জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এলএনজি আমদানি বাড়ছে: প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এলএনজি আমদানি বাড়ছে: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে কুতুবদিয়া এলাকায় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়ে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। প্রস্তাবিত এই টার্মিনালের মাধ্যমে ডিসেম্বর ২০২৮ সালের মধ্যে এলএনজি সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী ২ বছরের মধ্যে দেশে এলএনজি আমদানি বাড়বে। এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তারেক রহমান বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা পূরণে পায়রা ও মোংলা বন্দর এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে । দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা পূরণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এসব টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনিবলেন, প্রস্তাবিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালগুলো স্থাপন করা হলে দেশের সামগ্রিক জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে। একই সঙ্গে গ্যাসের সংকটও অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির কারণে ৯৫টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে যারা প্রচার করেছিলো তারা পরবর্তীতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তারা যে রিপোর্টটির রেফারেন্স দিয়েছিলেন তা ২০২২ সালের।
তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে ও এ খাতের দ্রুত প্রসারে ২০২৬ সালের ৮ জুন তারিখে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারিসহ সব প্রয়োজনীয় উপাদানের ওপর থেকে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং অতিরিক্ত অগ্রীম আয়করসহ সব ধরনের শুল্ক সম্পূর্ণ ছাড় দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রুফটপ সোলার প্যানেল স্থাপনকারীদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় আর্থিক মডেল ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে যারা বাসাবাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের ছাদে সোলার স্থাপন করবেন, তাদের উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০ দশমিক ১৫ টাকা দরে কিনে নেবে। বর্তমান গড়ে প্রতি ইউনিট ৬ থেকে ৭ টাকা উৎপাদন খরচের বিপরীতে এই বাল্ক রেট ও সরকারি প্রণোদনার ফলে উদ্যোক্তারা ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত (৪০ শতাংশ মুনাফা ও ৫ শতাংশ প্রিমিয়াম) নিট মুনাফা অর্জনের সুযোগ পাবেন, যা পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের অংশ হিসেবে সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে সোলার প্যানেল বসাতে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশের সব জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে রুফটপ সোলার সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে এবং অন্যান্য সরকারি দপ্তরে বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সোলারের পাশাপাশি বায়ু বিদ্যুৎ, জলবিদ্যুৎ এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সমন্বিত পরিকল্পনাও এগিয়ে চলছে।

দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে কুতুবদিয়া এলাকায় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়ে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। প্রস্তাবিত এই টার্মিনালের মাধ্যমে ডিসেম্বর ২০২৮ সালের মধ্যে এলএনজি সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী ২ বছরের মধ্যে দেশে এলএনজি আমদানি বাড়বে। এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তারেক রহমান বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা পূরণে পায়রা ও মোংলা বন্দর এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে । দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা পূরণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এসব টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনিবলেন, প্রস্তাবিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালগুলো স্থাপন করা হলে দেশের সামগ্রিক জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে। একই সঙ্গে গ্যাসের সংকটও অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির কারণে ৯৫টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে যারা প্রচার করেছিলো তারা পরবর্তীতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তারা যে রিপোর্টটির রেফারেন্স দিয়েছিলেন তা ২০২২ সালের।
তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে ও এ খাতের দ্রুত প্রসারে ২০২৬ সালের ৮ জুন তারিখে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারিসহ সব প্রয়োজনীয় উপাদানের ওপর থেকে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং অতিরিক্ত অগ্রীম আয়করসহ সব ধরনের শুল্ক সম্পূর্ণ ছাড় দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রুফটপ সোলার প্যানেল স্থাপনকারীদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় আর্থিক মডেল ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে যারা বাসাবাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের ছাদে সোলার স্থাপন করবেন, তাদের উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০ দশমিক ১৫ টাকা দরে কিনে নেবে। বর্তমান গড়ে প্রতি ইউনিট ৬ থেকে ৭ টাকা উৎপাদন খরচের বিপরীতে এই বাল্ক রেট ও সরকারি প্রণোদনার ফলে উদ্যোক্তারা ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত (৪০ শতাংশ মুনাফা ও ৫ শতাংশ প্রিমিয়াম) নিট মুনাফা অর্জনের সুযোগ পাবেন, যা পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের অংশ হিসেবে সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে সোলার প্যানেল বসাতে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশের সব জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে রুফটপ সোলার সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে এবং অন্যান্য সরকারি দপ্তরে বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সোলারের পাশাপাশি বায়ু বিদ্যুৎ, জলবিদ্যুৎ এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সমন্বিত পরিকল্পনাও এগিয়ে চলছে।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এলএনজি আমদানি বাড়ছে: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে কুতুবদিয়া এলাকায় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়ে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। প্রস্তাবিত এই টার্মিনালের মাধ্যমে ডিসেম্বর ২০২৮ সালের মধ্যে এলএনজি সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী ২ বছরের মধ্যে দেশে এলএনজি আমদানি বাড়বে। এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তারেক রহমান বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা পূরণে পায়রা ও মোংলা বন্দর এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে । দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা পূরণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এসব টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনিবলেন, প্রস্তাবিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালগুলো স্থাপন করা হলে দেশের সামগ্রিক জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে। একই সঙ্গে গ্যাসের সংকটও অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির কারণে ৯৫টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে যারা প্রচার করেছিলো তারা পরবর্তীতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তারা যে রিপোর্টটির রেফারেন্স দিয়েছিলেন তা ২০২২ সালের।
তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে ও এ খাতের দ্রুত প্রসারে ২০২৬ সালের ৮ জুন তারিখে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারিসহ সব প্রয়োজনীয় উপাদানের ওপর থেকে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং অতিরিক্ত অগ্রীম আয়করসহ সব ধরনের শুল্ক সম্পূর্ণ ছাড় দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রুফটপ সোলার প্যানেল স্থাপনকারীদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় আর্থিক মডেল ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে যারা বাসাবাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের ছাদে সোলার স্থাপন করবেন, তাদের উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০ দশমিক ১৫ টাকা দরে কিনে নেবে। বর্তমান গড়ে প্রতি ইউনিট ৬ থেকে ৭ টাকা উৎপাদন খরচের বিপরীতে এই বাল্ক রেট ও সরকারি প্রণোদনার ফলে উদ্যোক্তারা ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত (৪০ শতাংশ মুনাফা ও ৫ শতাংশ প্রিমিয়াম) নিট মুনাফা অর্জনের সুযোগ পাবেন, যা পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের অংশ হিসেবে সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে সোলার প্যানেল বসাতে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশের সব জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে রুফটপ সোলার সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে এবং অন্যান্য সরকারি দপ্তরে বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সোলারের পাশাপাশি বায়ু বিদ্যুৎ, জলবিদ্যুৎ এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সমন্বিত পরিকল্পনাও এগিয়ে চলছে।

হরমুজ দিয়ে বাংলাদেশের এলএনজিবাহী জাহাজ চলাচলে বাধা নেই: ইরানি রাষ্ট্রদূত






