দেড়শ বছর পর লাইব্রেরিতে ফেরত এলো বই, জরিমানা ১৯ হাজার ডলার

দেড়শ বছর পর লাইব্রেরিতে ফেরত এলো বই, জরিমানা ১৯ হাজার ডলার
সিজেডএন ডেস্ক

প্রায় ১৫০ বছর আগে ধার নেওয়া প্রাচীন গ্রিক ইতিহাসবিষয়ক একটি দুর্লভ বই অবশেষে ফিরেছে অস্ট্রেলিয়ার কিয়ামা লাইব্রেরিতে। দীর্ঘ সময় ধরে নিখোঁজ থাকা বইটি একটি পুরোনো বাড়ির থেকে উদ্ধার করা হয়।
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের উপকূলীয় শহর কিয়ামার বাসিন্দা ৭৭ বছর বয়সী রস সিমন্স বইটি আনুষ্ঠানিকভাবে কিয়ামা লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেন।
লাইব্রেরি ম্যানেজার মিশেল হাডসন জানান, বইটির নাম অ্যান্টিকুইটিজ অব এথেন্স। ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত বইটি কিয়ামা লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার সময়কার সংগ্রহে থাকা ১ হাজার বইয়ের একটি ছিল। লাইব্রেরির নথি অনুযায়ী, সেটি ছিল সংগ্রহের ৫০৬ নম্বর বই। লাইব্রেরি চালু হওয়ার দুই থেকে তিন বছরের মধ্যেই বইটি হারিয়ে যায়।
কিয়ামার বাসিন্দা রস সিমন্স বলেন, সম্প্রতি নিজের পুরোনো পারিবারিক বাড়িতে সংস্কারকাজ চালানোর সময় বইটির সন্ধান পাই। বাড়ির একটি পুরোনো ফায়ারপ্লেস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং তার ভেতরে রাখা ছিল কাঠের একটি চায়ের বাক্স। সেই বাক্স খুলতেই বহু বছর ধরে যত্নে সংরক্ষিত অবস্থায় বইটি পাওয়া যায়।
সিমন্সের ধারণা, তার প্রপিতামহের বাবা জন সিমন্স ১৮৭০-এর দশকে বইটি কিয়ামা লাইব্রেরি থেকে ধার করেছিলেন। সে সময় তিনি ওই বাড়িতেই বসবাস করতেন। পরে তিনি স্থানীয় পৌরসভার কাউন্সিলর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ সময় ধরে আর্দ্রতা ও পানির সংস্পর্শে থাকায় বইটির কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এর বেশির ভাগ অংশ এখনো পড়ার উপযোগী রয়েছে।
বইটির ভেতরের মলাটে ১৮৭০ সালের কিয়ামা লাইব্রেরির নিয়মকানুনও ছাপা আছে। সেখানে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বই ফেরত না দিলে প্রতি সপ্তাহে তিন পেন্স করে জরিমানা দেওয়ার বিধান ছিলো। সেই পুরোনো নিয়ম বর্তমান সময়ের মূল্যমান ও দীর্ঘ সময়ের হিসাব অনুযায়ী ধরলে বইটির বিলম্ব জরিমানা প্রায় ২৮ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলারে দাঁড়ায়। যা প্রায় ১৯ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলারের সমান।
তবে এই বিশাল অঙ্কের জরিমানা আদায়ের কোনো পরিকল্পনা নেই লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষের। কারণ ১৮৭০-এর দশকে বই ধার নেওয়া ব্যক্তিদের রেজিস্টারটি এখন আর পাওয়া যায় নি। ফলে নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করার উপায় নেই যে বইটি শেষ পর্যন্ত কে ধার করেছিলেন।
উদ্ধার করা বইটির মলাটে সে সময়ের লাইব্রেরি ব্যবহারের বেশ কিছু ব্যতিক্রমী নিয়মও পাওয়া গেছে। একটি নিয়ম অনুযায়ী, কোনো পরিবারের অন্তত ছয়জন সদস্য যে পড়াশোনা করতে পারেন-এমন প্রমাণ দেখাতে পারলে সেই পরিবার একসঙ্গে সর্বোচ্চ তিনটি বই ধার নিতে পারতো।
কিয়ামা লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় দেড় শতাব্দী পর ফিরে আসা এই ঐতিহাসিক বইটি আর সাধারণ পাঠকের জন্য ধার দেওয়া হবে না। কিয়ামা লাইব্রেরি এটিকে স্থানীয় ইতিহাসবিষয়ক বিশেষ সংগ্রহের অংশ হিসেবে সংরক্ষণ করবে।

