প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ হলো ‘বালিশ কাণ্ড’ দুর্নীতির প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ হলো ‘বালিশ কাণ্ড’ দুর্নীতির প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ২২: ০৪

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আলোচিত ‘বালিশ কাণ্ড’সংক্রান্ত দুর্নীতির প্রতিবেদন পেশ করা হয়েছে। ছবি: পিএমও
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আলোচিত ‘বালিশ কাণ্ড’ সংক্রান্ত দুর্নীতির প্রতিবেদন পেশ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করা সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার মোট ৩৮টি অডিট রিপোর্টের মধ্যে এ রিপোর্টটিও স্থান পায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।
তিনি জানান, দেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার অডিট রিপোর্ট পেশ করেছেন, যার মধ্যে ‘বালিশ কাণ্ড’-এর তদন্ত প্রতিবেদনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রতিটি বালিশের অস্বাভাবিক মূল্য শুনে প্রধানমন্ত্রী এমন দামি বালিশের একটি জাদুঘরে সংরক্ষণ করা উচিত বলে মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ২০২১-২২ অর্থবছরের অডিট রিপোর্ট পেশ করেন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে দৈনিক দেশ রূপান্তরে "কেনা-তোলায় এত ঝাঁজ" শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ‘গ্রিন সিটি’ আবাসিক ভবনের জন্য আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী ক্রয়ে অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে, যা ‘বালিশ কাণ্ড’ নামে ব্যাপক আলোচিত হয়। এ ঘটনার পর সরকার তদন্ত কমিটি গঠন করে। সরকারের গঠিত তিনটি তদন্ত কমিটিতে এর সত্যতা প্রমাণিত হয়। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি তৈরি করেন পত্রিকাটির তৎকালীন সিনিয়র রিপোর্টার তোফাজ্জল হোসেন রুবেল। যিনি বর্তমানে সিটিজেন জার্নাল টুয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক।
ওই প্রকল্পে আবাসিক ভবনের জন্য ১৬৯ কোটি টাকার কেনাকাটায় বিভিন্ন পর্যায়ে দুর্নীতি হয়। সেখানে প্রতি বালিশ কিনতে খরচ দেখানো হয় ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর একটি বালিশ আবাসিক ভবনের খাটে তোলার মজুরি দেখানো হয় ৭৬০ টাকা। কভারসহ কমফোর্টারের (লেপ বা কম্বলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত) দাম ধরা হয় ১৬ হাজার ৮০০ টাকা। যদিও এর বাজার মূল্য সাড়ে ৪ হাজার থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ হাজার টাকা ছিল। একইভাবে বিদেশি বিছানার চাদর কেনা হয় ৫ হাজার ৯৩৬ টাকায় যেখানে এর বাজার মূল্য ছিল ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা।
অডিট রিপোর্ট পেশকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, অর্থ সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার, প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আলোচিত ‘বালিশ কাণ্ড’ সংক্রান্ত দুর্নীতির প্রতিবেদন পেশ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করা সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার মোট ৩৮টি অডিট রিপোর্টের মধ্যে এ রিপোর্টটিও স্থান পায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।
তিনি জানান, দেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার অডিট রিপোর্ট পেশ করেছেন, যার মধ্যে ‘বালিশ কাণ্ড’-এর তদন্ত প্রতিবেদনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রতিটি বালিশের অস্বাভাবিক মূল্য শুনে প্রধানমন্ত্রী এমন দামি বালিশের একটি জাদুঘরে সংরক্ষণ করা উচিত বলে মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ২০২১-২২ অর্থবছরের অডিট রিপোর্ট পেশ করেন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে দৈনিক দেশ রূপান্তরে "কেনা-তোলায় এত ঝাঁজ" শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ‘গ্রিন সিটি’ আবাসিক ভবনের জন্য আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী ক্রয়ে অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে, যা ‘বালিশ কাণ্ড’ নামে ব্যাপক আলোচিত হয়। এ ঘটনার পর সরকার তদন্ত কমিটি গঠন করে। সরকারের গঠিত তিনটি তদন্ত কমিটিতে এর সত্যতা প্রমাণিত হয়। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি তৈরি করেন পত্রিকাটির তৎকালীন সিনিয়র রিপোর্টার তোফাজ্জল হোসেন রুবেল। যিনি বর্তমানে সিটিজেন জার্নাল টুয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক।
