লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৭৪ বাংলাদেশি
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৭৪ বাংলাদেশি
বিমানবন্দরের ‘প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক’ থেকে তাদের সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হয়।


ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার পথে একটি নৌকায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৯ জন বাংলাদেশের নাগরিক। খাবার ও পানি ছাড়া প্রায় ১১ দিন তারা সাগরে ভেসে ছিলেন বলে জানিয়েছেন বেঁচে যাওয়া এক বাংলাদেশি।

গ্রিসের দক্ষিণ ক্রিট দ্বীপে ৪৮ ঘণ্টায় অন্তত ২০২ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বড় একটি অংশই বাংলাদেশি ও সুদানের নাগরিক। তাদের সঙ্গে কয়েকজন মিশরীয়ও রয়েছেন।

গত এক সপ্তাহে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে ভেসে এসেছে ১৫ অভিবাসীর মরদেহ। অভিবাসীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার পর এসব মরদেহ উপকূলে ভেসে এসেছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা, নৌবাহিনী ও হাসপাতাল সূত্র।

সমুদ্র পথে গ্রিস ও ইতালি যাবার সময় লিবিয়ায় আটক ১৭৪ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
বিমানবন্দরের ‘প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক’ থেকে তাদের সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের সামরিক শাসক খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন সরকারের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করেছে পাকিস্তান। অস্ত্র চুক্তিতে অর্থায়ন করেছে সৌদি আরব। পশ্চিমা ও আরব কর্মকর্তারা মিডল ইস্ট আইকে এই তথ্য জানিয়েছেন।

লিবিয়ার প্রয়াত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির সবচেয়ে প্রভাবশালী ছেলে সাইফ আল-ইসলামের ওপর চার বন্দুকধারী হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করেছেন। ৫৩ বছর বয়সী সাইফ রাজধানী ত্রিপোলি থেকে ১৩৬ কিলোমিটার (৮৫ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত জিনতান শহরে নিহত হন।

৫৩ বছর বয়সী সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার রাজনৈতিক উপদেষ্টা আবদুল্লাহ ওসমান।
