পদ্মা সেতুর ব্যয় আরও কমানো সম্ভব ছিল: সেতুমন্ত্রী
সিটিজেন ডেস্ক

পদ্মা সেতুর ব্যয় আরও কমানো সম্ভব ছিল: সেতুমন্ত্রী
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১৮: ৩২

সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: সংগৃহীত
মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, পদ্মা সেতু নির্মাণে ব্যয় আরও কমানো সম্ভব ছিল এবং পুরো প্রক্রিয়াটি আরও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করা যেত।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতু এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পদ্মা সেতু জাদুঘরের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। পরে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সেতুমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘দেশ থেকে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। একই সঙ্গে ২০ লাখ কোটি টাকার বেশি বৈদেশিক ঋণের বোঝা রেখে যাওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হচ্ছে।’
শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, ‘১৬টি মেগা প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও কাজ শেষ হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে ঠিকাদার কাজ ফেলে পালিয়ে গেছে। ফলে প্রকল্পগুলো নতুন করে শুরু করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।’
বিদেশি উন্নয়ন সহযোগীদের অনীহার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছরের দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোও এখন বড় প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ হারাচ্ছে। অথচ একসময় তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতা করতে আগ্রহী ছিল।
পদ্মা সেতুর পরিকল্পনা প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, ২০০২ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে খালেদা জিয়ার সরকারের সময় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) সম্পন্ন হয়। সেই সময় মাওয়া এলাকায় সেতুর অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরবর্তী সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করলেও সেখানে ব্যাপক দুর্নীতি ও অর্থের অপচয় হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত পদ্মা সেতু নির্মাণ হওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
যারা পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থ অপচয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘এই সরকার শুধু আনুষ্ঠানিকতা পালনের জন্য কাজ করবে না। আমরা টেকসই উন্নয়ন ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’
অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগের নির্বাহী পরিচালক ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ সভাপতিত্ব করেন। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক সরদার এ কে এম নাসিরউদ্দিন, জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ শরীফ-উজ-জামানসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এদিকে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজার পাশে একটি আধুনিক জাদুঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য চারতলা ভবনে গড়ে তোলা হবে এই জাদুঘর। এখানে পদ্মা সেতুর ইতিহাস, নির্মাণপ্রক্রিয়া, গবেষণাসামগ্রী এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক নিদর্শন সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে।
জাদুঘরটি গবেষক, শিক্ষার্থী, পর্যটক ও সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য আধুনিক জ্ঞানকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে সংগৃহীত নমুনাগুলো মাওয়া প্রান্তের সার্ভিস এরিয়া-১-এ অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬৩৬ প্রজাতির মোট ২ হাজার ৪৩১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন প্রাণীর নমুনা, মাছ ধরার সরঞ্জাম, নৌযানের উপকরণ, নির্মাণসামগ্রী এবং পদ্মা সেতুর বিভিন্ন মডেল।

মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, পদ্মা সেতু নির্মাণে ব্যয় আরও কমানো সম্ভব ছিল এবং পুরো প্রক্রিয়াটি আরও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করা যেত।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতু এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পদ্মা সেতু জাদুঘরের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। পরে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সেতুমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘দেশ থেকে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। একই সঙ্গে ২০ লাখ কোটি টাকার বেশি বৈদেশিক ঋণের বোঝা রেখে যাওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হচ্ছে।’
শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, ‘১৬টি মেগা প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও কাজ শেষ হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে ঠিকাদার কাজ ফেলে পালিয়ে গেছে। ফলে প্রকল্পগুলো নতুন করে শুরু করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।’
বিদেশি উন্নয়ন সহযোগীদের অনীহার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছরের দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোও এখন বড় প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ হারাচ্ছে। অথচ একসময় তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতা করতে আগ্রহী ছিল।
পদ্মা সেতুর পরিকল্পনা প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, ২০০২ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে খালেদা জিয়ার সরকারের সময় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) সম্পন্ন হয়। সেই সময় মাওয়া এলাকায় সেতুর অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরবর্তী সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করলেও সেখানে ব্যাপক দুর্নীতি ও অর্থের অপচয় হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত পদ্মা সেতু নির্মাণ হওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
যারা পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থ অপচয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘এই সরকার শুধু আনুষ্ঠানিকতা পালনের জন্য কাজ করবে না। আমরা টেকসই উন্নয়ন ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’
অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগের নির্বাহী পরিচালক ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ সভাপতিত্ব করেন। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক সরদার এ কে এম নাসিরউদ্দিন, জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ শরীফ-উজ-জামানসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এদিকে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজার পাশে একটি আধুনিক জাদুঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য চারতলা ভবনে গড়ে তোলা হবে এই জাদুঘর। এখানে পদ্মা সেতুর ইতিহাস, নির্মাণপ্রক্রিয়া, গবেষণাসামগ্রী এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক নিদর্শন সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে।
জাদুঘরটি গবেষক, শিক্ষার্থী, পর্যটক ও সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য আধুনিক জ্ঞানকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে সংগৃহীত নমুনাগুলো মাওয়া প্রান্তের সার্ভিস এরিয়া-১-এ অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬৩৬ প্রজাতির মোট ২ হাজার ৪৩১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন প্রাণীর নমুনা, মাছ ধরার সরঞ্জাম, নৌযানের উপকরণ, নির্মাণসামগ্রী এবং পদ্মা সেতুর বিভিন্ন মডেল।

পদ্মা সেতুর ব্যয় আরও কমানো সম্ভব ছিল: সেতুমন্ত্রী
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১৮: ৩২

সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: সংগৃহীত
মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, পদ্মা সেতু নির্মাণে ব্যয় আরও কমানো সম্ভব ছিল এবং পুরো প্রক্রিয়াটি আরও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করা যেত।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতু এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পদ্মা সেতু জাদুঘরের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। পরে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সেতুমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘দেশ থেকে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। একই সঙ্গে ২০ লাখ কোটি টাকার বেশি বৈদেশিক ঋণের বোঝা রেখে যাওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হচ্ছে।’
শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, ‘১৬টি মেগা প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও কাজ শেষ হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে ঠিকাদার কাজ ফেলে পালিয়ে গেছে। ফলে প্রকল্পগুলো নতুন করে শুরু করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।’
বিদেশি উন্নয়ন সহযোগীদের অনীহার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছরের দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোও এখন বড় প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ হারাচ্ছে। অথচ একসময় তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতা করতে আগ্রহী ছিল।
পদ্মা সেতুর পরিকল্পনা প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, ২০০২ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে খালেদা জিয়ার সরকারের সময় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) সম্পন্ন হয়। সেই সময় মাওয়া এলাকায় সেতুর অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরবর্তী সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করলেও সেখানে ব্যাপক দুর্নীতি ও অর্থের অপচয় হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত পদ্মা সেতু নির্মাণ হওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
যারা পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থ অপচয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘এই সরকার শুধু আনুষ্ঠানিকতা পালনের জন্য কাজ করবে না। আমরা টেকসই উন্নয়ন ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’
অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগের নির্বাহী পরিচালক ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ সভাপতিত্ব করেন। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক সরদার এ কে এম নাসিরউদ্দিন, জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ শরীফ-উজ-জামানসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এদিকে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজার পাশে একটি আধুনিক জাদুঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য চারতলা ভবনে গড়ে তোলা হবে এই জাদুঘর। এখানে পদ্মা সেতুর ইতিহাস, নির্মাণপ্রক্রিয়া, গবেষণাসামগ্রী এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক নিদর্শন সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে।
জাদুঘরটি গবেষক, শিক্ষার্থী, পর্যটক ও সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য আধুনিক জ্ঞানকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে সংগৃহীত নমুনাগুলো মাওয়া প্রান্তের সার্ভিস এরিয়া-১-এ অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬৩৬ প্রজাতির মোট ২ হাজার ৪৩১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন প্রাণীর নমুনা, মাছ ধরার সরঞ্জাম, নৌযানের উপকরণ, নির্মাণসামগ্রী এবং পদ্মা সেতুর বিভিন্ন মডেল।
/এমআর/