প্রায় ১৫০ বছর আগে ধার নেওয়া প্রাচীন গ্রিক ইতিহাসবিষয়ক একটি দুর্লভ বই অবশেষে ফিরেছে অস্ট্রেলিয়ার কিয়ামা লাইব্রেরিতে। দীর্ঘ সময় ধরে নিখোঁজ থাকা বইটি একটি পুরোনো বাড়ির থেকে উদ্ধার করা হয়।
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের উপকূলীয় শহর কিয়ামার বাসিন্দা ৭৭ বছর বয়সী রস সিমন্স বইটি আনুষ্ঠানিকভাবে কিয়ামা লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেন।
লাইব্রেরি ম্যানেজার মিশেল হাডসন জানান, বইটির নাম অ্যান্টিকুইটিজ অব এথেন্স। ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত বইটি কিয়ামা লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার সময়কার সংগ্রহে থাকা ১ হাজার বইয়ের একটি ছিল। লাইব্রেরির নথি অনুযায়ী, সেটি ছিল সংগ্রহের ৫০৬ নম্বর বই। লাইব্রেরি চালু হওয়ার দুই থেকে তিন বছরের মধ্যেই বইটি হারিয়ে যায়।
কিয়ামার বাসিন্দা রস সিমন্স বলেন, সম্প্রতি নিজের পুরোনো পারিবারিক বাড়িতে সংস্কারকাজ চালানোর সময় বইটির সন্ধান পাই। বাড়ির একটি পুরোনো ফায়ারপ্লেস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং তার ভেতরে রাখা ছিল কাঠের একটি চায়ের বাক্স। সেই বাক্স খুলতেই বহু বছর ধরে যত্নে সংরক্ষিত অবস্থায় বইটি পাওয়া যায়।
সিমন্সের ধারণা, তার প্রপিতামহের বাবা জন সিমন্স ১৮৭০-এর দশকে বইটি কিয়ামা লাইব্রেরি থেকে ধার করেছিলেন। সে সময় তিনি ওই বাড়িতেই বসবাস করতেন। পরে তিনি স্থানীয় পৌরসভার কাউন্সিলর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ সময় ধরে আর্দ্রতা ও পানির সংস্পর্শে থাকায় বইটির কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এর বেশির ভাগ অংশ এখনো পড়ার উপযোগী রয়েছে।
বইটির ভেতরের মলাটে ১৮৭০ সালের কিয়ামা লাইব্রেরির নিয়মকানুনও ছাপা আছে। সেখানে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বই ফেরত না দিলে প্রতি সপ্তাহে তিন পেন্স করে জরিমানা দেওয়ার বিধান ছিলো। সেই পুরোনো নিয়ম বর্তমান সময়ের মূল্যমান ও দীর্ঘ সময়ের হিসাব অনুযায়ী ধরলে বইটির বিলম্ব জরিমানা প্রায় ২৮ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলারে দাঁড়ায়। যা প্রায় ১৯ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলারের সমান।
তবে এই বিশাল অঙ্কের জরিমানা আদায়ের কোনো পরিকল্পনা নেই লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষের। কারণ ১৮৭০-এর দশকে বই ধার নেওয়া ব্যক্তিদের রেজিস্টারটি এখন আর পাওয়া যায় নি। ফলে নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করার উপায় নেই যে বইটি শেষ পর্যন্ত কে ধার করেছিলেন।
উদ্ধার করা বইটির মলাটে সে সময়ের লাইব্রেরি ব্যবহারের বেশ কিছু ব্যতিক্রমী নিয়মও পাওয়া গেছে। একটি নিয়ম অনুযায়ী, কোনো পরিবারের অন্তত ছয়জন সদস্য যে পড়াশোনা করতে পারেন-এমন প্রমাণ দেখাতে পারলে সেই পরিবার একসঙ্গে সর্বোচ্চ তিনটি বই ধার নিতে পারতো।
কিয়ামা লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় দেড় শতাব্দী পর ফিরে আসা এই ঐতিহাসিক বইটি আর সাধারণ পাঠকের জন্য ধার দেওয়া হবে না। কিয়ামা লাইব্রেরি এটিকে স্থানীয় ইতিহাসবিষয়ক বিশেষ সংগ্রহের অংশ হিসেবে সংরক্ষণ করবে।

দেড়শ বছর পর লাইব্রেরিতে ফেরত এলো বই, জরিমানা ১৯ হাজার ডলার
সিজেডএন ডেস্ক

প্রায় ১৫০ বছর আগে ধার নেওয়া প্রাচীন গ্রিক ইতিহাসবিষয়ক একটি দুর্লভ বই অবশেষে ফিরেছে অস্ট্রেলিয়ার কিয়ামা লাইব্রেরিতে। দীর্ঘ সময় ধরে নিখোঁজ থাকা বইটি একটি পুরোনো বাড়ির থেকে উদ্ধার করা হয়।
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের উপকূলীয় শহর কিয়ামার বাসিন্দা ৭৭ বছর বয়সী রস সিমন্স বইটি আনুষ্ঠানিকভাবে কিয়ামা লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেন।
লাইব্রেরি ম্যানেজার মিশেল হাডসন জানান, বইটির নাম অ্যান্টিকুইটিজ অব এথেন্স। ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত বইটি কিয়ামা লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার সময়কার সংগ্রহে থাকা ১ হাজার বইয়ের একটি ছিল। লাইব্রেরির নথি অনুযায়ী, সেটি ছিল সংগ্রহের ৫০৬ নম্বর বই। লাইব্রেরি চালু হওয়ার দুই থেকে তিন বছরের মধ্যেই বইটি হারিয়ে যায়।
কিয়ামার বাসিন্দা রস সিমন্স বলেন, সম্প্রতি নিজের পুরোনো পারিবারিক বাড়িতে সংস্কারকাজ চালানোর সময় বইটির সন্ধান পাই। বাড়ির একটি পুরোনো ফায়ারপ্লেস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং তার ভেতরে রাখা ছিল কাঠের একটি চায়ের বাক্স। সেই বাক্স খুলতেই বহু বছর ধরে যত্নে সংরক্ষিত অবস্থায় বইটি পাওয়া যায়।
সিমন্সের ধারণা, তার প্রপিতামহের বাবা জন সিমন্স ১৮৭০-এর দশকে বইটি কিয়ামা লাইব্রেরি থেকে ধার করেছিলেন। সে সময় তিনি ওই বাড়িতেই বসবাস করতেন। পরে তিনি স্থানীয় পৌরসভার কাউন্সিলর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ সময় ধরে আর্দ্রতা ও পানির সংস্পর্শে থাকায় বইটির কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এর বেশির ভাগ অংশ এখনো পড়ার উপযোগী রয়েছে।
বইটির ভেতরের মলাটে ১৮৭০ সালের কিয়ামা লাইব্রেরির নিয়মকানুনও ছাপা আছে। সেখানে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বই ফেরত না দিলে প্রতি সপ্তাহে তিন পেন্স করে জরিমানা দেওয়ার বিধান ছিলো। সেই পুরোনো নিয়ম বর্তমান সময়ের মূল্যমান ও দীর্ঘ সময়ের হিসাব অনুযায়ী ধরলে বইটির বিলম্ব জরিমানা প্রায় ২৮ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলারে দাঁড়ায়। যা প্রায় ১৯ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলারের সমান।
তবে এই বিশাল অঙ্কের জরিমানা আদায়ের কোনো পরিকল্পনা নেই লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষের। কারণ ১৮৭০-এর দশকে বই ধার নেওয়া ব্যক্তিদের রেজিস্টারটি এখন আর পাওয়া যায় নি। ফলে নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করার উপায় নেই যে বইটি শেষ পর্যন্ত কে ধার করেছিলেন।
উদ্ধার করা বইটির মলাটে সে সময়ের লাইব্রেরি ব্যবহারের বেশ কিছু ব্যতিক্রমী নিয়মও পাওয়া গেছে। একটি নিয়ম অনুযায়ী, কোনো পরিবারের অন্তত ছয়জন সদস্য যে পড়াশোনা করতে পারেন-এমন প্রমাণ দেখাতে পারলে সেই পরিবার একসঙ্গে সর্বোচ্চ তিনটি বই ধার নিতে পারতো।
কিয়ামা লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় দেড় শতাব্দী পর ফিরে আসা এই ঐতিহাসিক বইটি আর সাধারণ পাঠকের জন্য ধার দেওয়া হবে না। কিয়ামা লাইব্রেরি এটিকে স্থানীয় ইতিহাসবিষয়ক বিশেষ সংগ্রহের অংশ হিসেবে সংরক্ষণ করবে।

যে বাড়িতে রাত কাটালেই মিলবে ৬৬ হাজার টাকা







