গৃহশ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতে ১০ দাবি

গৃহশ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতে ১০ দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

গৃহশ্রমিকদের আইনি স্বীকৃতি, সুরক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ১০ দফা দাবি জানিয়েছে নারী মৈত্রী ও সহায়। আন্তর্জাতি শ্রমিক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বুধবার (৬ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক র্যালি ও জমায়েতে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।
দাবিগুলো হলো
- গৃহশ্রমিকদের শ্রম আইনের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে
- কাজের সময়সীমা, বিশ্রাম, বিনোদন, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী আইনি কাঠামো প্রণয়ন করতে হবে
- সরকারের মনিটরিং সেলের মাধ্যমে গৃহশ্রমিকদের নিবন্ধন ও তথ্য সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে
- শহরে কাজে পাঠানোর আগে গৃহশ্রমিকদের নিজ ইউনিয়ন ও থানায় বাধ্যতামূলক নিবন্ধন নিশ্চিত করতে হবে
- কর্মরত অবস্থায় অসুস্থতা বা দুর্ঘটনায় চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নিয়োগকর্তা ও শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন থেকে নিশ্চিত করতে হবে
- সরকারি উদ্যোগে গৃহশ্রমিকদের একটি ডাটাবেস তৈরি করতে হবে, যা শ্রমিক ও নিয়োগকর্তা উভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে
- গৃহশ্রমিকদের শিশুদের নিরাপত্তার জন্য ডে-কেয়ার সুবিধা চালু করতে হবে
- গৃহশ্রমিকদের ওপর সহিংসতার মামলাগুলোর নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করতে হবে
- সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, জাতীয় পেনশন স্কিম ও শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে গৃহশ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং
- বেসরকারি গৃহশ্রমিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি তত্ত্বাবধানে নিবন্ধনের আওতায় আনতে হবে।
এ সময় বক্তব্য দেন নারী মৈত্রীর প্রতিনিধি রামিসা চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব ও কর্মসংস্থানের সংকটের কারণে গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠী কাজের সন্ধানে শহরমুখী হচ্ছে। এদের মধ্যে বড় একটি অংশ, বিশেষ করে নারীরা, জীবিকার জন্য গৃহভিত্তিক শ্রমকে বেছে নিচ্ছেন।
তিনি আরও জানান, দেশে গৃহশ্রমিকের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তবে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, দেশে প্রায় ২০ লাখ গৃহকর্মী রয়েছে, যাদের অধিকাংশই নারী। তারা গৃহের অভ্যন্তরে থেকে শ্রম দিয়ে অর্থ উপার্জন করলেও তাদের অধিকার ও সুরক্ষা এখনও নিশ্চিত হয়নি।
রামিসা চৌধুরী জানান, গৃহশ্রমিকদের সুরক্ষার কথা বিবেচনায় নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ২০১৫ সালে ‘গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি-২০১৫’ প্রণয়ন করে। কিন্তু এই নীতিমালার বাস্তবায়ন এখনও দৃশ্যমান নয়। হেল্পলাইন ও মনিটরিং সেল কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। যদিও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো গৃহশ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও মর্যাদা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে, তবুও তাদের মূলধারায় আনতে সরকারি উদ্যোগ জোরদার করা জরুরি।

গৃহশ্রমিকদের আইনি স্বীকৃতি, সুরক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ১০ দফা দাবি জানিয়েছে নারী মৈত্রী ও সহায়। আন্তর্জাতি শ্রমিক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বুধবার (৬ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক র্যালি ও জমায়েতে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।
দাবিগুলো হলো
- গৃহশ্রমিকদের শ্রম আইনের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে
- কাজের সময়সীমা, বিশ্রাম, বিনোদন, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী আইনি কাঠামো প্রণয়ন করতে হবে
- সরকারের মনিটরিং সেলের মাধ্যমে গৃহশ্রমিকদের নিবন্ধন ও তথ্য সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে
- শহরে কাজে পাঠানোর আগে গৃহশ্রমিকদের নিজ ইউনিয়ন ও থানায় বাধ্যতামূলক নিবন্ধন নিশ্চিত করতে হবে
- কর্মরত অবস্থায় অসুস্থতা বা দুর্ঘটনায় চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নিয়োগকর্তা ও শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন থেকে নিশ্চিত করতে হবে
- সরকারি উদ্যোগে গৃহশ্রমিকদের একটি ডাটাবেস তৈরি করতে হবে, যা শ্রমিক ও নিয়োগকর্তা উভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে
- গৃহশ্রমিকদের শিশুদের নিরাপত্তার জন্য ডে-কেয়ার সুবিধা চালু করতে হবে
- গৃহশ্রমিকদের ওপর সহিংসতার মামলাগুলোর নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করতে হবে
- সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, জাতীয় পেনশন স্কিম ও শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে গৃহশ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং
- বেসরকারি গৃহশ্রমিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি তত্ত্বাবধানে নিবন্ধনের আওতায় আনতে হবে।
এ সময় বক্তব্য দেন নারী মৈত্রীর প্রতিনিধি রামিসা চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব ও কর্মসংস্থানের সংকটের কারণে গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠী কাজের সন্ধানে শহরমুখী হচ্ছে। এদের মধ্যে বড় একটি অংশ, বিশেষ করে নারীরা, জীবিকার জন্য গৃহভিত্তিক শ্রমকে বেছে নিচ্ছেন।
তিনি আরও জানান, দেশে গৃহশ্রমিকের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তবে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, দেশে প্রায় ২০ লাখ গৃহকর্মী রয়েছে, যাদের অধিকাংশই নারী। তারা গৃহের অভ্যন্তরে থেকে শ্রম দিয়ে অর্থ উপার্জন করলেও তাদের অধিকার ও সুরক্ষা এখনও নিশ্চিত হয়নি।
রামিসা চৌধুরী জানান, গৃহশ্রমিকদের সুরক্ষার কথা বিবেচনায় নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ২০১৫ সালে ‘গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি-২০১৫’ প্রণয়ন করে। কিন্তু এই নীতিমালার বাস্তবায়ন এখনও দৃশ্যমান নয়। হেল্পলাইন ও মনিটরিং সেল কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। যদিও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো গৃহশ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও মর্যাদা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে, তবুও তাদের মূলধারায় আনতে সরকারি উদ্যোগ জোরদার করা জরুরি।

