সাকিবকে মামলা থেকে বাদ দিতে ১ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছিল
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

সাকিবকে মামলা থেকে বাদ দিতে ১ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছিল
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ১৫: ৪৬

সাকিব আল হাসান।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আর দেশে ফেরেননি আওয়ামী লিগের টিকিট নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। বর্তমানে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করা সাকিবের মাথার ওপর ঝুলছে তিনটি মামলা। এর মধ্যে হত্যা মামলাও আছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বসেই আইনজীবীর মাধ্যমে ঢাকায় মামলাগুলো চালাচ্ছেন সাকিব। এর মধ্যেই শোনা গেছে, মামলা থেকে সাকিবের নাম তুলে নেওয়ার জন্য বড় অঙ্কের টাকা দাবি করেছিল একটি পক্ষ। সম্প্রতি প্রথম আলো পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে কথা বলেছেন সাকিব।
বিশ্বের সাবেক এক নম্বর অলরাউন্ডার বলেন, ‘এ রকম একটা প্রস্তাব আমার কাছে এসেছে যে এই টাকা দিলে মামলা ইয়ে করে দেবে…। বলেছে যে এক কোটি টাকা দিলে আমার নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে। তবে যে বা যারা টাকাটা দাবি করছে, তাদের ধারণা নেই যে কেসটা যেহেতু করে ফেলেছে, এখন চাইলেও তারা নাম ওঠাতে পারবে না। বা তারা ওঠালেও পুলিশ যে ওঠাবে বিষয়টা তা না। আলটিমেটলি পুলিশের থেকেই এটার ক্লিয়ারেন্স আসতে হবে যে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।’
প্রস্তাবটা কারা দিয়েছিল এবং তার উত্তরে সাকিবই বা কী বলেছিলেন। সম্পূরক এই প্রশ্নের উত্তরে বাংলাদেশের অলরাউন্ডার বলেন, ‘এফআইআরে বাদীপক্ষে যার নাম আছে যোগাযোগ করার জন্য, তিনি দু-একজনের মাধ্যমে যোগাযোগটা করেছেন। কাদের মাধ্যমে, আমি তাদের নাম বলতে চাচ্ছি না।’
যারা টাকা চেয়েছিলেন, সাকিব তাদের পাল্টা প্রশ্ন করেছিলেন এভাবে, ‘এসব টাকা দিয়ে কেন করতে হবে ভাই? টাকা দেওয়া মানে তো হচ্ছে আমার সমস্যা আছে, আমি চাচ্ছি যে আমাকে এখান থেকে বাঁচিয়ে দেওয়া হোক।’
সাকিব এরপর যোগ করেন, ‘হতে পারে তারা ভেবেছে আমার কাছে অনেক বেশি টাকা, চাইলেই হলো।’

