১৪ জুন কক্সবাজার যাবেন প্রধানমন্ত্রী
১৪ জুন কক্সবাজার যাবেন প্রধানমন্ত্রী
পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী বলেছেন, খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী ১৪ জুন কক্সবাজার সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘রাজনৈতিক দূরদর্শিতার অভাব এবং নতজানু নীতির কারণে বিগত সরকার ফারাক্কার ন্যায্য পানি নিশ্চিত করতে পারে নাই। রাজনৈতিকভাবে ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের পাশাপাশি পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা হবে।’

ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের ১৪১৫টির বেশি নদীর অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। দীর্ঘদিনের অবহেলা, অপরিকল্পিত দখল এবং পলি জমার কারণে এই নদী ও খালগুলোর ৫৫ শতাংশেরও বেশি আজ কার্যকারিতা হারিয়েছে।

নারী উন্নয়নে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছে সরকার বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘তিস্তা নদীর স্থায়ী সমাধান এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক রূপান্তর বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং এ লক্ষ্যে চীনের কারিগরি সহযোগিতা ও পূর্ণ সমর্থন পাওয়া গেছে।’
পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী বলেছেন, খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী ১৪ জুন কক্সবাজার সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার যমুনা নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা রক্ষায় অতি দ্রুত স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

আসন্ন জুলাই মাসে পদ্মা ব্যারাজের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

দীর্ঘ অবহেলায় অনেক খাল দখল করে মার্কেট বা বাড়িঘর গড়ে তোলা হয়েছে। শিল্প বর্জ্য ও পয়োনিষ্কাশন লাইন দিয়ে খালগুলোকে ডাস্টবিনে পরিণত করা হয়েছে। আমরা কর্মসূচি শুরু করেছি, মানেই দখলমুক্ত করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

দলীয় প্রতীক না থাকায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জের মুসাপুর রেগুলেটর ও ছোট ফেনী নদীর ভাঙন এলাকা পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন পানিসম্পদমন্ত্রী।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিমি খাল খনন এবং ৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

আজকে আমরা মিটিং করেছি। সিদ্ধান্ত হয়েছে, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়- আমরা এই চারটা মন্ত্রণালয় বসবো।