গৃহশ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতে ১০ দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

গৃহশ্রমিকদের আইনি স্বীকৃতি, সুরক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ১০ দফা দাবি জানিয়েছে নারী মৈত্রী ও সহায়। আন্তর্জাতি শ্রমিক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বুধবার (৬ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক র্যালি ও জমায়েতে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।
দাবিগুলো হলো
- গৃহশ্রমিকদের শ্রম আইনের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে
- কাজের সময়সীমা, বিশ্রাম, বিনোদন, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী আইনি কাঠামো প্রণয়ন করতে হবে
- সরকারের মনিটরিং সেলের মাধ্যমে গৃহশ্রমিকদের নিবন্ধন ও তথ্য সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে
- শহরে কাজে পাঠানোর আগে গৃহশ্রমিকদের নিজ ইউনিয়ন ও থানায় বাধ্যতামূলক নিবন্ধন নিশ্চিত করতে হবে
- কর্মরত অবস্থায় অসুস্থতা বা দুর্ঘটনায় চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নিয়োগকর্তা ও শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন থেকে নিশ্চিত করতে হবে
- সরকারি উদ্যোগে গৃহশ্রমিকদের একটি ডাটাবেস তৈরি করতে হবে, যা শ্রমিক ও নিয়োগকর্তা উভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে
- গৃহশ্রমিকদের শিশুদের নিরাপত্তার জন্য ডে-কেয়ার সুবিধা চালু করতে হবে
- গৃহশ্রমিকদের ওপর সহিংসতার মামলাগুলোর নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করতে হবে
- সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, জাতীয় পেনশন স্কিম ও শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে গৃহশ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং
- বেসরকারি গৃহশ্রমিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি তত্ত্বাবধানে নিবন্ধনের আওতায় আনতে হবে।
এ সময় বক্তব্য দেন নারী মৈত্রীর প্রতিনিধি রামিসা চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব ও কর্মসংস্থানের সংকটের কারণে গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠী কাজের সন্ধানে শহরমুখী হচ্ছে। এদের মধ্যে বড় একটি অংশ, বিশেষ করে নারীরা, জীবিকার জন্য গৃহভিত্তিক শ্রমকে বেছে নিচ্ছেন।
তিনি আরও জানান, দেশে গৃহশ্রমিকের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তবে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, দেশে প্রায় ২০ লাখ গৃহকর্মী রয়েছে, যাদের অধিকাংশই নারী। তারা গৃহের অভ্যন্তরে থেকে শ্রম দিয়ে অর্থ উপার্জন করলেও তাদের অধিকার ও সুরক্ষা এখনও নিশ্চিত হয়নি।
রামিসা চৌধুরী জানান, গৃহশ্রমিকদের সুরক্ষার কথা বিবেচনায় নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ২০১৫ সালে ‘গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি-২০১৫’ প্রণয়ন করে। কিন্তু এই নীতিমালার বাস্তবায়ন এখনও দৃশ্যমান নয়। হেল্পলাইন ও মনিটরিং সেল কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। যদিও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো গৃহশ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও মর্যাদা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে, তবুও তাদের মূলধারায় আনতে সরকারি উদ্যোগ জোরদার করা জরুরি।

‘গণমাধ্যম কমিশন’ গঠন করবে সরকার


