যেভাবে সাইবার অপরাধীরা আপনার ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে
সিটিজেন ডেস্ক

যেভাবে সাইবার অপরাধীরা আপনার ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ১৪

প্রতীকী ছবি
আপনার কেনা সস্তা গ্যাজেট কিংবা মোবাইলের ‘ফ্রি’ অ্যাপটিই হতে পারে আপনার সবচেয়ে বিপদের কারণ। সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এতে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে সাইবার অপরাধীরা সাধারণ মানুষের অজান্তেই তাদের ঘরের ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে গড়ে তুলেছে বিশাল এক ‘বটনেট নেটওয়ার্ক’।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অপরিচিত প্রতিষ্ঠানের তৈরি কম দামি প্রযুক্তিপণ্য এবং বেশ কিছু প্রলুব্ধকর অ্যাপে লুকিয়ে থাকে ‘রেসিডেনশিয়াল প্রক্সি’ নামক এক বিশেষ সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ইন্টারনেট সংযোগকে একটি গোপন সুড়ঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করে। এর ফলে অপরাধীরা আপনার আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করে ইন্টারনেটে বিভিন্ন অনৈতিক কার্যক্রম, তথ্য চুরি এবং অবৈধ ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে। যার বিন্দুমাত্র টের পান না মূল গ্রাহক।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ঝুঁকির মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো:
বিনা মূল্যের ভিপিএন:
যা ব্যবহারকারীকে প্রাইভেসির প্রলোভন দিয়ে উল্টো তার সংযোগটিই উন্মুক্ত করে দেয়।
পাইরেটেড অ্যাপ ও গেম:
প্রিমিয়াম গেম বা মুভি ফ্রিতে দেখার অননুমোদিত অ্যাপ।
সস্তা স্মার্ট ডিভাইস:
নামহীন ব্র্যান্ডের আইপি ক্যামেরা বা রাউটার।
ইন্টারনেট বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান স্পার-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা রাইলি কিলমার সতর্ক করে জানিয়েছেন, যদি আপনার আইপি ঠিকানা কোনো সন্দেহজনক অপরাধের সাথে যুক্ত হয়ে যায়, তবে আপনি আইনি জটিলতায়ও পড়তে পারেন।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা আপনার ঘরকে এই অদৃশ্য সাইবার হামলা থেকে রক্ষা করতে কিছু জরুরি পরামর্শ দিয়েছেন:
অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ডিলিট:
ফোনের বিনা মূল্যের ভিপিএন, সন্দেহজনক গেম বা স্ট্রিমিং অ্যাপগুলো দ্রুত পর্যালোচনা করুন এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ মুছে ফেলুন।
নেটওয়ার্ক মনিটরিং:
আপনার রাউটার বা নেটওয়ার্কে কোনো অস্বাভাবিক ট্রাফিক বা অপরিচিত ডিভাইসের উপস্থিতি আছে কি না তা নিয়মিত পরীক্ষা করুন। প্রয়োজনে ‘রেসিডেনশিয়াল প্রক্সি’ সফটওয়্যার শনাক্তকারী টুল ব্যবহার করুন।
সফটওয়্যার আপডেট:
রাউটারসহ আপনার ব্যবহৃত প্রতিটি স্মার্ট ডিভাইসের সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার সব সময় আপ-টু-ডেট রাখুন।
বিশ্বস্ত উৎস:
অ্যাপ ডাউনলোডের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র গুগল প্লে-স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোরের মতো নির্ভরযোগ্য উৎস ব্যবহার করুন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইন্টারনেটে কোনো কিছু ‘পুরোপুরি ফ্রি’ পাওয়ার অর্থ হতে পারে আপনি নিজেই কোনো পণ্যে পরিণত হচ্ছেন। তাই সস্তা প্রযুক্তিপণ্য কেনা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতনতাই এখন সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা।

