ইয়েমেনে নতুন সংঘাতের মূল্য দিচ্ছে সাধারণ মানুষ

ইয়েমেনে নতুন সংঘাতের মূল্য দিচ্ছে সাধারণ মানুষ
সিজেডএন ডেস্ক

ইয়েমেনে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাতে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে হাজার হাজার পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। সংঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন ও আহত হয়েছেন নয়শতাধিক মানুষ। লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে হুথি বিদ্রোহী এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের লড়াইয়ে আবারও বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষের জীবন।
তাইজের আল-কাদাহা এলাকার ৫০ বছর বয়সী আমান মুরশেদ বছরের পর বছর কাটিয়েছেন একটি শরণার্থী ক্যাম্পে। একসময় নিজের খামারে ফিরে যাওয়ার স্বপ্ন বুনতেন তিনি। কিন্তু শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বের) লোহিত সাগর উপকূলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হুথিদের হাতে চলে যাওয়ার পর সেই স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে। নতুন করে শুরু হওয়া গোলার শব্দে জীবন বাঁচাতে আবারও ছুটতে হয়েছে তাকে। তিনি বলেন, ‘আগে আমরা বাড়ি ফেরার স্বপ্ন দেখতাম, কিন্তু এখন আগের ক্যাম্পে ফেলে আসা সামান্য জিনিসপত্র ফিরে পাওয়ার আশায় আছি। আমাদের কাছে কোনো খাবার নেই, প্রতিবেশীরা প্রতিদিন এক-দুবার যা দিচ্ছে, তা খেয়েই বেঁচে আছি।’

চার বছর ধরে চলা শান্ত পরিবেশে মনে আশার আলো জ্বললেও হঠাৎ ক্যাম্পের কাছে গোলাগুলি শুরু হওয়ায় সন্তানদের নিয়ে অজানা গন্তব্যে পা বাড়াতে বাধ্য হন আমান। তিনি জানান, ‘আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল সন্তানদের নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব পালানো। কারণ একটু দেরি হলেই মৃত্যু নিশ্চিত ছিল। খুব ভোরে কোনো গাড়ি না পাওয়ায় দুই কিলোমিটার হেঁটে আমরা একটি পিক-আপে উঠে নতুন ক্যাম্পে আসি।’ তার মতো শত শত মানুষ এখন দিকভ্রান্ত। কেউ আত্মীয়ের বাড়ি, কেউবা প্রখর রোদে গাছের ছায়ায় কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।
জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় কার্যালয় জানিয়েছে, শুক্রবার হুথিরা মোখা ও লোহিত সাগর উপকূলের বাকি অংশের দখল নেওয়ার পর থেকেই সরকারি এলাকায় তীব্র আতঙ্ক আর বাস্তুচ্যুতি শুরু হয়েছে। আল-মাআফারের পিস অ্যান্ড সোশ্যাল সিকিউরিটি অর্গানাইজেশনের শাখা ব্যবস্থাপক আবদুল নাসের আল-সৌরুরি জানিয়েছেন, বাস্তুচ্যুতির এ ঢেউ ত্রাণকর্মীদের ওপর বিশাল চাপ তৈরি করেছে। কিছু মানুষের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা গেলেও অনেকে আছেন খোলা আকাশের নীচে। তাই আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি।
হুথিরা লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালির দখল নেওয়ার চেষ্টা করায় ভেঙে গেছে যুদ্ধবিরতি। সাংবাদিক মোহাম্মদ আলীর মতে, ৪ বছরের শান্তির সম্ভাবনা পুরোপুরি ভেস্তে গেছে এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার কারণেই এ যুদ্ধবিরতির ইতি ঘটেছে, যার চরম মূল্য চোকাতে হচ্ছে সাধারণ ইয়েমেনিদের।
সূত্র: আল জাজিরা

ইয়েমেনে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাতে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে হাজার হাজার পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। সংঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন ও আহত হয়েছেন নয়শতাধিক মানুষ। লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে হুথি বিদ্রোহী এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের লড়াইয়ে আবারও বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষের জীবন।
তাইজের আল-কাদাহা এলাকার ৫০ বছর বয়সী আমান মুরশেদ বছরের পর বছর কাটিয়েছেন একটি শরণার্থী ক্যাম্পে। একসময় নিজের খামারে ফিরে যাওয়ার স্বপ্ন বুনতেন তিনি। কিন্তু শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বের) লোহিত সাগর উপকূলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হুথিদের হাতে চলে যাওয়ার পর সেই স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে। নতুন করে শুরু হওয়া গোলার শব্দে জীবন বাঁচাতে আবারও ছুটতে হয়েছে তাকে। তিনি বলেন, ‘আগে আমরা বাড়ি ফেরার স্বপ্ন দেখতাম, কিন্তু এখন আগের ক্যাম্পে ফেলে আসা সামান্য জিনিসপত্র ফিরে পাওয়ার আশায় আছি। আমাদের কাছে কোনো খাবার নেই, প্রতিবেশীরা প্রতিদিন এক-দুবার যা দিচ্ছে, তা খেয়েই বেঁচে আছি।’

