‘পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে কারিগরি দল গঠন, শিগগিরই ভারতকে জানাবে বাংলাদেশ’

‘পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে কারিগরি দল গঠন, শিগগিরই ভারতকে জানাবে বাংলাদেশ’
রাজবাড়ী সংবাদদাতা

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, পানি বণ্টনসংক্রান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য ইতোমধ্যে একটি কারিগরি দল গঠন করেছে সরকার। দলটি শিগগিরই এ বিষয়ে ভারতকে অবহিত করবে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রাজবাড়ী জেলার কলিমহড় গ্রামে নিজের বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি।
রাশেদ আল মাহমুদ বলেন, নদীতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি থাকলে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন সঠিকভাবে বজায় রাখা সম্ভব। এ কারণে বর্তমান সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে দেশের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের অঙ্গীকার করেছে। এরই অংশ হিসেবে একনেকে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পদ্মা ব্যারেজের মাধ্যমে শুধু পানির আধার তৈরি করা হবে না, সেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থাও রাখা হবে। উজানের পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ৫৪টি নদীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পানি প্রবাহের সম্পর্ক রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের প্রধান ভিত্তি হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। ন্যায়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের স্বীকৃতির ভিত্তিতে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতিমালা অনুসরণ করে ভাটি অঞ্চলে পানির প্রবাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে গ্রাহকদের শুধু ভোক্তা হিসেবে না দেখে উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব হতো। সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে গ্রাহক নিজেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারতেন।
রাশেদ আল মাহমুদ বলেন, অতীত সরকারের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কারণে বর্তমান জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এ সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। সরকার ইতোমধ্যে অতিরিক্ত দামে গ্যাস কিনে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে।
তিনি বলেন, গ্যাসের মাধ্যমে তুলনামূলক সহজে ও কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এ কারণে নতুন গ্যাসকূপ খননের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, পানি বণ্টনসংক্রান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য ইতোমধ্যে একটি কারিগরি দল গঠন করেছে সরকার। দলটি শিগগিরই এ বিষয়ে ভারতকে অবহিত করবে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রাজবাড়ী জেলার কলিমহড় গ্রামে নিজের বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি।
রাশেদ আল মাহমুদ বলেন, নদীতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি থাকলে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন সঠিকভাবে বজায় রাখা সম্ভব। এ কারণে বর্তমান সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে দেশের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের অঙ্গীকার করেছে। এরই অংশ হিসেবে একনেকে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পদ্মা ব্যারেজের মাধ্যমে শুধু পানির আধার তৈরি করা হবে না, সেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থাও রাখা হবে। উজানের পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ৫৪টি নদীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পানি প্রবাহের সম্পর্ক রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের প্রধান ভিত্তি হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। ন্যায়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের স্বীকৃতির ভিত্তিতে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতিমালা অনুসরণ করে ভাটি অঞ্চলে পানির প্রবাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে গ্রাহকদের শুধু ভোক্তা হিসেবে না দেখে উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব হতো। সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে গ্রাহক নিজেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারতেন।
রাশেদ আল মাহমুদ বলেন, অতীত সরকারের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কারণে বর্তমান জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এ সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। সরকার ইতোমধ্যে অতিরিক্ত দামে গ্যাস কিনে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে।
তিনি বলেন, গ্যাসের মাধ্যমে তুলনামূলক সহজে ও কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এ কারণে নতুন গ্যাসকূপ খননের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

‘পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে কারিগরি দল গঠন, শিগগিরই ভারতকে জানাবে বাংলাদেশ’
রাজবাড়ী সংবাদদাতা

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, পানি বণ্টনসংক্রান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য ইতোমধ্যে একটি কারিগরি দল গঠন করেছে সরকার। দলটি শিগগিরই এ বিষয়ে ভারতকে অবহিত করবে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রাজবাড়ী জেলার কলিমহড় গ্রামে নিজের বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি।
রাশেদ আল মাহমুদ বলেন, নদীতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি থাকলে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন সঠিকভাবে বজায় রাখা সম্ভব। এ কারণে বর্তমান সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে দেশের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের অঙ্গীকার করেছে। এরই অংশ হিসেবে একনেকে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পদ্মা ব্যারেজের মাধ্যমে শুধু পানির আধার তৈরি করা হবে না, সেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থাও রাখা হবে। উজানের পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ৫৪টি নদীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পানি প্রবাহের সম্পর্ক রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের প্রধান ভিত্তি হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। ন্যায়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের স্বীকৃতির ভিত্তিতে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতিমালা অনুসরণ করে ভাটি অঞ্চলে পানির প্রবাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে গ্রাহকদের শুধু ভোক্তা হিসেবে না দেখে উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব হতো। সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে গ্রাহক নিজেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারতেন।
রাশেদ আল মাহমুদ বলেন, অতীত সরকারের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কারণে বর্তমান জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এ সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। সরকার ইতোমধ্যে অতিরিক্ত দামে গ্যাস কিনে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে।
তিনি বলেন, গ্যাসের মাধ্যমে তুলনামূলক সহজে ও কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এ কারণে নতুন গ্যাসকূপ খননের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শনিবার থেকে দেশজুড়ে তিন মাসের অভিযান







