পুলিশের প্রতি জনআস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা সরকারের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশের প্রতি জনআস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা সরকারের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই সরকারের অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৯ মে) পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি। বিবৃতিতে বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক, বর্তমান ও অবসরপ্রাপ্ত সব কর্মকর্তা ও সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এতে জনমনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরেছে। জনগণ এখন গুম, অপহরণ ও ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র ও সমাজ প্রত্যাশা করে, যেখানে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে এবং অবিচার, অনাচার বা নির্যাতনের ভয় থাকবে না।
তিনি বলেন, এ ধরনের প্রত্যাশিত পরিস্থিতি বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিশেষ করে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীর কোনো বিকল্প নেই। তবে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে উঠলে দায়িত্ব পালন আরও সহজ ও কার্যকর হয়।
তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও জনগণের আস্থা রক্ষায় একটি পেশাদার ও দায়িত্বশীল পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য। প্রতিবছর পুলিশ সপ্তাহ জনগণের আস্থা অর্জনের নতুন অঙ্গীকারের উপলক্ষ হয়ে উঠুক।
তিনি বলেন, সরকার একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তবে ঘরে-বাইরে জননিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত না হলে সেই লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে। তাই পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এখন অগ্রাধিকার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি সংকটে পুলিশ পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা প্রমাণ করেছে, অনুকূল পরিবেশে তারা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সক্ষম।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশ পুলিশ সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদান বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। তবে পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি।
তারেক রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, অপরাধ দমন এবং জাতীয় অগ্রগতির সঙ্গে পুলিশের উন্নয়ন নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এ কারণে পুলিশের উন্নয়নে বিনিয়োগকে সরকার জননিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা জরুরি। মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং এবং মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের সার্বিক সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি।

পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই সরকারের অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৯ মে) পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি। বিবৃতিতে বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক, বর্তমান ও অবসরপ্রাপ্ত সব কর্মকর্তা ও সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এতে জনমনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরেছে। জনগণ এখন গুম, অপহরণ ও ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র ও সমাজ প্রত্যাশা করে, যেখানে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে এবং অবিচার, অনাচার বা নির্যাতনের ভয় থাকবে না।
তিনি বলেন, এ ধরনের প্রত্যাশিত পরিস্থিতি বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিশেষ করে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীর কোনো বিকল্প নেই। তবে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে উঠলে দায়িত্ব পালন আরও সহজ ও কার্যকর হয়।
তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও জনগণের আস্থা রক্ষায় একটি পেশাদার ও দায়িত্বশীল পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য। প্রতিবছর পুলিশ সপ্তাহ জনগণের আস্থা অর্জনের নতুন অঙ্গীকারের উপলক্ষ হয়ে উঠুক।
তিনি বলেন, সরকার একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তবে ঘরে-বাইরে জননিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত না হলে সেই লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে। তাই পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এখন অগ্রাধিকার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি সংকটে পুলিশ পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা প্রমাণ করেছে, অনুকূল পরিবেশে তারা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সক্ষম।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশ পুলিশ সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদান বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। তবে পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি।
তারেক রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, অপরাধ দমন এবং জাতীয় অগ্রগতির সঙ্গে পুলিশের উন্নয়ন নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এ কারণে পুলিশের উন্নয়নে বিনিয়োগকে সরকার জননিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা জরুরি। মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং এবং মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের সার্বিক সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি।

পুলিশের প্রতি জনআস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা সরকারের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই সরকারের অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৯ মে) পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি। বিবৃতিতে বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক, বর্তমান ও অবসরপ্রাপ্ত সব কর্মকর্তা ও সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এতে জনমনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরেছে। জনগণ এখন গুম, অপহরণ ও ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র ও সমাজ প্রত্যাশা করে, যেখানে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে এবং অবিচার, অনাচার বা নির্যাতনের ভয় থাকবে না।
তিনি বলেন, এ ধরনের প্রত্যাশিত পরিস্থিতি বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিশেষ করে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীর কোনো বিকল্প নেই। তবে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে উঠলে দায়িত্ব পালন আরও সহজ ও কার্যকর হয়।
তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও জনগণের আস্থা রক্ষায় একটি পেশাদার ও দায়িত্বশীল পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য। প্রতিবছর পুলিশ সপ্তাহ জনগণের আস্থা অর্জনের নতুন অঙ্গীকারের উপলক্ষ হয়ে উঠুক।
তিনি বলেন, সরকার একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তবে ঘরে-বাইরে জননিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত না হলে সেই লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে। তাই পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এখন অগ্রাধিকার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি সংকটে পুলিশ পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা প্রমাণ করেছে, অনুকূল পরিবেশে তারা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সক্ষম।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশ পুলিশ সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদান বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। তবে পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি।
তারেক রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, অপরাধ দমন এবং জাতীয় অগ্রগতির সঙ্গে পুলিশের উন্নয়ন নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এ কারণে পুলিশের উন্নয়নে বিনিয়োগকে সরকার জননিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা জরুরি। মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং এবং মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের সার্বিক সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি।

যেকোনো মূল্যে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর


