বৈঠকে কী চুক্তি করলেন ট্রাম্প-শি
সিটিজেন ডেস্ক

বৈঠকে কী চুক্তি করলেন ট্রাম্প-শি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৬: ৪২

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ছবি: সংগৃহীত
বৈশ্বিক অর্থনীতির শীর্ষ দুই পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত বাণিজ্য সম্মেলন বড় কোনো বড় চুক্তি ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দ্বিপাক্ষিক সফর শেষে ওয়াশিংটনে ফিরে গেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই দেশের এ শীর্ষ বৈঠক থেকে বড় কোনো অর্থনৈতিক বা বিনিয়োগের চুক্তি না আসায় বিশ্ব বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে খোদ চীনের শেয়ারবাজারেও।
শুক্রবার (১৫ মে) বেইজিংয়ের পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতন লক্ষ্য করা গেছে, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের এ বৈঠক থেকে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করার মতো আশাব্যঞ্জক কোনো চুক্তি আসেনি। বৈঠক সমাপ্তির পর মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুই দেশ কিছু কৃষিপণ্য কেনাবেচার বিষয়ে একমত হয়েছে এবং আগামীতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সচল রাখার আলোচনাকে এগিয়ে নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, উভয় পক্ষ মিলে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য সামগ্রীর একটি তালিকা তৈরি করবে, তবে এ সম্ভাব্য চুক্তির বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। অন্যদিকে, কৌশলগত ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়, যেমন চীনের কাছে এনভিডিয়ার উন্নত এইচ২০০ এআই চিপ বিক্রির ব্যাপারে কোনো ইতিবাচক অগ্রগতির লক্ষণ দেখা যায়নি।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, বিগত প্রায় এক দশকের মধ্যে এ প্রথম চীনের কাছ থেকে ২০০টি বোয়িং বাণিজ্যিক জেট বিমান বিক্রির একটি বড় প্রতিশ্রুতি পেয়েছে আমেরিকা। তবে বাজার বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা ছিল আরও অনেক বেশি। তাদের ধারণা ছিল চীন অন্তত ৫০০টি বিমান ক্রয়ের চুক্তি করবে। প্রত্যাশার চেয়ে বিমানের সংখ্যা অনেক কম হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের শেয়ারের দাম তাৎক্ষণিকভাবে ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
এই শীর্ষ সম্মেলনের সার্বিক ফলাফল মূল্যায়ন করতে গিয়ে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের জ্যেষ্ঠ চীনা বিশ্লেষক চিম লি মন্তব্য করেছেন, এ সফরটি দুই পরাশক্তির মধ্যকার সম্পর্ক স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে কিছুটা আশ্বস্তকারী বার্তা দিলেও, প্রকৃত ব্যবসায়িক খতিয়ান বা অর্থনৈতিক অর্জনের দিক থেকে তা বেশ হতাশাজনক। অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকের মতে, এ সম্মেলনটির একমাত্র দৃশ্যমান ও বড় সাফল্য হলো গত বছরের অক্টোবরে দুই দেশের মধ্যে যে ভঙ্গুর বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল, তা কোনোমতে ভেঙে না গিয়ে আপাতত বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

