নাম বিভ্রাট: ঢাকার বাসিন্দা মো. সাহাবুদ্দিনের সম্পদ জব্দের নির্দেশ

নাম বিভ্রাট: ঢাকার বাসিন্দা মো. সাহাবুদ্দিনের সম্পদ জব্দের নির্দেশ
আদালত সংবাদদাতা

জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ঢাকার বাসিন্দা মো. সাহাবুদ্দিনের সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ ও মহানগর দায়রা জজ আদালত এ আদেশ দেন।
তবে নামের মিল থাকায় এ খবরকে অনেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলছেন। আদালতের আদেশ ও মামলার বিবরণ অনুযায়ী, এই মো. সাহাবুদ্দিন সাবেক রাষ্ট্রপতি নন।
মামলার বিবরণে যায়, মো. সাহাবুদ্দিন নামের ওই ব্যক্তি ঢাকার সিদ্দিক বাজারের বাসিন্দা। তার বাবার নাম আব্দুর রব। নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার মাতারবাড়ি গ্রামে তাদের বাড়ি।
এর আগে এই মামলায় মো. সাহাবুদ্দিনের সম্পদ জব্দের আবেদন করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদক জানায়, তার বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৪৭ হাজার ৩০৭ টাকা সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে অর্জন ও দখলে রাখার তথ্য পাওয়া যায়। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
তিনি এই সম্পদ ভোগ-দখলে রেখেছেন উল্লেখ করে বলা হয়, আসামি অবৈধভাবে অর্জিত স্থাবর সম্পদসমূহ বিনষ্ট/হস্তান্তর করার অপচেষ্টা চালাতে পারে, যা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও মামলা প্রমাণের ক্ষেত্রে সম্পত্তিসমূহ ক্রোক করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
বিষয়টি মামলার স্বার্থে স্থাবর সম্পদ ও অস্থাবর সম্পদসমূহ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর ১৮ বিধি এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারার বিধান মোতাবেক আদালতের মাধ্যমে স্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা একান্ত আবশ্যক।
বিষয়টি মামলার স্বার্থে স্থাবর সম্পদ ও অস্থাবর সম্পদসমূহ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর ১৮ বিধি এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারার বিধান মোতাবেক আদালতের মাধ্যমে স্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা একান্ত আবশ্যক।

জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ঢাকার বাসিন্দা মো. সাহাবুদ্দিনের সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ ও মহানগর দায়রা জজ আদালত এ আদেশ দেন।
তবে নামের মিল থাকায় এ খবরকে অনেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলছেন। আদালতের আদেশ ও মামলার বিবরণ অনুযায়ী, এই মো. সাহাবুদ্দিন সাবেক রাষ্ট্রপতি নন।
মামলার বিবরণে যায়, মো. সাহাবুদ্দিন নামের ওই ব্যক্তি ঢাকার সিদ্দিক বাজারের বাসিন্দা। তার বাবার নাম আব্দুর রব। নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার মাতারবাড়ি গ্রামে তাদের বাড়ি।
এর আগে এই মামলায় মো. সাহাবুদ্দিনের সম্পদ জব্দের আবেদন করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদক জানায়, তার বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৪৭ হাজার ৩০৭ টাকা সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে অর্জন ও দখলে রাখার তথ্য পাওয়া যায়। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
তিনি এই সম্পদ ভোগ-দখলে রেখেছেন উল্লেখ করে বলা হয়, আসামি অবৈধভাবে অর্জিত স্থাবর সম্পদসমূহ বিনষ্ট/হস্তান্তর করার অপচেষ্টা চালাতে পারে, যা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও মামলা প্রমাণের ক্ষেত্রে সম্পত্তিসমূহ ক্রোক করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
বিষয়টি মামলার স্বার্থে স্থাবর সম্পদ ও অস্থাবর সম্পদসমূহ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর ১৮ বিধি এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারার বিধান মোতাবেক আদালতের মাধ্যমে স্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা একান্ত আবশ্যক।
বিষয়টি মামলার স্বার্থে স্থাবর সম্পদ ও অস্থাবর সম্পদসমূহ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর ১৮ বিধি এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারার বিধান মোতাবেক আদালতের মাধ্যমে স্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা একান্ত আবশ্যক।

নাম বিভ্রাট: ঢাকার বাসিন্দা মো. সাহাবুদ্দিনের সম্পদ জব্দের নির্দেশ
আদালত সংবাদদাতা

জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ঢাকার বাসিন্দা মো. সাহাবুদ্দিনের সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ ও মহানগর দায়রা জজ আদালত এ আদেশ দেন।
তবে নামের মিল থাকায় এ খবরকে অনেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলছেন। আদালতের আদেশ ও মামলার বিবরণ অনুযায়ী, এই মো. সাহাবুদ্দিন সাবেক রাষ্ট্রপতি নন।
মামলার বিবরণে যায়, মো. সাহাবুদ্দিন নামের ওই ব্যক্তি ঢাকার সিদ্দিক বাজারের বাসিন্দা। তার বাবার নাম আব্দুর রব। নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার মাতারবাড়ি গ্রামে তাদের বাড়ি।
এর আগে এই মামলায় মো. সাহাবুদ্দিনের সম্পদ জব্দের আবেদন করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদক জানায়, তার বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৪৭ হাজার ৩০৭ টাকা সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে অর্জন ও দখলে রাখার তথ্য পাওয়া যায়। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
তিনি এই সম্পদ ভোগ-দখলে রেখেছেন উল্লেখ করে বলা হয়, আসামি অবৈধভাবে অর্জিত স্থাবর সম্পদসমূহ বিনষ্ট/হস্তান্তর করার অপচেষ্টা চালাতে পারে, যা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও মামলা প্রমাণের ক্ষেত্রে সম্পত্তিসমূহ ক্রোক করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
বিষয়টি মামলার স্বার্থে স্থাবর সম্পদ ও অস্থাবর সম্পদসমূহ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর ১৮ বিধি এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারার বিধান মোতাবেক আদালতের মাধ্যমে স্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা একান্ত আবশ্যক।
বিষয়টি মামলার স্বার্থে স্থাবর সম্পদ ও অস্থাবর সম্পদসমূহ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর ১৮ বিধি এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারার বিধান মোতাবেক আদালতের মাধ্যমে স্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা একান্ত আবশ্যক।

সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দায়ের







