ইরান যুদ্ধ শেষ হয়নি: নেতানিয়াহু

ইরান যুদ্ধ শেষ হয়নি: নেতানিয়াহু
সিটিজেন ডেস্ক

পরমাণু ও হরমুজ ইস্যুতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর মধ্যেই ইরান যুদ্ধ নিয়ে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ইরানের ইউরেনিয়াম অপসারণের আগ পর্যন্ত যুদ্ধ শেষ হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (১০ মে) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে অনেক কিছু অর্জন করেছি। এখন যুদ্ধবিরতি চলছে। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হয়নি। যতদিন ইরানের ইউরেনিয়াম অপসারণ না করা হবে, ততদিন যুদ্ধ চলবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ করতেই হবে।’
ইরানের পরমাণু অপসারণে বল প্রয়োগ করা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এ প্রশ্নের উত্তর দেবো না। কারণ আমাদের সামরিক সম্ভাব্যতা, পরিকল্পনা এবং এ সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে আমি এখানে কথা বলবো না।’
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতি আনবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইরানের কাছে ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ ৪০০ কেজি ইউরেনিয়ামের একটি বড় মজুত আছে। যদি বিশুদ্ধতার মান ৯০ শতাংশে উন্নীত করা যায়, তাহলে এটা দিয়ে পরমাণু বোমা বানানো সম্ভব।
গত বছর জুনে এই তথ্য জানানোর ইউরেনিয়াম হস্তগত করতে ওই মাসেই ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র। ১২ দিনের সেই অভিযানে ইরানের পরামণু প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক স্থাপনায় হামলা চালায় তারা। তবে স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করতে পারলেও ইউরেনিয়ামের কোনো সন্ধান পায়নি ওয়াশিংটন-তেলআবিব।
চলতি বছর পরমাণু প্রকল্প নিয়ে সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে দফায় দফায় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলা এ সংলাপ কোনো প্রকার সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়।
এর দুইদিন পর, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে সামরিক হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। প্রায় ৪০ দিন ধরে অভিযান চালিয়ে দেশটির শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ একাধিক নেতাকে হত্যা করে ৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে ইরান ও ইসরায়েল সমর্থন দেয়।
এরপর স্থায়ী শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের জন্য পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে গত ১১ এপ্রিল সংলাপে বসেন যুক্তরাষ্ট্র ও মার্কিন প্রতিনিধিরা। কিন্তু দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা আলোচনার পর কোনো চুক্তি ছাড়াই ফিরে যান দুই দেশের প্রতিনিধিরা। সর্বশেষ ইসারায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কাছ থেকে এই হুঁশিয়ারি এলো।

পরমাণু ও হরমুজ ইস্যুতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর মধ্যেই ইরান যুদ্ধ নিয়ে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ইরানের ইউরেনিয়াম অপসারণের আগ পর্যন্ত যুদ্ধ শেষ হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (১০ মে) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে অনেক কিছু অর্জন করেছি। এখন যুদ্ধবিরতি চলছে। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হয়নি। যতদিন ইরানের ইউরেনিয়াম অপসারণ না করা হবে, ততদিন যুদ্ধ চলবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ করতেই হবে।’
ইরানের পরমাণু অপসারণে বল প্রয়োগ করা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এ প্রশ্নের উত্তর দেবো না। কারণ আমাদের সামরিক সম্ভাব্যতা, পরিকল্পনা এবং এ সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে আমি এখানে কথা বলবো না।’
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতি আনবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইরানের কাছে ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ ৪০০ কেজি ইউরেনিয়ামের একটি বড় মজুত আছে। যদি বিশুদ্ধতার মান ৯০ শতাংশে উন্নীত করা যায়, তাহলে এটা দিয়ে পরমাণু বোমা বানানো সম্ভব।
গত বছর জুনে এই তথ্য জানানোর ইউরেনিয়াম হস্তগত করতে ওই মাসেই ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র। ১২ দিনের সেই অভিযানে ইরানের পরামণু প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক স্থাপনায় হামলা চালায় তারা। তবে স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করতে পারলেও ইউরেনিয়ামের কোনো সন্ধান পায়নি ওয়াশিংটন-তেলআবিব।
চলতি বছর পরমাণু প্রকল্প নিয়ে সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে দফায় দফায় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলা এ সংলাপ কোনো প্রকার সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়।
এর দুইদিন পর, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে সামরিক হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। প্রায় ৪০ দিন ধরে অভিযান চালিয়ে দেশটির শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ একাধিক নেতাকে হত্যা করে ৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে ইরান ও ইসরায়েল সমর্থন দেয়।
এরপর স্থায়ী শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের জন্য পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে গত ১১ এপ্রিল সংলাপে বসেন যুক্তরাষ্ট্র ও মার্কিন প্রতিনিধিরা। কিন্তু দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা আলোচনার পর কোনো চুক্তি ছাড়াই ফিরে যান দুই দেশের প্রতিনিধিরা। সর্বশেষ ইসারায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কাছ থেকে এই হুঁশিয়ারি এলো।

ইরান যুদ্ধ শেষ হয়নি: নেতানিয়াহু
সিটিজেন ডেস্ক

পরমাণু ও হরমুজ ইস্যুতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর মধ্যেই ইরান যুদ্ধ নিয়ে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ইরানের ইউরেনিয়াম অপসারণের আগ পর্যন্ত যুদ্ধ শেষ হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (১০ মে) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে অনেক কিছু অর্জন করেছি। এখন যুদ্ধবিরতি চলছে। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হয়নি। যতদিন ইরানের ইউরেনিয়াম অপসারণ না করা হবে, ততদিন যুদ্ধ চলবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ করতেই হবে।’
ইরানের পরমাণু অপসারণে বল প্রয়োগ করা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এ প্রশ্নের উত্তর দেবো না। কারণ আমাদের সামরিক সম্ভাব্যতা, পরিকল্পনা এবং এ সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে আমি এখানে কথা বলবো না।’
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতি আনবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইরানের কাছে ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ ৪০০ কেজি ইউরেনিয়ামের একটি বড় মজুত আছে। যদি বিশুদ্ধতার মান ৯০ শতাংশে উন্নীত করা যায়, তাহলে এটা দিয়ে পরমাণু বোমা বানানো সম্ভব।
গত বছর জুনে এই তথ্য জানানোর ইউরেনিয়াম হস্তগত করতে ওই মাসেই ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র। ১২ দিনের সেই অভিযানে ইরানের পরামণু প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক স্থাপনায় হামলা চালায় তারা। তবে স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করতে পারলেও ইউরেনিয়ামের কোনো সন্ধান পায়নি ওয়াশিংটন-তেলআবিব।
চলতি বছর পরমাণু প্রকল্প নিয়ে সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে দফায় দফায় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলা এ সংলাপ কোনো প্রকার সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়।
এর দুইদিন পর, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে সামরিক হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। প্রায় ৪০ দিন ধরে অভিযান চালিয়ে দেশটির শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ একাধিক নেতাকে হত্যা করে ৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে ইরান ও ইসরায়েল সমর্থন দেয়।
এরপর স্থায়ী শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের জন্য পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে গত ১১ এপ্রিল সংলাপে বসেন যুক্তরাষ্ট্র ও মার্কিন প্রতিনিধিরা। কিন্তু দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা আলোচনার পর কোনো চুক্তি ছাড়াই ফিরে যান দুই দেশের প্রতিনিধিরা। সর্বশেষ ইসারায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কাছ থেকে এই হুঁশিয়ারি এলো।

ইরানের জবাবকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প


