আবারও বৈঠকে বসতে সম্মত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

আবারও বৈঠকে বসতে সম্মত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সাম্প্রতিক বৈঠকটি নিষ্ফল হয়নি, বরং দুই দেশ আবারও আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে। প্রবীণ পাকিস্তানি সাংবাদিক ও বিশ্লেষক হামিদ মীর জিও নিউজের নয়া পাকিস্তান অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেছেন এবং বেশ কিছু বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য তাদের নিজ নিজ দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন থাকায় পরবর্তী বৈঠকের সময় ও স্থান পরে নির্ধারণ করা হবে।
এ আলোচনার বিস্তারিত এখনই জনসমক্ষে আনতে নারাজ উভয় পক্ষ। ইরানি স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের সঙ্গে আলোচনার পর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। কোনো ধরনের 'মিডিয়া সার্কাস' বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই তারা পরবর্তী আলোচনার বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন। বৈঠক শেষে মার্কিন প্রতিনিধি দল ভোরেই বিদায় নিলেও ইরানিরা কিছুক্ষণ অবস্থান করে আয়োজক পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। হামিদ মীর জানান, বর্তমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে পাকিস্তান, তুরস্ক ও চীনের মাধ্যমে পরোক্ষ যোগাযোগ অব্যাহত রাখার চেষ্টা চলছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ইউরেনিয়াম ও হরমুজ প্রণালি বিষয়ক মন্তব্যকে হামিদ মীর কেবল যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কৌশল হিসেবে দেখছেন। তার মতে, আলোচনার টেবিলে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বিষয়গুলোতে ইতোমধ্যেই গভীর আলোচনা হয়েছে এবং একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। জেডি ভ্যান্সও এসব বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। তবে বর্তমান আলোচনার সবচেয়ে বড় সংকট হলো লেবানন পরিস্থিতি। প্রায় ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ বৈঠকের একটি বড় অংশ এ ইস্যুতে ব্যয় হয়েছে, যেখানে ইরান কোনো ধরনের আপস না করার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে।
লেবানন ইস্যুতে জেডি ভ্যান্স কিছুটা নমনীয়তা প্রকাশ করে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার এবং যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল-লেবানন আলোচনার পরিবেশ তৈরির আশ্বাস দিয়েছেন। হামিদ মীরের মতে, ইরান মূলত হিজবুল্লাহ ও হামাসকে এ বার্তা দিতে চাইছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির লোভে তারা তাদের পুরোনো মিত্রদের ছেড়ে যায়নি। লেবানন এবং মিত্রদের বিষয়ে ইরানের এ শক্ত অবস্থানই আগামী দিনের কূটনীতি ও আলোচনার গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্র: জিও নিউজ

