
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক


মায়ামিতে নির্ধারিত সময়ে ইংংল্যান্ড ও নরওয়ের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ ১-১ সমতায় শেষ হয়। ফলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়েরর তৃতীয় মিনিটে দ্বিতীয়বারের মতো বল জালে পাঠান জুড বেলিংহাম। শেষ পর্যন্ত ওই গোলেই ব্যবধান ধরে রেখে নরওয়েকে বিদায় করে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। ইংলিশদের দুটি গোলই করেন মিডফিল্ডার বেলিংহাম। চলতি বিশ্বকাপে বেলিংহামের গোল হলো ৬টি।
৯৩ মিনিটে মরগান রজার্সের শট নরওয়ের গোলরক্ষক অরইয়ান নিলান্ড সহজেই ধরে ফেলবেন বলেই মনে হচ্ছিল । কিন্তু বলটি তাঁর হাত ফসকে বেরিয়ে যায়। আর ঠিক সেই জায়গাতেই ছিলেন জুড বেলিংহাম। সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় থাকার দক্ষতা আবারও দেখালেন ইংল্যান্ডের এই মিডফিল্ডার। ফিরতি বলে পা ছুঁইয়ে জালে পাঠিয়ে দেন তিনি। এই গোলে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।
এর আগে ৫৫ মিনিটে কর্নারে জটলা থেকে বল জালে পাঠান নরওয়ের হেগেম। তবে গোলটি ভিএআরে বাতিল হয়ে যায়, কর্নার কিকের আগে আর্লিং হলান্ডের ফাউলের কারণে। তিনি ফেলে দিয়েছিলেন অ্যান্ডারসনকে।
ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে আগে গোল করে নরওয়ে। আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে গেলো নরওয়ে। মাঠের বাঁ-প্রান্ত শেলদেরুপের শটে দূরের পোস্ট ঘেঁসে বল জালে জড়ায়। প্রথমার্ধের যোগকরা সময়ে গোল শোধ দেন জুড বেলিংহাম।
ম্যাচে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি আর্লিং হলান্ড।
ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোলের জন্য নরওয়ে বেশি শট নেয়। তবে ১২০ মিনিট পর বদলে যায় সেই হিসাবও। নরওয়ের ১৩ শটের ৪টি ছিল লক্ষ্যে। ইংল্যান্ডের ১৪ শটের ৮টি ছিল লক্ষ্যে।

অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই গোল করলেন জুড বেলিংহাম। ইংল্যান্ড এগিয়ে গেল ২-১ গোলে।
৯৩ মিনিটে মরগান রজার্সের শট নরওয়ের গোলকিপার নিলান্ড সহজেই ধরে ফেলবেন বলেই মনে হচ্ছিলো। কিন্তু বলটি তার হাত ফসকে বেরিয়ে যায়। ঠিক সামনেই ছিলেন বেলিংহাম। সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় থাকার দক্ষতা আবারও দেখালেন ইংল্যান্ডের এই মিডফিল্ডার। ফিরতি বলে পা ছুঁইয়ে জালে পাঠান তিনি। এই গোলে প্রথমবারের মতো ম্যাচে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।

