আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে অর্ধেক, মধ্যরাতে বাড়ছে লোডশেডিং

আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে অর্ধেক, মধ্যরাতে বাড়ছে লোডশেডিং
নিজস্ব প্রতিবেদক

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় রাজধানীসহ সারা দেশে বেড়েছে লোডশেডিং। এরইমধ্যে ভারতের আদানি পাওয়ারের গড্ডা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। মধ্যরাতে বিদ্যুৎ ঘাটতি এখন ৩ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে প্রতিদিন বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৫ হাজার মেগাওয়াট। তবে গরমের কারণে রাতের দিকে চাহিদা আরও বেড়ে ১৭ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হচ্ছে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ সেপ্টেম্বর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এসময় দিনের বিভিন্ন সময়ে ঘাটতি ছিল প্রায় ১ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের বেশি। এ ঘাটতি লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে সমন্বয় করা হয়েছে।
এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাত থেকে আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। বুধবার রাত ১২টায় কেন্দ্রটি সর্বোচ্চ প্রায় ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছিল। এরপর উৎপাদন কমে প্রায় ৭৫০ মেগাওয়াটে নেমে আসে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কর্মকর্তারা জানান, ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় আদানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আগে থেকেই পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছিল না। এর মধ্যে বয়লারে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। ত্রুটি মেরামত করে ইউনিটটি পুনরায় চালু করতে ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় লাগতে পারে।
বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতির চিত্র সবচেয়ে স্পষ্ট হয়েছে মধ্যরাতে। বৃহস্পতিবার রাতের জন্য বিদ্যুতের চাহিদার প্রাক্কলন করা হয়েছিল ১৭ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট। রাত ১টায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল ১৬ হাজার ৪০৪ মেগাওয়াট। এ সময় লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ৯৮১ মেগাওয়াট। রাত ১টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে লোডশেডিং ছিল প্রায় ১ হাজার থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি পর্যন্ত।
সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিনের বেলায় বিদ্যুতের চাহিদা তুলনামূলক কম ছিল। দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চাহিদা ছিল প্রায় ১৩ হাজার ২০০ থেকে সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে। এ সময় লোডশেডিং করতে হয় ২০০ থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট পর্যন্ত।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে চলমান ঘাটতির মূল কারণ হিসেবে জ্বালানি সংকটকেই দেখছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে গ্যাসের পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় সাড়ে ১২ হাজার মেগাওয়াট। তবে বর্তমানে এ উৎস থেকে উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ৫ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের মতো।
বর্তমানে জ্বালানি তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে সর্বোচ্চ প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট, কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে প্রায় ৫ হাজার মেগাওয়াট এবং সৌর, জলবিদ্যুৎ ও বায়ুবিদ্যুৎ মিলিয়ে ১ হাজার মেগাওয়াটের কিছু বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। পাশাপাশি আমদানি করা বিদ্যুতের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট।
জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার বড় একটি অংশ অব্যবহৃত থাকছে। এতে চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান তৈরি হচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, গরমের তীব্রতা বাড়লে বিশেষ করে রাতের সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে এ ঘাটতি আরো বাড়তে পারে।

