চট্টগ্রামে এনসিপির নতুন কমিটি ঘোষণার দেড় ঘণ্টার মধ্যেই গণপদত্যাগের ডাক
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামে এনসিপির নতুন কমিটি ঘোষণার দেড় ঘণ্টার মধ্যেই গণপদত্যাগের ডাক
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ০৯: ৫০

ছবি: সিটিজেন গ্রাফিক্স
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মকাণ্ড গতিশীল ও তরান্বিত করতে চট্টগ্রাম মহানগর শাখার নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ১৬৯ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। রাতে দলটির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এই কমিটির সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হয়।
কমিটিতে মীর মোহাম্মদ শোয়াইবকে আহ্বায়ক, জাফর আহমদ চৌধুরী ও জসিম উদ্দিন ওপেলকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। এই কমিটির মেয়াদ থাকবে ৬ মাস।
তবে এই কমিটিকে কেন্দ্র করে দলের একাংশের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কমিটি ঘোষণার দেড় ঘণ্টার মধ্যেই এর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক ত্যাগী নেতা। তারা নবগঠিত কমিটিকে ‘পকেট কমিটি’ আখ্যা দিয়ে গণপদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে তারা। সেখানে কমিটির বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সদ্য ঘোষিত কমিটিতে দপ্তর সম্পাদকের পদ পেয়েছেন মোহাম্মদ রাফসানজানি। তিনি এই কমিটির বিরোধিতা করেছেন। তার অভিযোগ, আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর ফলে চট্টগ্রাম মহানগরে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে অভিমত দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে দপ্তর সম্পাদক হিসেবে এটিই তার প্রথম ও শেষ সংবাদ সম্মেলন হবে বলে উল্লেখ করেন রাফসান।
আরাফাত আহমেদ রনি নামের এক কর্মী অভিযোগ করেন, দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। দলের শুরু থেকে সক্রিয় থাকলেও তাকে কমিটিতে রাখা হয়নি বলে জানান তিনি। আরাফাতের দাবি, বর্তমান কমিটির ৭০ শতাংশ সদস্যই নতুন এবং অনেককে কক্সবাজার থেকে এনে এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় যোগ্যদের বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে পদ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যেও নিজের লক্ষ্য স্থির রাখার ঘোষণা দিয়েছেন নতুন কমিটির সদস্য সচিব আরিফ মঈনুদ্দিন। তিনি বলেন, পুরনো জরাজীর্ণ ব্যবস্থা ভেঙে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে প্রতিশ্রুতি এনসিপি দিয়েছে, তা বাস্তবায়নে তিনি কাজ করতে চান। এজন্য সকলের সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেছেন চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্য সচিব।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মকাণ্ড গতিশীল ও তরান্বিত করতে চট্টগ্রাম মহানগর শাখার নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ১৬৯ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। রাতে দলটির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এই কমিটির সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হয়।
কমিটিতে মীর মোহাম্মদ শোয়াইবকে আহ্বায়ক, জাফর আহমদ চৌধুরী ও জসিম উদ্দিন ওপেলকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। এই কমিটির মেয়াদ থাকবে ৬ মাস।
তবে এই কমিটিকে কেন্দ্র করে দলের একাংশের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কমিটি ঘোষণার দেড় ঘণ্টার মধ্যেই এর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক ত্যাগী নেতা। তারা নবগঠিত কমিটিকে ‘পকেট কমিটি’ আখ্যা দিয়ে গণপদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে তারা। সেখানে কমিটির বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সদ্য ঘোষিত কমিটিতে দপ্তর সম্পাদকের পদ পেয়েছেন মোহাম্মদ রাফসানজানি। তিনি এই কমিটির বিরোধিতা করেছেন। তার অভিযোগ, আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর ফলে চট্টগ্রাম মহানগরে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে অভিমত দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে দপ্তর সম্পাদক হিসেবে এটিই তার প্রথম ও শেষ সংবাদ সম্মেলন হবে বলে উল্লেখ করেন রাফসান।
আরাফাত আহমেদ রনি নামের এক কর্মী অভিযোগ করেন, দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। দলের শুরু থেকে সক্রিয় থাকলেও তাকে কমিটিতে রাখা হয়নি বলে জানান তিনি। আরাফাতের দাবি, বর্তমান কমিটির ৭০ শতাংশ সদস্যই নতুন এবং অনেককে কক্সবাজার থেকে এনে এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় যোগ্যদের বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে পদ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যেও নিজের লক্ষ্য স্থির রাখার ঘোষণা দিয়েছেন নতুন কমিটির সদস্য সচিব আরিফ মঈনুদ্দিন। তিনি বলেন, পুরনো জরাজীর্ণ ব্যবস্থা ভেঙে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে প্রতিশ্রুতি এনসিপি দিয়েছে, তা বাস্তবায়নে তিনি কাজ করতে চান। এজন্য সকলের সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেছেন চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্য সচিব।

চট্টগ্রামে এনসিপির নতুন কমিটি ঘোষণার দেড় ঘণ্টার মধ্যেই গণপদত্যাগের ডাক
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ০৯: ৫০

ছবি: সিটিজেন গ্রাফিক্স
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মকাণ্ড গতিশীল ও তরান্বিত করতে চট্টগ্রাম মহানগর শাখার নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ১৬৯ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। রাতে দলটির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এই কমিটির সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হয়।
কমিটিতে মীর মোহাম্মদ শোয়াইবকে আহ্বায়ক, জাফর আহমদ চৌধুরী ও জসিম উদ্দিন ওপেলকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। এই কমিটির মেয়াদ থাকবে ৬ মাস।
তবে এই কমিটিকে কেন্দ্র করে দলের একাংশের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কমিটি ঘোষণার দেড় ঘণ্টার মধ্যেই এর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক ত্যাগী নেতা। তারা নবগঠিত কমিটিকে ‘পকেট কমিটি’ আখ্যা দিয়ে গণপদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে তারা। সেখানে কমিটির বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সদ্য ঘোষিত কমিটিতে দপ্তর সম্পাদকের পদ পেয়েছেন মোহাম্মদ রাফসানজানি। তিনি এই কমিটির বিরোধিতা করেছেন। তার অভিযোগ, আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর ফলে চট্টগ্রাম মহানগরে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে অভিমত দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে দপ্তর সম্পাদক হিসেবে এটিই তার প্রথম ও শেষ সংবাদ সম্মেলন হবে বলে উল্লেখ করেন রাফসান।
আরাফাত আহমেদ রনি নামের এক কর্মী অভিযোগ করেন, দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। দলের শুরু থেকে সক্রিয় থাকলেও তাকে কমিটিতে রাখা হয়নি বলে জানান তিনি। আরাফাতের দাবি, বর্তমান কমিটির ৭০ শতাংশ সদস্যই নতুন এবং অনেককে কক্সবাজার থেকে এনে এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় যোগ্যদের বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে পদ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যেও নিজের লক্ষ্য স্থির রাখার ঘোষণা দিয়েছেন নতুন কমিটির সদস্য সচিব আরিফ মঈনুদ্দিন। তিনি বলেন, পুরনো জরাজীর্ণ ব্যবস্থা ভেঙে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে প্রতিশ্রুতি এনসিপি দিয়েছে, তা বাস্তবায়নে তিনি কাজ করতে চান। এজন্য সকলের সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেছেন চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্য সচিব।
/জেএইচ/

এনসিপির মাধ্যমেই বাংলাদেশের মানুষের মুক্তি মিলবে: ইসহাক সরকার