মায়ামিতে দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ডের চেয়ে ভালো খেলেছে নরওয়ে। একের পর এক আক্রমণ করে গেছে তারা। ইংল্যান্ডও ছেড়ে কথা বলেনি। শেষ দিকে তারাও ভীতি ছড়ায় নরওয়ের বক্সে। তবে যোগ করা সময় শেষেও ফলাফল বদলায়নি। ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে নির্ধারিত সময়। ফলে খেলা গড়ালো অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। সেখানেও ফল না এলে হবে টাইব্রেকার।
৭৫ মিনিটে কর্নার থেকে বল ক্লিয়ার করতে এগিয়ে এসেছিলেন জর্ডান পিকফোর্ড। কিন্তু তার ক্লিয়ার করা বল আবারও নরওয়ের খেলোয়াড়দের কাছেই ফিরে যায়। সেখান থেকে নেওয়া হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ফিরে আসা বল থেকে গোলের চেষ্টা করেছিলেন বার্গে। তবে শেষ মুহূর্তে বল ক্লিয়ার করে বড় বিপদ এড়িয়ে যায় ইংল্যান্ড।
তার আগে ৫৫ মিনিটে কর্নারে জটলা থেকে বল জালে পাঠান নরওয়ের হেগেম। তবে গোলটি ভিএআরে বাতিল হয়ে যায়, কর্নার কিকের আগে আর্লিং হলান্ডের ফাউলের কারণে। তিনি ফেলে দিয়েছিলেন অ্যান্ডারসনকে।
ম্যাচে আগে গোল করে নরওয়ে। আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে গেলো নরওয়ে। মাঠের বাঁ-প্রান্ত শেলদেরুপের শটে দূরের পোস্ট ঘেঁসে বল জালে জড়ায়। প্রথমার্ধের যোগকরা সময়ে গোল শোধ দেন জুড বেলিংহাম।
৯০ মিনিটে নরওয়ে গোলের জন্য ৯ শটের ৪টি লক্ষ্যে রাখে। ইংল্যান্ডের ৭ শটের ২টি ছিল লক্ষ্যে। বল দখলে এগিয়ে ছিল ইংলিশরা।
ম্যাচের ৭৫ মিনিট শেষ, ১-১ সমতা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে আক্রমণের চেয়ে ডিফেন্সেই বেশি ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের। বেশ কয়েকটি কর্নার পেয়েছে নরওয়ে। হলান্ডের ফাউলের করণে হেগেমের গোলটি বাতিল না হলে এগিয়ে থাকতো নওরোজিয়ানরা। ইংল্যান্ডের গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ড বেশ কিছু ভালো সেভ দেন। এছাড়া নরওয়ের এক আক্রমণে বল বারে লাগে।

ম্যাচের ৫৪ মিনিটে কর্নার থেকে নরওয়ে গোল না পেলেও আবার কর্নার পায় তারা। এবার মাঠের ডানদিকে ছিল কর্নার। ৫৫ মিনিটে কর্নারে জটলা থেকে বল জালে পাঠান নরওয়ের হেগেম। তবে গোলটি ভিএআরে বাতিল হয়ে যায়, কর্নার কিকের আগে আর্লিং হলান্ডের ফাউলের কারণে। তিনি ফেলে দিয়েছিলেন অ্যান্ডারসনকে। রেফারি আবার কর্নার নেওয়ার নির্দেশ দেন। তবে এবার আর কোনো বিপদ ঘটেনি ইংল্যান্ডের।
ম্যাচের ৫৩ মিনিটে গোলের জন্য হেড করেন আর্লিং হলান্ড। তবে সেটি নিজের ডানদিকে ঝাপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন ইংলিশ গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ড।

মায়ামিতে ম্যাচের প্রথম ৩৪ মিনিটে বলতে গেলে ইংল্যান্ডই খেলেছে। তবে ৩৫ মিনিটে প্রথম ভালো আক্রমণ করা নরওয়ে গোল পেলো পরের মিনিটেই। আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে গেলো নরওয়ে। মাঠের বাঁ-প্রান্ত শেলদেরুপের শটে দূরের পোস্ট ঘেঁসে বল জালে জড়ায়। তবে গোল হজম করে যেনো আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ইংলিশরা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে গোল শোধ দেন জুড বেলিংহাম। অ্যাসিস্ট করেন অ্যান্থনি গর্ডন।
তবে প্রথমার্ধে ম্যাচের অবস্থা আরও ভিন্ন হতে পারতো। হ্যারি কেইন যোগ করা সময়ে বল জালে পাঠালেও তা অফসাইডের কারণে গোল মেলেনি। আর বেলিংহাম গোল করার এক মিনিট আগে দারুণ আক্রমণ করে নরওয়ে। বক্সে সরলথ হলান্ডকে পাস দিলে হয়তো গোল হতো। তবে তিনি নিজে শট নিলে সেটি ব্লক করেন ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার।
প্রথমার্ধে বল দখলে এগিয়ে আছে ইংল্যান্ড। ৬৮ শতাংশ সময় বল দখলে রেখেছে ইংলিশ খেলোয়াড়রা। তাদের ৪ শটের ২টি ছিল লক্ষ্যে। নরওয়ের ৫ শটের ৩টি লক্ষ্যে।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে গোল শোধ করেন জুড বেলিংহাম। মাঠের বাঁ-প্রান্ত দিয়ে অ্যান্থনি গর্ডন বল নিয়ে যান নরওয়ের পোস্টের দিকে। নিচু করে বল বাড়ান বক্সে। বেলিংহাম ধরে নরওয়ের দুই ডিফেন্ডারকে ফাকি দিয়ে বল জালে পাঠান। চলতি বিশ্বকাপে এটি বেলিংহামের পঞ্চম গোল।