বৈশ্বিক অর্থনীতির শীর্ষ দুই পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত বাণিজ্য সম্মেলন বড় কোনো বড় চুক্তি ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দ্বিপাক্ষিক সফর শেষে ওয়াশিংটনে ফিরে গেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই দেশের এ শীর্ষ বৈঠক থেকে বড় কোনো অর্থনৈতিক বা বিনিয়োগের চুক্তি না আসায় বিশ্ব বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে খোদ চীনের শেয়ারবাজারেও।
শুক্রবার (১৫ মে) বেইজিংয়ের পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতন লক্ষ্য করা গেছে, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের এ বৈঠক থেকে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করার মতো আশাব্যঞ্জক কোনো চুক্তি আসেনি। বৈঠক সমাপ্তির পর মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুই দেশ কিছু কৃষিপণ্য কেনাবেচার বিষয়ে একমত হয়েছে এবং আগামীতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সচল রাখার আলোচনাকে এগিয়ে নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, উভয় পক্ষ মিলে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য সামগ্রীর একটি তালিকা তৈরি করবে, তবে এ সম্ভাব্য চুক্তির বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। অন্যদিকে, কৌশলগত ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়, যেমন চীনের কাছে এনভিডিয়ার উন্নত এইচ২০০ এআই চিপ বিক্রির ব্যাপারে কোনো ইতিবাচক অগ্রগতির লক্ষণ দেখা যায়নি।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, বিগত প্রায় এক দশকের মধ্যে এ প্রথম চীনের কাছ থেকে ২০০টি বোয়িং বাণিজ্যিক জেট বিমান বিক্রির একটি বড় প্রতিশ্রুতি পেয়েছে আমেরিকা। তবে বাজার বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা ছিল আরও অনেক বেশি। তাদের ধারণা ছিল চীন অন্তত ৫০০টি বিমান ক্রয়ের চুক্তি করবে। প্রত্যাশার চেয়ে বিমানের সংখ্যা অনেক কম হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের শেয়ারের দাম তাৎক্ষণিকভাবে ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
এই শীর্ষ সম্মেলনের সার্বিক ফলাফল মূল্যায়ন করতে গিয়ে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের জ্যেষ্ঠ চীনা বিশ্লেষক চিম লি মন্তব্য করেছেন, এ সফরটি দুই পরাশক্তির মধ্যকার সম্পর্ক স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে কিছুটা আশ্বস্তকারী বার্তা দিলেও, প্রকৃত ব্যবসায়িক খতিয়ান বা অর্থনৈতিক অর্জনের দিক থেকে তা বেশ হতাশাজনক। অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকের মতে, এ সম্মেলনটির একমাত্র দৃশ্যমান ও বড় সাফল্য হলো গত বছরের অক্টোবরে দুই দেশের মধ্যে যে ভঙ্গুর বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল, তা কোনোমতে ভেঙে না গিয়ে আপাতত বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

বৈঠকে কী চুক্তি করলেন ট্রাম্প-শি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৬: ৪২

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ছবি: সংগৃহীত
বৈশ্বিক অর্থনীতির শীর্ষ দুই পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত বাণিজ্য সম্মেলন বড় কোনো বড় চুক্তি ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দ্বিপাক্ষিক সফর শেষে ওয়াশিংটনে ফিরে গেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই দেশের এ শীর্ষ বৈঠক থেকে বড় কোনো অর্থনৈতিক বা বিনিয়োগের চুক্তি না আসায় বিশ্ব বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে খোদ চীনের শেয়ারবাজারেও।
শুক্রবার (১৫ মে) বেইজিংয়ের পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতন লক্ষ্য করা গেছে, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের এ বৈঠক থেকে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করার মতো আশাব্যঞ্জক কোনো চুক্তি আসেনি। বৈঠক সমাপ্তির পর মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুই দেশ কিছু কৃষিপণ্য কেনাবেচার বিষয়ে একমত হয়েছে এবং আগামীতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সচল রাখার আলোচনাকে এগিয়ে নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, উভয় পক্ষ মিলে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য সামগ্রীর একটি তালিকা তৈরি করবে, তবে এ সম্ভাব্য চুক্তির বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। অন্যদিকে, কৌশলগত ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়, যেমন চীনের কাছে এনভিডিয়ার উন্নত এইচ২০০ এআই চিপ বিক্রির ব্যাপারে কোনো ইতিবাচক অগ্রগতির লক্ষণ দেখা যায়নি।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, বিগত প্রায় এক দশকের মধ্যে এ প্রথম চীনের কাছ থেকে ২০০টি বোয়িং বাণিজ্যিক জেট বিমান বিক্রির একটি বড় প্রতিশ্রুতি পেয়েছে আমেরিকা। তবে বাজার বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা ছিল আরও অনেক বেশি। তাদের ধারণা ছিল চীন অন্তত ৫০০টি বিমান ক্রয়ের চুক্তি করবে। প্রত্যাশার চেয়ে বিমানের সংখ্যা অনেক কম হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের শেয়ারের দাম তাৎক্ষণিকভাবে ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
এই শীর্ষ সম্মেলনের সার্বিক ফলাফল মূল্যায়ন করতে গিয়ে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের জ্যেষ্ঠ চীনা বিশ্লেষক চিম লি মন্তব্য করেছেন, এ সফরটি দুই পরাশক্তির মধ্যকার সম্পর্ক স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে কিছুটা আশ্বস্তকারী বার্তা দিলেও, প্রকৃত ব্যবসায়িক খতিয়ান বা অর্থনৈতিক অর্জনের দিক থেকে তা বেশ হতাশাজনক। অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকের মতে, এ সম্মেলনটির একমাত্র দৃশ্যমান ও বড় সাফল্য হলো গত বছরের অক্টোবরে দুই দেশের মধ্যে যে ভঙ্গুর বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল, তা কোনোমতে ভেঙে না গিয়ে আপাতত বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
/এমএকে/

চীন সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্রের পথে ট্রাম্প