চার বছর ধরে চলা শান্ত পরিবেশে মনে আশার আলো জ্বললেও হঠাৎ ক্যাম্পের কাছে গোলাগুলি শুরু হওয়ায় সন্তানদের নিয়ে অজানা গন্তব্যে পা বাড়াতে বাধ্য হন আমান। তিনি জানান, ‘আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল সন্তানদের নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব পালানো। কারণ একটু দেরি হলেই মৃত্যু নিশ্চিত ছিল। খুব ভোরে কোনো গাড়ি না পাওয়ায় দুই কিলোমিটার হেঁটে আমরা একটি পিক-আপে উঠে নতুন ক্যাম্পে আসি।’ তার মতো শত শত মানুষ এখন দিকভ্রান্ত। কেউ আত্মীয়ের বাড়ি, কেউবা প্রখর রোদে গাছের ছায়ায় কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।
জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় কার্যালয় জানিয়েছে, শুক্রবার হুথিরা মোখা ও লোহিত সাগর উপকূলের বাকি অংশের দখল নেওয়ার পর থেকেই সরকারি এলাকায় তীব্র আতঙ্ক আর বাস্তুচ্যুতি শুরু হয়েছে। আল-মাআফারের পিস অ্যান্ড সোশ্যাল সিকিউরিটি অর্গানাইজেশনের শাখা ব্যবস্থাপক আবদুল নাসের আল-সৌরুরি জানিয়েছেন, বাস্তুচ্যুতির এ ঢেউ ত্রাণকর্মীদের ওপর বিশাল চাপ তৈরি করেছে। কিছু মানুষের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা গেলেও অনেকে আছেন খোলা আকাশের নীচে। তাই আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি।
হুথিরা লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালির দখল নেওয়ার চেষ্টা করায় ভেঙে গেছে যুদ্ধবিরতি। সাংবাদিক মোহাম্মদ আলীর মতে, ৪ বছরের শান্তির সম্ভাবনা পুরোপুরি ভেস্তে গেছে এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার কারণেই এ যুদ্ধবিরতির ইতি ঘটেছে, যার চরম মূল্য চোকাতে হচ্ছে সাধারণ ইয়েমেনিদের।
সূত্র: আল জাজিরা

ইয়েমেনে নতুন সংঘাতের মূল্য দিচ্ছে সাধারণ মানুষ
সিজেডএন ডেস্ক

ইয়েমেনে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাতে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে হাজার হাজার পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। সংঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন ও আহত হয়েছেন নয়শতাধিক মানুষ। লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে হুথি বিদ্রোহী এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের লড়াইয়ে আবারও বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষের জীবন।
তাইজের আল-কাদাহা এলাকার ৫০ বছর বয়সী আমান মুরশেদ বছরের পর বছর কাটিয়েছেন একটি শরণার্থী ক্যাম্পে। একসময় নিজের খামারে ফিরে যাওয়ার স্বপ্ন বুনতেন তিনি। কিন্তু শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বের) লোহিত সাগর উপকূলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হুথিদের হাতে চলে যাওয়ার পর সেই স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে। নতুন করে শুরু হওয়া গোলার শব্দে জীবন বাঁচাতে আবারও ছুটতে হয়েছে তাকে। তিনি বলেন, ‘আগে আমরা বাড়ি ফেরার স্বপ্ন দেখতাম, কিন্তু এখন আগের ক্যাম্পে ফেলে আসা সামান্য জিনিসপত্র ফিরে পাওয়ার আশায় আছি। আমাদের কাছে কোনো খাবার নেই, প্রতিবেশীরা প্রতিদিন এক-দুবার যা দিচ্ছে, তা খেয়েই বেঁচে আছি।’

চার বছর ধরে চলা শান্ত পরিবেশে মনে আশার আলো জ্বললেও হঠাৎ ক্যাম্পের কাছে গোলাগুলি শুরু হওয়ায় সন্তানদের নিয়ে অজানা গন্তব্যে পা বাড়াতে বাধ্য হন আমান। তিনি জানান, ‘আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল সন্তানদের নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব পালানো। কারণ একটু দেরি হলেই মৃত্যু নিশ্চিত ছিল। খুব ভোরে কোনো গাড়ি না পাওয়ায় দুই কিলোমিটার হেঁটে আমরা একটি পিক-আপে উঠে নতুন ক্যাম্পে আসি।’ তার মতো শত শত মানুষ এখন দিকভ্রান্ত। কেউ আত্মীয়ের বাড়ি, কেউবা প্রখর রোদে গাছের ছায়ায় কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।
জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় কার্যালয় জানিয়েছে, শুক্রবার হুথিরা মোখা ও লোহিত সাগর উপকূলের বাকি অংশের দখল নেওয়ার পর থেকেই সরকারি এলাকায় তীব্র আতঙ্ক আর বাস্তুচ্যুতি শুরু হয়েছে। আল-মাআফারের পিস অ্যান্ড সোশ্যাল সিকিউরিটি অর্গানাইজেশনের শাখা ব্যবস্থাপক আবদুল নাসের আল-সৌরুরি জানিয়েছেন, বাস্তুচ্যুতির এ ঢেউ ত্রাণকর্মীদের ওপর বিশাল চাপ তৈরি করেছে। কিছু মানুষের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা গেলেও অনেকে আছেন খোলা আকাশের নীচে। তাই আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি।
হুথিরা লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালির দখল নেওয়ার চেষ্টা করায় ভেঙে গেছে যুদ্ধবিরতি। সাংবাদিক মোহাম্মদ আলীর মতে, ৪ বছরের শান্তির সম্ভাবনা পুরোপুরি ভেস্তে গেছে এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার কারণেই এ যুদ্ধবিরতির ইতি ঘটেছে, যার চরম মূল্য চোকাতে হচ্ছে সাধারণ ইয়েমেনিদের।
সূত্র: আল জাজিরা

ইয়েমেনে হুথি-সরকারি বাহিনীর সংঘাতে বাস্তুচ্যুত ৪৬ হাজার মানুষ