ওই প্রকল্পে আবাসিক ভবনের জন্য ১৬৯ কোটি টাকার কেনাকাটায় বিভিন্ন পর্যায়ে দুর্নীতি হয়। সেখানে প্রতি বালিশ কিনতে খরচ দেখানো হয় ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর একটি বালিশ আবাসিক ভবনের খাটে তোলার মজুরি দেখানো হয় ৭৬০ টাকা। কভারসহ কমফোর্টারের (লেপ বা কম্বলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত) দাম ধরা হয় ১৬ হাজার ৮০০ টাকা। যদিও এর বাজার মূল্য সাড়ে ৪ হাজার থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ হাজার টাকা ছিল। একইভাবে বিদেশি বিছানার চাদর কেনা হয় ৫ হাজার ৯৩৬ টাকায় যেখানে এর বাজার মূল্য ছিল ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা।
অডিট রিপোর্ট পেশকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, অর্থ সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার, প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ হলো ‘বালিশ কাণ্ড’ দুর্নীতির প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ২২: ০৪

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আলোচিত ‘বালিশ কাণ্ড’সংক্রান্ত দুর্নীতির প্রতিবেদন পেশ করা হয়েছে। ছবি: পিএমও
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আলোচিত ‘বালিশ কাণ্ড’ সংক্রান্ত দুর্নীতির প্রতিবেদন পেশ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করা সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার মোট ৩৮টি অডিট রিপোর্টের মধ্যে এ রিপোর্টটিও স্থান পায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।
তিনি জানান, দেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার অডিট রিপোর্ট পেশ করেছেন, যার মধ্যে ‘বালিশ কাণ্ড’-এর তদন্ত প্রতিবেদনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রতিটি বালিশের অস্বাভাবিক মূল্য শুনে প্রধানমন্ত্রী এমন দামি বালিশের একটি জাদুঘরে সংরক্ষণ করা উচিত বলে মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ২০২১-২২ অর্থবছরের অডিট রিপোর্ট পেশ করেন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে দৈনিক দেশ রূপান্তরে "কেনা-তোলায় এত ঝাঁজ" শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ‘গ্রিন সিটি’ আবাসিক ভবনের জন্য আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী ক্রয়ে অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে, যা ‘বালিশ কাণ্ড’ নামে ব্যাপক আলোচিত হয়। এ ঘটনার পর সরকার তদন্ত কমিটি গঠন করে। সরকারের গঠিত তিনটি তদন্ত কমিটিতে এর সত্যতা প্রমাণিত হয়। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি তৈরি করেন পত্রিকাটির তৎকালীন সিনিয়র রিপোর্টার তোফাজ্জল হোসেন রুবেল। যিনি বর্তমানে সিটিজেন জার্নাল টুয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক।
ওই প্রকল্পে আবাসিক ভবনের জন্য ১৬৯ কোটি টাকার কেনাকাটায় বিভিন্ন পর্যায়ে দুর্নীতি হয়। সেখানে প্রতি বালিশ কিনতে খরচ দেখানো হয় ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর একটি বালিশ আবাসিক ভবনের খাটে তোলার মজুরি দেখানো হয় ৭৬০ টাকা। কভারসহ কমফোর্টারের (লেপ বা কম্বলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত) দাম ধরা হয় ১৬ হাজার ৮০০ টাকা। যদিও এর বাজার মূল্য সাড়ে ৪ হাজার থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ হাজার টাকা ছিল। একইভাবে বিদেশি বিছানার চাদর কেনা হয় ৫ হাজার ৯৩৬ টাকায় যেখানে এর বাজার মূল্য ছিল ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা।
অডিট রিপোর্ট পেশকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, অর্থ সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার, প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
/এমআর/