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সাম্প্রতিক বৈঠকটি নিষ্ফল হয়নি, বরং দুই দেশ আবারও আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে। প্রবীণ পাকিস্তানি সাংবাদিক ও বিশ্লেষক হামিদ মীর জিও নিউজের নয়া পাকিস্তান অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেছেন এবং বেশ কিছু বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য তাদের নিজ নিজ দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন থাকায় পরবর্তী বৈঠকের সময় ও স্থান পরে নির্ধারণ করা হবে।
এ আলোচনার বিস্তারিত এখনই জনসমক্ষে আনতে নারাজ উভয় পক্ষ। ইরানি স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের সঙ্গে আলোচনার পর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। কোনো ধরনের 'মিডিয়া সার্কাস' বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই তারা পরবর্তী আলোচনার বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন। বৈঠক শেষে মার্কিন প্রতিনিধি দল ভোরেই বিদায় নিলেও ইরানিরা কিছুক্ষণ অবস্থান করে আয়োজক পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। হামিদ মীর জানান, বর্তমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে পাকিস্তান, তুরস্ক ও চীনের মাধ্যমে পরোক্ষ যোগাযোগ অব্যাহত রাখার চেষ্টা চলছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ইউরেনিয়াম ও হরমুজ প্রণালি বিষয়ক মন্তব্যকে হামিদ মীর কেবল যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কৌশল হিসেবে দেখছেন। তার মতে, আলোচনার টেবিলে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বিষয়গুলোতে ইতোমধ্যেই গভীর আলোচনা হয়েছে এবং একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। জেডি ভ্যান্সও এসব বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। তবে বর্তমান আলোচনার সবচেয়ে বড় সংকট হলো লেবানন পরিস্থিতি। প্রায় ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ বৈঠকের একটি বড় অংশ এ ইস্যুতে ব্যয় হয়েছে, যেখানে ইরান কোনো ধরনের আপস না করার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে।
লেবানন ইস্যুতে জেডি ভ্যান্স কিছুটা নমনীয়তা প্রকাশ করে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার এবং যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল-লেবানন আলোচনার পরিবেশ তৈরির আশ্বাস দিয়েছেন। হামিদ মীরের মতে, ইরান মূলত হিজবুল্লাহ ও হামাসকে এ বার্তা দিতে চাইছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির লোভে তারা তাদের পুরোনো মিত্রদের ছেড়ে যায়নি। লেবানন এবং মিত্রদের বিষয়ে ইরানের এ শক্ত অবস্থানই আগামী দিনের কূটনীতি ও আলোচনার গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্র: জিও নিউজ

আবারও বৈঠকে বসতে সম্মত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সাম্প্রতিক বৈঠকটি নিষ্ফল হয়নি, বরং দুই দেশ আবারও আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে। প্রবীণ পাকিস্তানি সাংবাদিক ও বিশ্লেষক হামিদ মীর জিও নিউজের নয়া পাকিস্তান অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেছেন এবং বেশ কিছু বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য তাদের নিজ নিজ দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন থাকায় পরবর্তী বৈঠকের সময় ও স্থান পরে নির্ধারণ করা হবে।
এ আলোচনার বিস্তারিত এখনই জনসমক্ষে আনতে নারাজ উভয় পক্ষ। ইরানি স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের সঙ্গে আলোচনার পর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। কোনো ধরনের 'মিডিয়া সার্কাস' বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই তারা পরবর্তী আলোচনার বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন। বৈঠক শেষে মার্কিন প্রতিনিধি দল ভোরেই বিদায় নিলেও ইরানিরা কিছুক্ষণ অবস্থান করে আয়োজক পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। হামিদ মীর জানান, বর্তমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে পাকিস্তান, তুরস্ক ও চীনের মাধ্যমে পরোক্ষ যোগাযোগ অব্যাহত রাখার চেষ্টা চলছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ইউরেনিয়াম ও হরমুজ প্রণালি বিষয়ক মন্তব্যকে হামিদ মীর কেবল যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কৌশল হিসেবে দেখছেন। তার মতে, আলোচনার টেবিলে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বিষয়গুলোতে ইতোমধ্যেই গভীর আলোচনা হয়েছে এবং একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। জেডি ভ্যান্সও এসব বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। তবে বর্তমান আলোচনার সবচেয়ে বড় সংকট হলো লেবানন পরিস্থিতি। প্রায় ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ বৈঠকের একটি বড় অংশ এ ইস্যুতে ব্যয় হয়েছে, যেখানে ইরান কোনো ধরনের আপস না করার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে।
লেবানন ইস্যুতে জেডি ভ্যান্স কিছুটা নমনীয়তা প্রকাশ করে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার এবং যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল-লেবানন আলোচনার পরিবেশ তৈরির আশ্বাস দিয়েছেন। হামিদ মীরের মতে, ইরান মূলত হিজবুল্লাহ ও হামাসকে এ বার্তা দিতে চাইছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির লোভে তারা তাদের পুরোনো মিত্রদের ছেড়ে যায়নি। লেবানন এবং মিত্রদের বিষয়ে ইরানের এ শক্ত অবস্থানই আগামী দিনের কূটনীতি ও আলোচনার গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্র: জিও নিউজ




