মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন পাহারাদারের দরকার নেই: পেজেশকিয়ান

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন পাহারাদারের দরকার নেই: পেজেশকিয়ান
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার অজুহাতে বাইরের কোনো দেশের নজরদারির আপত্তি জানিয়েছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ‘আঞ্চলিক পাহারাদার’ হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
ভারতে চলমান ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে চলমান তীব্র যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের টানাপোড়েনের মাঝেই এমন মন্তব্য করেন পেজেশকিয়ান। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো আঞ্চলিক পাহারাদারের দরকার নেই।’
ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই অঞ্চলের অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা কেবল ভূখণ্ডের মূল অংশীদার এবং এখানকার দেশগুলোই নিশ্চিত করতে পারে।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ভয়ংকর যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। এর পাল্টা জবাবে পুরো অঞ্চলে তীব্র হামলা শুরু করে তেহরান। পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি তেল পরিবহনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে দেয় তারা।
এ কৌশলগত জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কব্জায় নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মার্কিন বাহিনী। যুদ্ধ শুরুর আগে যেকোনো জাহাজ এ রুট দিয়ে মুক্তভাবে চলাচল করতে পারলেও, ইরান এখন সেখানে জাহাজগুলোর পূর্বানুমতি ও সার্ভিস ফি নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে। দেশটির নির্দেশ অমান্যকারী জাহাজগুলোতে নিয়মিত হামলা চালাচ্ছে তেহরান।
অন্যদিকে, হরমুজে ইরানের আধিপত্য গুঁড়িয়ে দিতে দেশটির উপকূলীয় এলাকায় একের পর এক বোমা ফেলছে মার্কিন সেনারা। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে চলা এ যুদ্ধের সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক বাজারে, যার ফলে চলতি সপ্তাহেই জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেল একশ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
যুদ্ধের এমন সংকটময় পরিস্থিতিতেও নিজেদের শান্তির বার্তা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, আমাদের ওপর নানামুখী অন্যায়-অবিচার সত্ত্বেও আমরা যুদ্ধ কিংবা এ সংঘাতের দীর্ঘসূত্রতা চাই না। শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের মূল অগ্রাধিকার।
সূত্র: ডন

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার অজুহাতে বাইরের কোনো দেশের নজরদারির আপত্তি জানিয়েছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ‘আঞ্চলিক পাহারাদার’ হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
ভারতে চলমান ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে চলমান তীব্র যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের টানাপোড়েনের মাঝেই এমন মন্তব্য করেন পেজেশকিয়ান। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো আঞ্চলিক পাহারাদারের দরকার নেই।’
ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই অঞ্চলের অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা কেবল ভূখণ্ডের মূল অংশীদার এবং এখানকার দেশগুলোই নিশ্চিত করতে পারে।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ভয়ংকর যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। এর পাল্টা জবাবে পুরো অঞ্চলে তীব্র হামলা শুরু করে তেহরান। পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি তেল পরিবহনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে দেয় তারা।
এ কৌশলগত জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কব্জায় নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মার্কিন বাহিনী। যুদ্ধ শুরুর আগে যেকোনো জাহাজ এ রুট দিয়ে মুক্তভাবে চলাচল করতে পারলেও, ইরান এখন সেখানে জাহাজগুলোর পূর্বানুমতি ও সার্ভিস ফি নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে। দেশটির নির্দেশ অমান্যকারী জাহাজগুলোতে নিয়মিত হামলা চালাচ্ছে তেহরান।
অন্যদিকে, হরমুজে ইরানের আধিপত্য গুঁড়িয়ে দিতে দেশটির উপকূলীয় এলাকায় একের পর এক বোমা ফেলছে মার্কিন সেনারা। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে চলা এ যুদ্ধের সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক বাজারে, যার ফলে চলতি সপ্তাহেই জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেল একশ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
যুদ্ধের এমন সংকটময় পরিস্থিতিতেও নিজেদের শান্তির বার্তা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, আমাদের ওপর নানামুখী অন্যায়-অবিচার সত্ত্বেও আমরা যুদ্ধ কিংবা এ সংঘাতের দীর্ঘসূত্রতা চাই না। শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের মূল অগ্রাধিকার।
সূত্র: ডন

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন পাহারাদারের দরকার নেই: পেজেশকিয়ান
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার অজুহাতে বাইরের কোনো দেশের নজরদারির আপত্তি জানিয়েছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ‘আঞ্চলিক পাহারাদার’ হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
ভারতে চলমান ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে চলমান তীব্র যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের টানাপোড়েনের মাঝেই এমন মন্তব্য করেন পেজেশকিয়ান। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো আঞ্চলিক পাহারাদারের দরকার নেই।’
ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই অঞ্চলের অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা কেবল ভূখণ্ডের মূল অংশীদার এবং এখানকার দেশগুলোই নিশ্চিত করতে পারে।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ভয়ংকর যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। এর পাল্টা জবাবে পুরো অঞ্চলে তীব্র হামলা শুরু করে তেহরান। পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি তেল পরিবহনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে দেয় তারা।
এ কৌশলগত জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কব্জায় নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মার্কিন বাহিনী। যুদ্ধ শুরুর আগে যেকোনো জাহাজ এ রুট দিয়ে মুক্তভাবে চলাচল করতে পারলেও, ইরান এখন সেখানে জাহাজগুলোর পূর্বানুমতি ও সার্ভিস ফি নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে। দেশটির নির্দেশ অমান্যকারী জাহাজগুলোতে নিয়মিত হামলা চালাচ্ছে তেহরান।
অন্যদিকে, হরমুজে ইরানের আধিপত্য গুঁড়িয়ে দিতে দেশটির উপকূলীয় এলাকায় একের পর এক বোমা ফেলছে মার্কিন সেনারা। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে চলা এ যুদ্ধের সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক বাজারে, যার ফলে চলতি সপ্তাহেই জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেল একশ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
যুদ্ধের এমন সংকটময় পরিস্থিতিতেও নিজেদের শান্তির বার্তা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, আমাদের ওপর নানামুখী অন্যায়-অবিচার সত্ত্বেও আমরা যুদ্ধ কিংবা এ সংঘাতের দীর্ঘসূত্রতা চাই না। শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের মূল অগ্রাধিকার।
সূত্র: ডন

মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরেই ইরান যুদ্ধ শেষ হবে, দাবি ট্রাম্পের