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় রাজধানীসহ সারা দেশে বেড়েছে লোডশেডিং। এরইমধ্যে ভারতের আদানি পাওয়ারের গড্ডা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। মধ্যরাতে বিদ্যুৎ ঘাটতি এখন ৩ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে প্রতিদিন বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৫ হাজার মেগাওয়াট। তবে গরমের কারণে রাতের দিকে চাহিদা আরও বেড়ে ১৭ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হচ্ছে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ সেপ্টেম্বর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এসময় দিনের বিভিন্ন সময়ে ঘাটতি ছিল প্রায় ১ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের বেশি। এ ঘাটতি লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে সমন্বয় করা হয়েছে।
এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাত থেকে আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। বুধবার রাত ১২টায় কেন্দ্রটি সর্বোচ্চ প্রায় ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছিল। এরপর উৎপাদন কমে প্রায় ৭৫০ মেগাওয়াটে নেমে আসে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কর্মকর্তারা জানান, ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় আদানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আগে থেকেই পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছিল না। এর মধ্যে বয়লারে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। ত্রুটি মেরামত করে ইউনিটটি পুনরায় চালু করতে ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় লাগতে পারে।
বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতির চিত্র সবচেয়ে স্পষ্ট হয়েছে মধ্যরাতে। বৃহস্পতিবার রাতের জন্য বিদ্যুতের চাহিদার প্রাক্কলন করা হয়েছিল ১৭ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট। রাত ১টায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল ১৬ হাজার ৪০৪ মেগাওয়াট। এ সময় লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ৯৮১ মেগাওয়াট। রাত ১টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে লোডশেডিং ছিল প্রায় ১ হাজার থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি পর্যন্ত।
সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিনের বেলায় বিদ্যুতের চাহিদা তুলনামূলক কম ছিল। দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চাহিদা ছিল প্রায় ১৩ হাজার ২০০ থেকে সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে। এ সময় লোডশেডিং করতে হয় ২০০ থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট পর্যন্ত।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে চলমান ঘাটতির মূল কারণ হিসেবে জ্বালানি সংকটকেই দেখছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে গ্যাসের পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় সাড়ে ১২ হাজার মেগাওয়াট। তবে বর্তমানে এ উৎস থেকে উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ৫ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের মতো।
বর্তমানে জ্বালানি তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে সর্বোচ্চ প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট, কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে প্রায় ৫ হাজার মেগাওয়াট এবং সৌর, জলবিদ্যুৎ ও বায়ুবিদ্যুৎ মিলিয়ে ১ হাজার মেগাওয়াটের কিছু বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। পাশাপাশি আমদানি করা বিদ্যুতের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট।
জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার বড় একটি অংশ অব্যবহৃত থাকছে। এতে চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান তৈরি হচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, গরমের তীব্রতা বাড়লে বিশেষ করে রাতের সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে এ ঘাটতি আরো বাড়তে পারে।

আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে অর্ধেক, মধ্যরাতে বাড়ছে লোডশেডিং
নিজস্ব প্রতিবেদক

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় রাজধানীসহ সারা দেশে বেড়েছে লোডশেডিং। এরইমধ্যে ভারতের আদানি পাওয়ারের গড্ডা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। মধ্যরাতে বিদ্যুৎ ঘাটতি এখন ৩ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে প্রতিদিন বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৫ হাজার মেগাওয়াট। তবে গরমের কারণে রাতের দিকে চাহিদা আরও বেড়ে ১৭ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হচ্ছে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ সেপ্টেম্বর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এসময় দিনের বিভিন্ন সময়ে ঘাটতি ছিল প্রায় ১ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের বেশি। এ ঘাটতি লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে সমন্বয় করা হয়েছে।
এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাত থেকে আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। বুধবার রাত ১২টায় কেন্দ্রটি সর্বোচ্চ প্রায় ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছিল। এরপর উৎপাদন কমে প্রায় ৭৫০ মেগাওয়াটে নেমে আসে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কর্মকর্তারা জানান, ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় আদানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আগে থেকেই পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছিল না। এর মধ্যে বয়লারে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। ত্রুটি মেরামত করে ইউনিটটি পুনরায় চালু করতে ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় লাগতে পারে।
বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতির চিত্র সবচেয়ে স্পষ্ট হয়েছে মধ্যরাতে। বৃহস্পতিবার রাতের জন্য বিদ্যুতের চাহিদার প্রাক্কলন করা হয়েছিল ১৭ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট। রাত ১টায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল ১৬ হাজার ৪০৪ মেগাওয়াট। এ সময় লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ৯৮১ মেগাওয়াট। রাত ১টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে লোডশেডিং ছিল প্রায় ১ হাজার থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি পর্যন্ত।
সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিনের বেলায় বিদ্যুতের চাহিদা তুলনামূলক কম ছিল। দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চাহিদা ছিল প্রায় ১৩ হাজার ২০০ থেকে সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে। এ সময় লোডশেডিং করতে হয় ২০০ থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট পর্যন্ত।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে চলমান ঘাটতির মূল কারণ হিসেবে জ্বালানি সংকটকেই দেখছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে গ্যাসের পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় সাড়ে ১২ হাজার মেগাওয়াট। তবে বর্তমানে এ উৎস থেকে উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ৫ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের মতো।
বর্তমানে জ্বালানি তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে সর্বোচ্চ প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট, কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে প্রায় ৫ হাজার মেগাওয়াট এবং সৌর, জলবিদ্যুৎ ও বায়ুবিদ্যুৎ মিলিয়ে ১ হাজার মেগাওয়াটের কিছু বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। পাশাপাশি আমদানি করা বিদ্যুতের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট।
জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার বড় একটি অংশ অব্যবহৃত থাকছে। এতে চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান তৈরি হচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, গরমের তীব্রতা বাড়লে বিশেষ করে রাতের সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে এ ঘাটতি আরো বাড়তে পারে।

চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎ দিচ্ছে না আদানি, কারণ কী







