কোরআনে যাদের সফল বলেছেন আল্লাহ
কোরআনে যাদের সফল বলেছেন আল্লাহ
সফলতা মানুষের চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা। মানুষ যুগে যুগে সফলতার সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছে তার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, সংস্কৃতি ও জীবনদর্শনের আলোকে।


দান করার দুটি দিক রয়েছে, একটি পাপের ও অপরটি পুণ্যের, একটি কল্যাণের ও অপরটি অকল্যাণের। একটির মাধ্যমে মানবকল্যাণ, সমাজকল্যাণ ও সৃষ্টিকল্যাণ হয়ে থাকে। আর অপরটির মাধ্যমে অকল্যাণ হয়ে থাকে।

ভুল যেমন রয়েছে, তেমনি সংশোধনেরও সুযোগ রয়েছে। ইসলামে ভুল ধরিয়ে দেওয়ার সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি রয়েছে। কেউ কেউ অন্যের ভুল দেখলে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে সংশোধন করে দেওয়ার পরিবর্তে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে কথা বলেন।

যৌবনকাল এমন একটি সময়, যা উদ্দীপনা ও আবেগে পরিপূর্ণ। এ সময় মানুষ নিজের যোগ্যতা ও সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে সাফল্য অর্জন করতে পারে।

আল্লাহ তাআলা মানুষকে তার ইবাদত করার জন্য সৃষ্টি করেছেন। যারা আল্লাহর বিধান আনুগত্যে ইবাদত-বন্দেগি করবে, তারা হবে সফলকাম। তাদের মধ্যে অনেককে আল্লাহ তাআলা বিশেষ মর্যাদা দান করবেন।
সফলতা মানুষের চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা। মানুষ যুগে যুগে সফলতার সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছে তার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, সংস্কৃতি ও জীবনদর্শনের আলোকে।

মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি। তাই মুমিনের জীবনের অন্যতম প্রধান আমল হওয়া উচিত আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা এবং তার অসন্তুষ্টি থেকে নিজেকে রক্ষা করা।

ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অত্যাচারী’ আখ্যা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, সেই শক্তির দিন আর নেই। দেশটির সামরিক অবকাঠামো ও অর্থনীতি এখন পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে। বর্তমান পরিস্থিতির এমন পরিবর্তনের জন্য তিনি মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন।

রাসুলুল্লাহ (সা.) এর শানে দরুদ পাঠ করা গুরুত্বপূর্ণ আমল। এটি দুনিয়া-আখেরাতে সাফল্য লাভের স্বর্ণসিঁড়ি। স্বয়ং আল্লাহতায়ালা ও তার সম্মানিত ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ পাঠান।

মানুষের জীবনের সব বিষয়ের সমাধান দিয়েছে ইসলাম। কোন প্রাণী খাওয়া যাবে আর কোনটি খাওয়া যাবে না, এ বিষয়ে ইসলামে রয়েছে সুস্পষ্ট নির্দেশনা।

মানুষের জীবন কখনোই সরল রেখায় চলে না। জীবনে দুঃখ-কষ্ট, বিপদ-আপদ ও পরীক্ষা যেন এক অনাহূত মেহমান। মানুষের সঙ্গে মহান আল্লাহর নির্ধারিত এই বিধানে কোনো পরিবর্তন ঘটে না।

আল্লাহর অসংখ্য নিয়ামতের মধ্যে অন্যতম হলো– তিনি মুসলিম উম্মাহকে তার প্রিয় হাবিব হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর ওপর দরুদ পাঠের মহান আমল দান করেছেন।

দুঃখ, দুশ্চিন্ত আর হতাশা-যেন মানুষের জীবনের নিত্যসঙ্গী। পারিবারিক, আর্থিক অথবা অন্য কোনো কারণে মানুষ দুঃখভারাক্রান্ত অথবা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হতে পারে। এমন কঠিন সময়ে একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় আশ্রয় মহান আল্লাহ।

পবিত্র শবে বরাত মুসলমানদের কাছে ক্ষমা ও মুক্তির এক বিশেষ রজনী। ধর্মীয় বর্ণনা অনুযায়ী, এই রাতে আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাদের প্রতি বিশেষ রহমতের দৃষ্টি দেন এবং ক্ষমা প্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করেন। তবে একই সঙ্গে কিছু মানুষের ব্যাপারে সতর্কবার্তাও এসেছে হাদিসে।
