ঢাকা আসছেন মার্কিন নৌবহরের কমান্ডার কোহলার

ঢাকা আসছেন মার্কিন নৌবহরের কমান্ডার কোহলার
নিজস্ব প্রতিবেদক

তিন দিনের সরকারি সফরে বাংলাদেশে আসছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিট বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌ বহরের কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিফেন কোহলার। আগামী মঙ্গলবার (৪ জুলাই) তার ঢাকায় পৌঁছার কথা রয়েছে।
ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতার ধারাবাহিকতায় আয়োজিত এই সফরে ২২ সদস্যের একটি নৌ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন কোহলার।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তিন দিনের সফরে প্রথমবারের মতো ঢাকায় আসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্ব এবং ওয়াশিংটন ও ঢাকার মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সামরিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার লক্ষ্যকেই তুলে ধরছে।
সূত্র জানিয়েছে, অ্যাডমিরাল কোহলারের নেতৃত্বে আসা প্রতিনিধি দলটি সফরকালে বাংলাদেশের সামরিক ও প্রশাসনিক নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে সিরিজ বৈঠকে অংশ নেবে। এসব আলোচনায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা, নৌ-সীমার সুরক্ষায় পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে।
নৌবাহিনীতে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে স্টিফেন কোহলার ইউএসএস কার্ল ভিনসনের এক্সিকিউটিভ অফিসার এবং ফাইটার স্কোয়াড্রন ১৪৩, ইউএসএস বাতান ও বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ারের কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কর্মজীবনে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম, সাউদার্ন ওয়াচ, ইরাকি ফ্রিডম ও ইনহেরেন্ট রিজলভ-সহ একাধিক ঐতিহাসিক সামরিক অভিযানে অংশ নেন। এ ছাড়া বসনিয়া-হার্জেগোভিনা ও লিবিয়া সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক যৌথ অভিযানেও তার ভূমিকা ছিল।
হাইতিতে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ‘অপারেশন ইউনিফাইড রেসপন্স’-এর অধীনে জরুরি দুর্যোগ ত্রাণ তৎপরতায় নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি পূর্ব ও দক্ষিণ চীন সাগরে আন্তর্জাতিক গুরুত্বসম্পন্ন নৌ অপারেশনেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
ফ্ল্যাগ অফিসার বা শীর্ষ অধিনায়ক হিসেবে তিনি ইউএস ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের অপারেশন ডিরেক্টর, ইউএস থার্ড ফ্লিটের কমান্ডার এবং জয়েন্ট স্টাফের স্ট্র্যাটেজি, প্ল্যানস অ্যান্ড পলিসি বিষয়ক পরিচালক হিসেবে সেবা দিয়েছেন।
২০২৪ সালের ৪ এপ্রিল তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন প্যাসিফিক ফ্লিটের কমান্ডারের দায়িত্ব নেন।