ম্যাচের ৩৫ মিনিটে প্রথম ভালো আক্রমণ করে নরওয়ে। হলান্ডের হেড অবশ্য তালুবন্দি করেন ইংলিশ গোলকিপার পিকফোর্ড। তবে এক মিনিট পরই আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে গেলো নরওয়ে। মাঠের বাঁ-প্রান্ত শেলদেরুপের শটে দূরের পোস্ট ঘেঁসে বল জালে জড়ায়।
২৩ মিনিটের মাথায় প্রথম হাইড্রেশন বিরতির সংকেত দেন রেফারি। এরপর খেলা শুরু হলে ২৭ মিনিটে নরওয়ের বক্সের কাছ থেকে ফ্রি-কিক পেয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে হ্যারি কেইনের শট চলে যায় বারের উপর দিয়ে। ম্যাচ দেখতে গ্যালারিতে উপস্থিত আছেন ইংল্যান্ডে সাবেক অধিনায়ক ডেভিড বেকহাম। তিনি হয়তো কেইনের এমন ফ্রি-কিক দেখে মাথায় হাত দিয়েছেন! ৩০ মিনিট পেরোলেও এখনও গোলশূন্য।

মায়ামিতে ইংল্যান্ড-নরওয়ে ম্যাচে ১৫ মিনিট শেষ। কোনো দলই এখন পর্যন্ত গোলের জন্য শট নিতে পারেনি। খেলায় আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ থাকলেও গোলের জন্য শট নেওয়ার আগেই তা ব্লক হচ্ছে বা প্রতিপক্ষ বল উইন করছে। বল দখলে বেশি রেখেছে ইংল্যান্ড। ইংলিশরা ৪-২-৩-১ আর নরওয়ে ৪-৩-৩ ফরমেশনে খেলতে নেমেছে।
ইংল্যান্ড-নরওয়ের ম্যাচ শুরুর আগে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার জেইডেন অ্যাডামসের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। মাত্র ২৫ বছর বয়সে মারা গেছেন এই ফুটবলার। কয়েক সপ্তাহ আগেই বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে খেলেছিলেন অ্যাডামস।

ইংল্যান্ড একাদশ: জর্ডান পিকফোর্ড (গোলকিপার), এজরি কনসা, মার্ক গেহি, জন স্টোনস, নিকো ও'রাইলি, এলিয়ট অ্যান্ডারসন, ডেক্লান রাইস, ননি মাদুয়েকে, অ্যান্থনি গর্ডন, জুড বেলিংহাম, হ্যারি কেইন।
নরওয়ে একাদশ: ওরইয়ান নিলান্ড (গোলকিপার), ক্রিস্টোফার আয়ের, ডেভিড মোলার উলফ, টোরবিয়র্ন হেগেম, প্যাট্রিক বার্গ, সান্ডার বার্গ, মার্টিন ওডেগার্ড, আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ, আলেক্সান্দার সরলথ, জুলিয়ান রিয়ারসন, আর্লিং হলান্ড।