যুক্তরাষ্ট্রের স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিবর্তন হলে চুক্তি হবে: পেজেশকিয়ান

যুক্তরাষ্ট্রের স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিবর্তন হলে চুক্তি হবে: পেজেশকিয়ান
সিটিজেন ডেস্ক

ইসলামাবাদের বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির সম্ভাবনা এখনো দেখছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তার মতে, ওয়াশিংটন যদি নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন আনে, তাহলে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতার পথ খুলতে পারে।
রবিবার (১২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় পেজেশকিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের ‘স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব’ পরিত্যাগ করে এবং ইরানের জনগণের জাতীয় অধিকারকে সম্মান করে, তবে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব। একই সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেওয়া ইরানি প্রতিনিধিদলের সদস্যদেরও ধন্যবাদ জা নান তিনি। এ সময় তিনি পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফের প্রশংসাও করেন।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক বৈঠকটি প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে চললেও শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই তা শেষ হয়। এই বৈঠকের পরপরই নিজের অবস্থান তুলে ধরেন ইরানের প্রেসিডেন্ট।
দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে উত্তেজনা চলছে। ফেব্রুয়ারিতে টানা তিন সপ্তাহ ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা হলেও সেটিও কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়।
এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্র ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে পৃথক অভিযান চালায়। সংঘাতের শুরুতেই নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং দেশটির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
পরবর্তীতে উত্তেজনা কমাতে ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। এর ধারাবাহিকতায় ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে নতুন করে সংলাপে বসে দুই পক্ষ। যদিও সেই প্রচেষ্টাও আপাতত কোনো ফল বয়ে আনেনি।
সূত্র: বিবিসি

ইসলামাবাদের বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির সম্ভাবনা এখনো দেখছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তার মতে, ওয়াশিংটন যদি নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন আনে, তাহলে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতার পথ খুলতে পারে।
রবিবার (১২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় পেজেশকিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের ‘স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব’ পরিত্যাগ করে এবং ইরানের জনগণের জাতীয় অধিকারকে সম্মান করে, তবে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব। একই সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেওয়া ইরানি প্রতিনিধিদলের সদস্যদেরও ধন্যবাদ জা নান তিনি। এ সময় তিনি পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফের প্রশংসাও করেন।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক বৈঠকটি প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে চললেও শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই তা শেষ হয়। এই বৈঠকের পরপরই নিজের অবস্থান তুলে ধরেন ইরানের প্রেসিডেন্ট।
দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে উত্তেজনা চলছে। ফেব্রুয়ারিতে টানা তিন সপ্তাহ ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা হলেও সেটিও কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়।
এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্র ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে পৃথক অভিযান চালায়। সংঘাতের শুরুতেই নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং দেশটির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
পরবর্তীতে উত্তেজনা কমাতে ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। এর ধারাবাহিকতায় ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে নতুন করে সংলাপে বসে দুই পক্ষ। যদিও সেই প্রচেষ্টাও আপাতত কোনো ফল বয়ে আনেনি।
সূত্র: বিবিসি

যুক্তরাষ্ট্রের স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিবর্তন হলে চুক্তি হবে: পেজেশকিয়ান
সিটিজেন ডেস্ক

ইসলামাবাদের বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির সম্ভাবনা এখনো দেখছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তার মতে, ওয়াশিংটন যদি নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন আনে, তাহলে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতার পথ খুলতে পারে।
রবিবার (১২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় পেজেশকিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের ‘স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব’ পরিত্যাগ করে এবং ইরানের জনগণের জাতীয় অধিকারকে সম্মান করে, তবে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব। একই সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেওয়া ইরানি প্রতিনিধিদলের সদস্যদেরও ধন্যবাদ জা নান তিনি। এ সময় তিনি পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফের প্রশংসাও করেন।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক বৈঠকটি প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে চললেও শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই তা শেষ হয়। এই বৈঠকের পরপরই নিজের অবস্থান তুলে ধরেন ইরানের প্রেসিডেন্ট।
দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে উত্তেজনা চলছে। ফেব্রুয়ারিতে টানা তিন সপ্তাহ ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা হলেও সেটিও কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়।
এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্র ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে পৃথক অভিযান চালায়। সংঘাতের শুরুতেই নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং দেশটির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
পরবর্তীতে উত্তেজনা কমাতে ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। এর ধারাবাহিকতায় ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে নতুন করে সংলাপে বসে দুই পক্ষ। যদিও সেই প্রচেষ্টাও আপাতত কোনো ফল বয়ে আনেনি।
সূত্র: বিবিসি




