এআই কনটেন্ট নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার কড়াকড়ি
এআই কনটেন্ট নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার কড়াকড়ি
স্ন্যাপচ্যাট, ইউটিউব, লিংকডইন এবং সাবস্ট্যাকের মতো প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে এআই-নির্ভর ভুয়া লেখা, ছবি ও ভিডিও শনাক্ত ও দমনে কঠোর নীতিমালা কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে।


এতদিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ মূলত প্রশ্ন ও উত্তরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ব্যবহারকারী কোনো প্রশ্ন করলে, এআই তার উত্তর দিত, আর কথোপকথন শেষ হলে সেশনের কার্যক্রমও সেখানেই থেমে যেত।

যোগ্য ও দক্ষ কর্মী খুঁজে নিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্ভরতা এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর। সনাতনী পদ্ধতির সীমানা পেরিয়ে প্রার্থীর মেধা ও বাস্তব দক্ষতার সঠিক মূল্যায়নে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জোরকদমে জায়গা করে নিচ্ছে প্রযুক্তি।

চ্যাটজিপিটি, গুগল জেমিনি কিংবা মেটা এআই—বিভিন্ন দরকারী কাজে আমরা প্রতিনিয়ত এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করছি। তবে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও তথ্য সুরক্ষার জন্য অনেকেই চান তাদের পুরানো কথা বা চ্যাট হিস্টরি মুছে ফেলতে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিশ্বে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলো গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অ্যাসিস্ট্যান্ট ‘জেমিনি’।
স্ন্যাপচ্যাট, ইউটিউব, লিংকডইন এবং সাবস্ট্যাকের মতো প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে এআই-নির্ভর ভুয়া লেখা, ছবি ও ভিডিও শনাক্ত ও দমনে কঠোর নীতিমালা কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যবহারকারীরা চ্যাটবটে যে তথ্য দেন, সেগুলো সাধারণত প্ল্যাটফর্মের সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে। পরবর্তী সময়ে প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব অ্যালগরিদম উন্নয়ন ও মডেল প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হয়।

তথ্য খোঁজা থেকে শুরু করে পেশাগত পরামর্শ, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত কিংবা দৈনন্দিন নানা সমস্যার সমাধান সব ক্ষেত্রেই দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) চ্যাটবট। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ এখন বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর পেতে নিয়মিত এ প্রযুক্তির শরণাপন্ন হচ্ছেন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) চ্যাটবটগুলোর জন্য তৈরি বিশেষায়িত সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম মোল্টবুক কিনে নিয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা। চুক্তির অংশ হিসেবে মোল্টবুকের সব কর্মী মেটার সুপারইন্টেলিজেন্স ল্যাবসে যোগ দেবেন।