তিন দিনের সরকারি সফরে বাংলাদেশে আসছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিট বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌ বহরের কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিফেন কোহলার। আগামী মঙ্গলবার (৪ জুলাই) তার ঢাকায় পৌঁছার কথা রয়েছে।
ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতার ধারাবাহিকতায় আয়োজিত এই সফরে ২২ সদস্যের একটি নৌ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন কোহলার।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তিন দিনের সফরে প্রথমবারের মতো ঢাকায় আসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্ব এবং ওয়াশিংটন ও ঢাকার মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সামরিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার লক্ষ্যকেই তুলে ধরছে।
সূত্র জানিয়েছে, অ্যাডমিরাল কোহলারের নেতৃত্বে আসা প্রতিনিধি দলটি সফরকালে বাংলাদেশের সামরিক ও প্রশাসনিক নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে সিরিজ বৈঠকে অংশ নেবে। এসব আলোচনায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা, নৌ-সীমার সুরক্ষায় পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে।
নৌবাহিনীতে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে স্টিফেন কোহলার ইউএসএস কার্ল ভিনসনের এক্সিকিউটিভ অফিসার এবং ফাইটার স্কোয়াড্রন ১৪৩, ইউএসএস বাতান ও বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ারের কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কর্মজীবনে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম, সাউদার্ন ওয়াচ, ইরাকি ফ্রিডম ও ইনহেরেন্ট রিজলভ-সহ একাধিক ঐতিহাসিক সামরিক অভিযানে অংশ নেন। এ ছাড়া বসনিয়া-হার্জেগোভিনা ও লিবিয়া সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক যৌথ অভিযানেও তার ভূমিকা ছিল।
হাইতিতে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ‘অপারেশন ইউনিফাইড রেসপন্স’-এর অধীনে জরুরি দুর্যোগ ত্রাণ তৎপরতায় নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি পূর্ব ও দক্ষিণ চীন সাগরে আন্তর্জাতিক গুরুত্বসম্পন্ন নৌ অপারেশনেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
ফ্ল্যাগ অফিসার বা শীর্ষ অধিনায়ক হিসেবে তিনি ইউএস ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের অপারেশন ডিরেক্টর, ইউএস থার্ড ফ্লিটের কমান্ডার এবং জয়েন্ট স্টাফের স্ট্র্যাটেজি, প্ল্যানস অ্যান্ড পলিসি বিষয়ক পরিচালক হিসেবে সেবা দিয়েছেন।
২০২৪ সালের ৪ এপ্রিল তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন প্যাসিফিক ফ্লিটের কমান্ডারের দায়িত্ব নেন।

ঢাকা আসছেন মার্কিন নৌবহরের কমান্ডার কোহলার
নিজস্ব প্রতিবেদক

তিন দিনের সরকারি সফরে বাংলাদেশে আসছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিট বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌ বহরের কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিফেন কোহলার। আগামী মঙ্গলবার (৪ জুলাই) তার ঢাকায় পৌঁছার কথা রয়েছে।
ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতার ধারাবাহিকতায় আয়োজিত এই সফরে ২২ সদস্যের একটি নৌ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন কোহলার।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তিন দিনের সফরে প্রথমবারের মতো ঢাকায় আসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্ব এবং ওয়াশিংটন ও ঢাকার মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সামরিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার লক্ষ্যকেই তুলে ধরছে।
সূত্র জানিয়েছে, অ্যাডমিরাল কোহলারের নেতৃত্বে আসা প্রতিনিধি দলটি সফরকালে বাংলাদেশের সামরিক ও প্রশাসনিক নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে সিরিজ বৈঠকে অংশ নেবে। এসব আলোচনায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা, নৌ-সীমার সুরক্ষায় পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে।
নৌবাহিনীতে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে স্টিফেন কোহলার ইউএসএস কার্ল ভিনসনের এক্সিকিউটিভ অফিসার এবং ফাইটার স্কোয়াড্রন ১৪৩, ইউএসএস বাতান ও বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ারের কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কর্মজীবনে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম, সাউদার্ন ওয়াচ, ইরাকি ফ্রিডম ও ইনহেরেন্ট রিজলভ-সহ একাধিক ঐতিহাসিক সামরিক অভিযানে অংশ নেন। এ ছাড়া বসনিয়া-হার্জেগোভিনা ও লিবিয়া সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক যৌথ অভিযানেও তার ভূমিকা ছিল।
হাইতিতে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ‘অপারেশন ইউনিফাইড রেসপন্স’-এর অধীনে জরুরি দুর্যোগ ত্রাণ তৎপরতায় নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি পূর্ব ও দক্ষিণ চীন সাগরে আন্তর্জাতিক গুরুত্বসম্পন্ন নৌ অপারেশনেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
ফ্ল্যাগ অফিসার বা শীর্ষ অধিনায়ক হিসেবে তিনি ইউএস ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের অপারেশন ডিরেক্টর, ইউএস থার্ড ফ্লিটের কমান্ডার এবং জয়েন্ট স্টাফের স্ট্র্যাটেজি, প্ল্যানস অ্যান্ড পলিসি বিষয়ক পরিচালক হিসেবে সেবা দিয়েছেন।
২০২৪ সালের ৪ এপ্রিল তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন প্যাসিফিক ফ্লিটের কমান্ডারের দায়িত্ব নেন।

বাংলাদেশ এখন মার্কিন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত: সার্জিও গর