আপনার কেনা সস্তা গ্যাজেট কিংবা মোবাইলের ‘ফ্রি’ অ্যাপটিই হতে পারে আপনার সবচেয়ে বিপদের কারণ। সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এতে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে সাইবার অপরাধীরা সাধারণ মানুষের অজান্তেই তাদের ঘরের ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে গড়ে তুলেছে বিশাল এক ‘বটনেট নেটওয়ার্ক’।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অপরিচিত প্রতিষ্ঠানের তৈরি কম দামি প্রযুক্তিপণ্য এবং বেশ কিছু প্রলুব্ধকর অ্যাপে লুকিয়ে থাকে ‘রেসিডেনশিয়াল প্রক্সি’ নামক এক বিশেষ সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ইন্টারনেট সংযোগকে একটি গোপন সুড়ঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করে। এর ফলে অপরাধীরা আপনার আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করে ইন্টারনেটে বিভিন্ন অনৈতিক কার্যক্রম, তথ্য চুরি এবং অবৈধ ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে। যার বিন্দুমাত্র টের পান না মূল গ্রাহক।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ঝুঁকির মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো:
বিনা মূল্যের ভিপিএন:
যা ব্যবহারকারীকে প্রাইভেসির প্রলোভন দিয়ে উল্টো তার সংযোগটিই উন্মুক্ত করে দেয়।
পাইরেটেড অ্যাপ ও গেম:
প্রিমিয়াম গেম বা মুভি ফ্রিতে দেখার অননুমোদিত অ্যাপ।
সস্তা স্মার্ট ডিভাইস:
নামহীন ব্র্যান্ডের আইপি ক্যামেরা বা রাউটার।
ইন্টারনেট বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান স্পার-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা রাইলি কিলমার সতর্ক করে জানিয়েছেন, যদি আপনার আইপি ঠিকানা কোনো সন্দেহজনক অপরাধের সাথে যুক্ত হয়ে যায়, তবে আপনি আইনি জটিলতায়ও পড়তে পারেন।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা আপনার ঘরকে এই অদৃশ্য সাইবার হামলা থেকে রক্ষা করতে কিছু জরুরি পরামর্শ দিয়েছেন:
অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ডিলিট:
ফোনের বিনা মূল্যের ভিপিএন, সন্দেহজনক গেম বা স্ট্রিমিং অ্যাপগুলো দ্রুত পর্যালোচনা করুন এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ মুছে ফেলুন।
নেটওয়ার্ক মনিটরিং:
আপনার রাউটার বা নেটওয়ার্কে কোনো অস্বাভাবিক ট্রাফিক বা অপরিচিত ডিভাইসের উপস্থিতি আছে কি না তা নিয়মিত পরীক্ষা করুন। প্রয়োজনে ‘রেসিডেনশিয়াল প্রক্সি’ সফটওয়্যার শনাক্তকারী টুল ব্যবহার করুন।
সফটওয়্যার আপডেট:
রাউটারসহ আপনার ব্যবহৃত প্রতিটি স্মার্ট ডিভাইসের সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার সব সময় আপ-টু-ডেট রাখুন।
বিশ্বস্ত উৎস:
অ্যাপ ডাউনলোডের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র গুগল প্লে-স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোরের মতো নির্ভরযোগ্য উৎস ব্যবহার করুন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইন্টারনেটে কোনো কিছু ‘পুরোপুরি ফ্রি’ পাওয়ার অর্থ হতে পারে আপনি নিজেই কোনো পণ্যে পরিণত হচ্ছেন। তাই সস্তা প্রযুক্তিপণ্য কেনা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতনতাই এখন সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা।

যেভাবে সাইবার অপরাধীরা আপনার ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ১৪

প্রতীকী ছবি
আপনার কেনা সস্তা গ্যাজেট কিংবা মোবাইলের ‘ফ্রি’ অ্যাপটিই হতে পারে আপনার সবচেয়ে বিপদের কারণ। সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এতে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে সাইবার অপরাধীরা সাধারণ মানুষের অজান্তেই তাদের ঘরের ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে গড়ে তুলেছে বিশাল এক ‘বটনেট নেটওয়ার্ক’।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অপরিচিত প্রতিষ্ঠানের তৈরি কম দামি প্রযুক্তিপণ্য এবং বেশ কিছু প্রলুব্ধকর অ্যাপে লুকিয়ে থাকে ‘রেসিডেনশিয়াল প্রক্সি’ নামক এক বিশেষ সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ইন্টারনেট সংযোগকে একটি গোপন সুড়ঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করে। এর ফলে অপরাধীরা আপনার আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করে ইন্টারনেটে বিভিন্ন অনৈতিক কার্যক্রম, তথ্য চুরি এবং অবৈধ ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে। যার বিন্দুমাত্র টের পান না মূল গ্রাহক।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ঝুঁকির মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো:
বিনা মূল্যের ভিপিএন:
যা ব্যবহারকারীকে প্রাইভেসির প্রলোভন দিয়ে উল্টো তার সংযোগটিই উন্মুক্ত করে দেয়।
পাইরেটেড অ্যাপ ও গেম:
প্রিমিয়াম গেম বা মুভি ফ্রিতে দেখার অননুমোদিত অ্যাপ।
সস্তা স্মার্ট ডিভাইস:
নামহীন ব্র্যান্ডের আইপি ক্যামেরা বা রাউটার।
ইন্টারনেট বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান স্পার-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা রাইলি কিলমার সতর্ক করে জানিয়েছেন, যদি আপনার আইপি ঠিকানা কোনো সন্দেহজনক অপরাধের সাথে যুক্ত হয়ে যায়, তবে আপনি আইনি জটিলতায়ও পড়তে পারেন।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা আপনার ঘরকে এই অদৃশ্য সাইবার হামলা থেকে রক্ষা করতে কিছু জরুরি পরামর্শ দিয়েছেন:
অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ডিলিট:
ফোনের বিনা মূল্যের ভিপিএন, সন্দেহজনক গেম বা স্ট্রিমিং অ্যাপগুলো দ্রুত পর্যালোচনা করুন এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ মুছে ফেলুন।
নেটওয়ার্ক মনিটরিং:
আপনার রাউটার বা নেটওয়ার্কে কোনো অস্বাভাবিক ট্রাফিক বা অপরিচিত ডিভাইসের উপস্থিতি আছে কি না তা নিয়মিত পরীক্ষা করুন। প্রয়োজনে ‘রেসিডেনশিয়াল প্রক্সি’ সফটওয়্যার শনাক্তকারী টুল ব্যবহার করুন।
সফটওয়্যার আপডেট:
রাউটারসহ আপনার ব্যবহৃত প্রতিটি স্মার্ট ডিভাইসের সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার সব সময় আপ-টু-ডেট রাখুন।
বিশ্বস্ত উৎস:
অ্যাপ ডাউনলোডের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র গুগল প্লে-স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোরের মতো নির্ভরযোগ্য উৎস ব্যবহার করুন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইন্টারনেটে কোনো কিছু ‘পুরোপুরি ফ্রি’ পাওয়ার অর্থ হতে পারে আপনি নিজেই কোনো পণ্যে পরিণত হচ্ছেন। তাই সস্তা প্রযুক্তিপণ্য কেনা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতনতাই এখন সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা।
/এসবি/




