, নদীর ছোট সাইজের চিংড়ি ১২০০, চাষেরগুলো ৭০০ এবং বড় সাইজ ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লইট্টা আকারভেদে ২৫০ থেকে ৩০০, তেলাপিয়া ২৪০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
ব্রয়লার জাতের মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকা, সোনালি ৩২০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস ১২০০ এবং ছাগলের মাংস ১০৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
মিরপুর ৬ নম্বর কাঁচাবাজারের চিত্র
রাজধানী মিরপুরের কাঁচাবাজারে টমেটো প্রতি কেজি ১৫০ টাকা, বেগুন ১২০ থেকে ১৫০, শসা ১৩০, গাজর ১২০, বরবটি ১২০-১৩০, করলা ১৩০-১৫০, ঝিঁঙে ১২০, কাঁকরোল ১০০, ঢেঁঢস ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কচুর লতি ১০০, কচুর মুখী ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ধুন্দল ১০০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি চিচিঙ্গা ৮০, পটল ও মিষ্টি কুমড়া ৭০ থেকে ৮০, পেঁপে ৫০ এবং চাল কুমড়া প্রতি পিস ৮০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের কেজি ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত। গত সপ্তাহে ১৬০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পাবদা মাছ প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা, নদীর চিংড়ি আকারভেদে ১২৫০ থেকে ১৭০০ টাকা, শোল মাছ ৮০০ থেকে ৯৫০ টাকা, শিং মাছ ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা, লইট্টা ২৫০ থেকে ৩০০, পোয়া ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নদীর কাতলা আকারভেদে প্রতি কেছি বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে ১১০০, টেংরা ৭৫০, তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ৩৫০, চাষের কৈ মাছ ৩২০ নদীর ছোট বোয়াল ৮০০ এবং বড়গুলো ১২০০ টাকা। ইলিশ মাছ মাঝারি সাইজের প্রতি কেজি ২৭০০ টাকা এবং বড় সাইজের ৩৩০০ টাকা এবং জাটকা ৭০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, ব্রয়লার জাতের মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকা, সোনালি ৩৩০ এবং লেয়ার ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরুর মাংস প্রতি কেজির দাম ৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১৩০০ এবং ছাগলের মাংস ১১৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
ক্রেতাদের ভাষ্যমতে, বাজারে এখন বলতে গেলে দুই একটা সবজি ১০০ টাকার নিচে। বাকি সব ১০০ টাকার উপরে। এতো বেশি দামে সাধারণ মানুষের জন্য সবজি কিনে খাওয়া কঠিন।

শতকের ওপরে অধিকাংশ সবজি, কাঁচামরিচ ৪০০ ছুঁইছুঁই
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর কাঁচাবাজারে স্বস্তি ফিরছে না নিত্যপণ্যের দামে। সপ্তাহের ব্যবধানে আরও বেড়েছে অধিকাংশ সবজির দাম। বেশিরভাগ সবজিই এখন বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০০ টাকা বা তার বেশি দরে। আর কাঁচামরিচের দাম পৌঁছেছে ৪০০ টাকার কাছাকাছি। লাগামহীন এ মূল্যবৃদ্ধিতে চাপে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতারা।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও মিরপুর ৬ নম্বর কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রতি কেজি টমেটো ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, বেগুন আকার ও মানভেদে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, শসা ও গাজর ১২০, বরবটি ১২০, করলা ১৪০, ঝিঁঙে ১০০, কচুর মুখী ১২০, ধুন্দল ১০০, শিম ২৬০ এবং মুলা ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, লাউ প্রতি পিস ১০০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
এদিকে, প্রতি কেজি কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা করে। ঢেঁড়স ও কচুর লতি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০, পটল ও মিষ্টি কুমড়া ৬০ থেকে ৭০, পেঁপে ৪০ এবং চাল কুমড়া প্রতি পিস ৮০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, লেবুর হালি ২০ থেকে ৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে কাঁচামরিচের। মানভেদে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৩৪০ থেকে ৪০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে, গত সপ্তাহেও যা ছিল ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘২ সপ্তাহ ধরে সবজির দাম বেড়ে গেছে। কিছুদিন আগে বৃষ্টি থাকায় দাম বেড়েছে বলে জেনেছি। এখন তো আর বৃষ্টি নেই, তাহলে দাম কমছে না কেন?’
বিক্রেতারা বলছেন, ‘বৃষ্টিতে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাজারে সবজির সরবরাহ কম। এজন্য সবজির দাম দিনদিন বাড়ছে।’
এদিকে, ফার্মের লাল এবং সাদা ডিমের দামও বেড়েছে। বর্তমানে লাল ডিমের ডজন ১৪৫ টাকা এবং সাদা ডিমের ডজন ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহেও যা ছিল ১২৫ থেকে ১৩৫ টাকা।

মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ইলিশ মাছ আকারভেদে ১১০০ থেকে ২৩০০ টাকা, শোল মাছ ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা, মাঝারি সাইজের কৈ ২৫০, শিং ৫০০ থেকে ৬০০, পাবদা ৪০০, পোয়া ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া নদীর বোয়াল আকারভেদে ৬০০ থেকে ১০০০, টেংরা ৮০০, আইর মাছ মাঝারি সাইজেরগুলো ১০০০, রুই মাঝারি সাইজেরগুলো ৫০০ এবং ছোট সাইজেরগুলো ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে ৬ কেজির বড় রুই প্রতি কেজি ৭০০ টাকা, নদীর ছোট সাইজের চিংড়ি ১২০০, চাষেরগুলো ৭০০ এবং বড় সাইজ ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লইট্টা আকারভেদে ২৫০ থেকে ৩০০, তেলাপিয়া ২৪০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
ব্রয়লার জাতের মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকা, সোনালি ৩২০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস ১২০০ এবং ছাগলের মাংস ১০৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
মিরপুর ৬ নম্বর কাঁচাবাজারের চিত্র
রাজধানী মিরপুরের কাঁচাবাজারে টমেটো প্রতি কেজি ১৫০ টাকা, বেগুন ১২০ থেকে ১৫০, শসা ১৩০, গাজর ১২০, বরবটি ১২০-১৩০, করলা ১৩০-১৫০, ঝিঁঙে ১২০, কাঁকরোল ১০০, ঢেঁঢস ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কচুর লতি ১০০, কচুর মুখী ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ধুন্দল ১০০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি চিচিঙ্গা ৮০, পটল ও মিষ্টি কুমড়া ৭০ থেকে ৮০, পেঁপে ৫০ এবং চাল কুমড়া প্রতি পিস ৮০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের কেজি ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত। গত সপ্তাহে ১৬০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পাবদা মাছ প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা, নদীর চিংড়ি আকারভেদে ১২৫০ থেকে ১৭০০ টাকা, শোল মাছ ৮০০ থেকে ৯৫০ টাকা, শিং মাছ ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা, লইট্টা ২৫০ থেকে ৩০০, পোয়া ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নদীর কাতলা আকারভেদে প্রতি কেছি বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে ১১০০, টেংরা ৭৫০, তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ৩৫০, চাষের কৈ মাছ ৩২০ নদীর ছোট বোয়াল ৮০০ এবং বড়গুলো ১২০০ টাকা। ইলিশ মাছ মাঝারি সাইজের প্রতি কেজি ২৭০০ টাকা এবং বড় সাইজের ৩৩০০ টাকা এবং জাটকা ৭০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, ব্রয়লার জাতের মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকা, সোনালি ৩৩০ এবং লেয়ার ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরুর মাংস প্রতি কেজির দাম ৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১৩০০ এবং ছাগলের মাংস ১১৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
ক্রেতাদের ভাষ্যমতে, বাজারে এখন বলতে গেলে দুই একটা সবজি ১০০ টাকার নিচে। বাকি সব ১০০ টাকার উপরে। এতো বেশি দামে সাধারণ মানুষের জন্য সবজি কিনে খাওয়া কঠিন।

কাঁচাবাজারে আগুন, ১০০ টাকার নিচে মিলছে না বেশিরভাগ সবজি
চার প্রতিষ্ঠানের পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ
নিত্যপণ্যের বাজারে উত্তাপ, দিশেহারা ক্রেতারা