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আর দেশে ফেরেননি আওয়ামী লিগের টিকিট নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। বর্তমানে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করা সাকিবের মাথার ওপর ঝুলছে তিনটি মামলা। এর মধ্যে হত্যা মামলাও আছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বসেই আইনজীবীর মাধ্যমে ঢাকায় মামলাগুলো চালাচ্ছেন সাকিব। এর মধ্যেই শোনা গেছে, মামলা থেকে সাকিবের নাম তুলে নেওয়ার জন্য বড় অঙ্কের টাকা দাবি করেছিল একটি পক্ষ। সম্প্রতি প্রথম আলো পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে কথা বলেছেন সাকিব।
বিশ্বের সাবেক এক নম্বর অলরাউন্ডার বলেন, ‘এ রকম একটা প্রস্তাব আমার কাছে এসেছে যে এই টাকা দিলে মামলা ইয়ে করে দেবে…। বলেছে যে এক কোটি টাকা দিলে আমার নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে। তবে যে বা যারা টাকাটা দাবি করছে, তাদের ধারণা নেই যে কেসটা যেহেতু করে ফেলেছে, এখন চাইলেও তারা নাম ওঠাতে পারবে না। বা তারা ওঠালেও পুলিশ যে ওঠাবে বিষয়টা তা না। আলটিমেটলি পুলিশের থেকেই এটার ক্লিয়ারেন্স আসতে হবে যে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।’
প্রস্তাবটা কারা দিয়েছিল এবং তার উত্তরে সাকিবই বা কী বলেছিলেন। সম্পূরক এই প্রশ্নের উত্তরে বাংলাদেশের অলরাউন্ডার বলেন, ‘এফআইআরে বাদীপক্ষে যার নাম আছে যোগাযোগ করার জন্য, তিনি দু-একজনের মাধ্যমে যোগাযোগটা করেছেন। কাদের মাধ্যমে, আমি তাদের নাম বলতে চাচ্ছি না।’
যারা টাকা চেয়েছিলেন, সাকিব তাদের পাল্টা প্রশ্ন করেছিলেন এভাবে, ‘এসব টাকা দিয়ে কেন করতে হবে ভাই? টাকা দেওয়া মানে তো হচ্ছে আমার সমস্যা আছে, আমি চাচ্ছি যে আমাকে এখান থেকে বাঁচিয়ে দেওয়া হোক।’
সাকিব এরপর যোগ করেন, ‘হতে পারে তারা ভেবেছে আমার কাছে অনেক বেশি টাকা, চাইলেই হলো।’

সাকিবকে মামলা থেকে বাদ দিতে ১ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছিল
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ১৫: ৪৬

সাকিব আল হাসান।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আর দেশে ফেরেননি আওয়ামী লিগের টিকিট নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। বর্তমানে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করা সাকিবের মাথার ওপর ঝুলছে তিনটি মামলা। এর মধ্যে হত্যা মামলাও আছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বসেই আইনজীবীর মাধ্যমে ঢাকায় মামলাগুলো চালাচ্ছেন সাকিব। এর মধ্যেই শোনা গেছে, মামলা থেকে সাকিবের নাম তুলে নেওয়ার জন্য বড় অঙ্কের টাকা দাবি করেছিল একটি পক্ষ। সম্প্রতি প্রথম আলো পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে কথা বলেছেন সাকিব।
বিশ্বের সাবেক এক নম্বর অলরাউন্ডার বলেন, ‘এ রকম একটা প্রস্তাব আমার কাছে এসেছে যে এই টাকা দিলে মামলা ইয়ে করে দেবে…। বলেছে যে এক কোটি টাকা দিলে আমার নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে। তবে যে বা যারা টাকাটা দাবি করছে, তাদের ধারণা নেই যে কেসটা যেহেতু করে ফেলেছে, এখন চাইলেও তারা নাম ওঠাতে পারবে না। বা তারা ওঠালেও পুলিশ যে ওঠাবে বিষয়টা তা না। আলটিমেটলি পুলিশের থেকেই এটার ক্লিয়ারেন্স আসতে হবে যে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।’
প্রস্তাবটা কারা দিয়েছিল এবং তার উত্তরে সাকিবই বা কী বলেছিলেন। সম্পূরক এই প্রশ্নের উত্তরে বাংলাদেশের অলরাউন্ডার বলেন, ‘এফআইআরে বাদীপক্ষে যার নাম আছে যোগাযোগ করার জন্য, তিনি দু-একজনের মাধ্যমে যোগাযোগটা করেছেন। কাদের মাধ্যমে, আমি তাদের নাম বলতে চাচ্ছি না।’
যারা টাকা চেয়েছিলেন, সাকিব তাদের পাল্টা প্রশ্ন করেছিলেন এভাবে, ‘এসব টাকা দিয়ে কেন করতে হবে ভাই? টাকা দেওয়া মানে তো হচ্ছে আমার সমস্যা আছে, আমি চাচ্ছি যে আমাকে এখান থেকে বাঁচিয়ে দেওয়া হোক।’
সাকিব এরপর যোগ করেন, ‘হতে পারে তারা ভেবেছে আমার কাছে অনেক বেশি টাকা, চাইলেই হলো।’
/আরএ/

চলতি বছরেই দেশে ফিরছেন সাকিব


