
সমাজে অনেক ভুল ধারণা থাকবে, এটা স্বাভাবিক। তবে কাউকে একেবারে ফেলনার ভাবা উচিত নয়। হয়তো দেখা গেলো সে মানসিক সমস্যায় ভুগছে, কিন্তু আপনি তাকে অহংকারী বলে ভুল করে এড়িয়ে যাচ্ছেন। আর যাদের এমন সমস্যা আছে তাদের উচিত নিয়মিত মনোবিশ্লেষক বা

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়লেও এ বিষয়ে সমাজে এখনো নানা ভুল ধারণা, কুসংস্কার ও সামাজিক লেবেল প্রচলিত। কেউ সামান্য গুছিয়ে চললেই নিজেকে ‘ওসিডি রোগী’ মনে করেন, আবার কেউ মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে ‘জিন-ভূতে ধরেছে’ বলে ধরে নেন।

উচ্চমাত্রায় প্যানিক অ্যাটাকের ক্ষেত্রে শিশু বা প্রাপ্ত বয়স্ক অনেকেই ঘর থেকে বের হতে ভয় পেয়ে থাকে । আপনার সন্তানের বা কাছের কোন ব্যক্তির মাঝে প্যানিক অ্যাটাকের লক্ষণগুলো দেখা দিলে বুঝতে হবে, আপনার স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর কাছ থেকে সাহায্য নেওয়ার সময় এসেছে। প্রথমে তাদের পারিবারিক চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ

চারপাশের চাপ, দুশ্চিন্তা আর অস্থিরতায় কখনো কি মনে হয়– দম যেন বন্ধ হয়ে আসছে? ঠিক তখন একটি গভীর শ্বাস অনেক সময় এনে দেয় অদ্ভুত স্বস্তি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনভাবে শ্বাস নেওয়ার এই ছোট অভ্যাস শুধু সাময়িক আরামই নয়, ঘুমের মান উন্নত করা থেকে শুরু করে মানসিক চাপ কমানো