‘সবসময় চেষ্টা করি ইমপ্যাক্টফুল পারফরম্যান্স দিতে’

‘সবসময় চেষ্টা করি ইমপ্যাক্টফুল পারফরম্যান্স দিতে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাধারণত পেসারদের মেরুদণ্ডের নিচের অংশ হ্যামস্ট্রিং এবং গোড়ালিতে ইনজুরি বেশি হয়। ইনজুরির কারণে পেসারদের ক্যারিয়ার দীর্ঘ হয়নি এমন উদাহরণ অনেক আছে। ইনজুরি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ দলের তরুণ পেসার নাহিদ রানা বলছেন, ইনজুরি কখনো বলে আসে না।
সোমবার (২০ এপ্রিল) নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ হারের শঙ্কা নিয়ে খেলতে নেমে নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ের সুবাদে জয় পায় বাংলাদেশ। দলের জয়ে ১০ ওভারে মাত্র ৩২ রানে ৫ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরা হন রানা।
খেলা শেষে রানা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাকে সুস্থ রেখেছেন। আর দ্বিতীয়ত হচ্ছে যে, আমি আমার ফিটনেস নিয়ে যে কাজগুলো করি। সেগুলো আমি আমার অনুশীলনের বাইরে কিংবা যখন অনুশীলন চলে তখন ফিটনেস ট্রেনারের সঙ্গে কাজ করি এবং তাদের সাথে কথা বলি যে, কীভাবে নিজের ফিটনেস বাড়ানো যায় বা আরও উন্নত করা যায়।’
পরে সংবাদ সম্মেলনে নিজের বোলিং নিয়ে বলেন, ‘প্রথম ম্যাচে উইকেট ভালোই ছিল, কিন্তু আমি ঠিকভাবে এক্সিকিউট করতে পারিনি। তাই ভালো বোলিং হয়নি। এই ম্যাচে আগের ভুলগুলো থেকে শিখে ভালো জায়গায় বল করার চেষ্টা করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, সেটা কাজে লেগেছে।’
এই ম্যাচে শুরু থেকেই ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বল করে কিউই ব্যাটারদের চাপে রাখেন নাহিদ। পুরো ইনিংসজুড়ে রান তোলার গতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন তিনি।
টানা গতিময় বোলিংয়ের ব্যাখ্যায় নাহিদ বলেন, ‘আমি সবসময় চেষ্টা করি দলের জন্য ইমপ্যাক্টফুল পারফরম্যান্স দিতে। সেটা একটা স্পেল হতে পারে, এমনকি একটা ওভারও হতে পারে। যদি একটা ওভার দিয়েই দলকে জেতাতে পারি, সেটাই আমার জন্য সবচেয়ে বড় সন্তুষ্টি। আমার কাছে উইকেটের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আমি দলকে জেতাতে পারছি কিনা।’

সাধারণত পেসারদের মেরুদণ্ডের নিচের অংশ হ্যামস্ট্রিং এবং গোড়ালিতে ইনজুরি বেশি হয়। ইনজুরির কারণে পেসারদের ক্যারিয়ার দীর্ঘ হয়নি এমন উদাহরণ অনেক আছে। ইনজুরি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ দলের তরুণ পেসার নাহিদ রানা বলছেন, ইনজুরি কখনো বলে আসে না।
সোমবার (২০ এপ্রিল) নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ হারের শঙ্কা নিয়ে খেলতে নেমে নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ের সুবাদে জয় পায় বাংলাদেশ। দলের জয়ে ১০ ওভারে মাত্র ৩২ রানে ৫ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরা হন রানা।
খেলা শেষে রানা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাকে সুস্থ রেখেছেন। আর দ্বিতীয়ত হচ্ছে যে, আমি আমার ফিটনেস নিয়ে যে কাজগুলো করি। সেগুলো আমি আমার অনুশীলনের বাইরে কিংবা যখন অনুশীলন চলে তখন ফিটনেস ট্রেনারের সঙ্গে কাজ করি এবং তাদের সাথে কথা বলি যে, কীভাবে নিজের ফিটনেস বাড়ানো যায় বা আরও উন্নত করা যায়।’
পরে সংবাদ সম্মেলনে নিজের বোলিং নিয়ে বলেন, ‘প্রথম ম্যাচে উইকেট ভালোই ছিল, কিন্তু আমি ঠিকভাবে এক্সিকিউট করতে পারিনি। তাই ভালো বোলিং হয়নি। এই ম্যাচে আগের ভুলগুলো থেকে শিখে ভালো জায়গায় বল করার চেষ্টা করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, সেটা কাজে লেগেছে।’
এই ম্যাচে শুরু থেকেই ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বল করে কিউই ব্যাটারদের চাপে রাখেন নাহিদ। পুরো ইনিংসজুড়ে রান তোলার গতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন তিনি।
টানা গতিময় বোলিংয়ের ব্যাখ্যায় নাহিদ বলেন, ‘আমি সবসময় চেষ্টা করি দলের জন্য ইমপ্যাক্টফুল পারফরম্যান্স দিতে। সেটা একটা স্পেল হতে পারে, এমনকি একটা ওভারও হতে পারে। যদি একটা ওভার দিয়েই দলকে জেতাতে পারি, সেটাই আমার জন্য সবচেয়ে বড় সন্তুষ্টি। আমার কাছে উইকেটের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আমি দলকে জেতাতে পারছি কিনা।’

‘সবসময় চেষ্টা করি ইমপ্যাক্টফুল পারফরম্যান্স দিতে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাধারণত পেসারদের মেরুদণ্ডের নিচের অংশ হ্যামস্ট্রিং এবং গোড়ালিতে ইনজুরি বেশি হয়। ইনজুরির কারণে পেসারদের ক্যারিয়ার দীর্ঘ হয়নি এমন উদাহরণ অনেক আছে। ইনজুরি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ দলের তরুণ পেসার নাহিদ রানা বলছেন, ইনজুরি কখনো বলে আসে না।
সোমবার (২০ এপ্রিল) নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ হারের শঙ্কা নিয়ে খেলতে নেমে নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ের সুবাদে জয় পায় বাংলাদেশ। দলের জয়ে ১০ ওভারে মাত্র ৩২ রানে ৫ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরা হন রানা।
খেলা শেষে রানা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাকে সুস্থ রেখেছেন। আর দ্বিতীয়ত হচ্ছে যে, আমি আমার ফিটনেস নিয়ে যে কাজগুলো করি। সেগুলো আমি আমার অনুশীলনের বাইরে কিংবা যখন অনুশীলন চলে তখন ফিটনেস ট্রেনারের সঙ্গে কাজ করি এবং তাদের সাথে কথা বলি যে, কীভাবে নিজের ফিটনেস বাড়ানো যায় বা আরও উন্নত করা যায়।’
পরে সংবাদ সম্মেলনে নিজের বোলিং নিয়ে বলেন, ‘প্রথম ম্যাচে উইকেট ভালোই ছিল, কিন্তু আমি ঠিকভাবে এক্সিকিউট করতে পারিনি। তাই ভালো বোলিং হয়নি। এই ম্যাচে আগের ভুলগুলো থেকে শিখে ভালো জায়গায় বল করার চেষ্টা করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, সেটা কাজে লেগেছে।’
এই ম্যাচে শুরু থেকেই ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বল করে কিউই ব্যাটারদের চাপে রাখেন নাহিদ। পুরো ইনিংসজুড়ে রান তোলার গতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন তিনি।
টানা গতিময় বোলিংয়ের ব্যাখ্যায় নাহিদ বলেন, ‘আমি সবসময় চেষ্টা করি দলের জন্য ইমপ্যাক্টফুল পারফরম্যান্স দিতে। সেটা একটা স্পেল হতে পারে, এমনকি একটা ওভারও হতে পারে। যদি একটা ওভার দিয়েই দলকে জেতাতে পারি, সেটাই আমার জন্য সবচেয়ে বড় সন্তুষ্টি। আমার কাছে উইকেটের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আমি দলকে জেতাতে পারছি কিনা।’

ফোনের ব্যাটারি দ্রুত কমে গেলে কী করবেন
আওয়ামী লীগ নেত্রী ও নেত্রীর মেয়েকে মনোনয়ন, চলছে সমালোচনা


