মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ কারও মঙ্গল বয়ে আনবে না, বন্ধের আহ্বান শি জিনপিংয়ের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ কারও মঙ্গল বয়ে আনবে না, বন্ধের আহ্বান শি জিনপিংয়ের
সিজেডএন ডেস্ক

ব্রিকস সম্মেলনে বিশ্ব রাজনীতির নানা গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণ ও সংকট নিয়ে জোরালো বক্তব্য দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ভারতের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ আসরে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংঘাতের তীব্র সমালোচনা করার পাশাপাশি বৈশ্বিক বাণিজ্য ও প্রযুক্তিতে যৌথ সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে শি জিনপিং জানান, ‘মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত কোনোভাবেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামগ্রিক স্বার্থ রক্ষা করে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ব্রিকসের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত বেইজিং।’
চীনা প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, ‘এই যুদ্ধ পুরো অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জন্য ভয়াবহ ক্ষতি ডেকে এনেছে, যা কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়।’ একই সঙ্গে যেকোনো দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের কঠোর বিরোধিতা করতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বাণিজ্য ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শাস্তিমূলক শুল্কের প্রতি ইঙ্গিত করে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) অধীনে বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থা জোরদার করার ওপর জোর দেন শি। সব ধরনের সুরক্ষাবাদ এবং খামখেয়ালি শুল্কনীতির বিরুদ্ধে ব্রিকস দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাগিদ দিয়ে মুক্ত বাণিজ্যের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন। পাশাপাশি, বর্তমান যুগের প্রযুক্তিগত বিপ্লবকে কাজে লাগিয়ে শিল্পায়নকে আরও ত্বরান্বিত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বহুগুণে বাড়িয়ে তোলার প্রস্তাব দেন তিনি।

ব্রিকস সম্মেলনে বিশ্ব রাজনীতির নানা গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণ ও সংকট নিয়ে জোরালো বক্তব্য দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ভারতের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ আসরে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংঘাতের তীব্র সমালোচনা করার পাশাপাশি বৈশ্বিক বাণিজ্য ও প্রযুক্তিতে যৌথ সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে শি জিনপিং জানান, ‘মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত কোনোভাবেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামগ্রিক স্বার্থ রক্ষা করে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ব্রিকসের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত বেইজিং।’
চীনা প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, ‘এই যুদ্ধ পুরো অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জন্য ভয়াবহ ক্ষতি ডেকে এনেছে, যা কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়।’ একই সঙ্গে যেকোনো দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের কঠোর বিরোধিতা করতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বাণিজ্য ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শাস্তিমূলক শুল্কের প্রতি ইঙ্গিত করে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) অধীনে বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থা জোরদার করার ওপর জোর দেন শি। সব ধরনের সুরক্ষাবাদ এবং খামখেয়ালি শুল্কনীতির বিরুদ্ধে ব্রিকস দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাগিদ দিয়ে মুক্ত বাণিজ্যের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন। পাশাপাশি, বর্তমান যুগের প্রযুক্তিগত বিপ্লবকে কাজে লাগিয়ে শিল্পায়নকে আরও ত্বরান্বিত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বহুগুণে বাড়িয়ে তোলার প্রস্তাব দেন তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ কারও মঙ্গল বয়ে আনবে না, বন্ধের আহ্বান শি জিনপিংয়ের
সিজেডএন ডেস্ক

ব্রিকস সম্মেলনে বিশ্ব রাজনীতির নানা গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণ ও সংকট নিয়ে জোরালো বক্তব্য দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ভারতের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ আসরে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংঘাতের তীব্র সমালোচনা করার পাশাপাশি বৈশ্বিক বাণিজ্য ও প্রযুক্তিতে যৌথ সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে শি জিনপিং জানান, ‘মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত কোনোভাবেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামগ্রিক স্বার্থ রক্ষা করে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ব্রিকসের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত বেইজিং।’
চীনা প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, ‘এই যুদ্ধ পুরো অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জন্য ভয়াবহ ক্ষতি ডেকে এনেছে, যা কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়।’ একই সঙ্গে যেকোনো দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের কঠোর বিরোধিতা করতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বাণিজ্য ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শাস্তিমূলক শুল্কের প্রতি ইঙ্গিত করে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) অধীনে বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থা জোরদার করার ওপর জোর দেন শি। সব ধরনের সুরক্ষাবাদ এবং খামখেয়ালি শুল্কনীতির বিরুদ্ধে ব্রিকস দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাগিদ দিয়ে মুক্ত বাণিজ্যের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন। পাশাপাশি, বর্তমান যুগের প্রযুক্তিগত বিপ্লবকে কাজে লাগিয়ে শিল্পায়নকে আরও ত্বরান্বিত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বহুগুণে বাড়িয়ে তোলার প্রস্তাব দেন তিনি।

ইরানকে হরমুজ প্রণালি চালু রাখার আহ্বান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর







