বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া বাহক পরীক্ষা প্রয়োজন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া বাহক পরীক্ষা প্রয়োজন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

থ্যালাসেমিয়া একটি জন্মগত রক্তস্বল্পতা জনিত জটিল রোগ। যা মূলত তখনই সন্তানের মধ্যে দেখা দেয় যখন স্বামী-স্ত্রী দুজনই এই রোগের বাহক হন। তাই বিয়ের আগে নারী-পুরুষ উভয়ের থ্যালাসেমিয়া বাহক অবস্থা পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর মালিবাগে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন হাসপাতাল আয়োজিত বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস-২০২৬ উপলক্ষে এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। বর্তমান সরকার সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণকে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে কাজ করছে। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধি করে জনগণকে উন্নয়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, আমরা অনেকেই জানি না কে থ্যালাসেমিয়ার বাহক। দেশে প্রতি ৯ জনে ১ জন এই রোগের বাহক এবং প্রতিবছর প্রায় ৮ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্ম নিচ্ছে। এই ভয়াবহতা রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাহিদ হোসেন বলেন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা গেলে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ সম্ভব। এজন্য গণমাধ্যমকে নিয়মিত সচেতনতামূলক কনটেন্ট প্রচারের আহ্বান জানান তিনি।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মনজুর মোরশেদ।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, ফাউন্ডেশনের চিফ মেডিকেল অফিসার ড. সাজিয়া ইসলাম এবং ড. হুমায়ুন কবির।

থ্যালাসেমিয়া একটি জন্মগত রক্তস্বল্পতা জনিত জটিল রোগ। যা মূলত তখনই সন্তানের মধ্যে দেখা দেয় যখন স্বামী-স্ত্রী দুজনই এই রোগের বাহক হন। তাই বিয়ের আগে নারী-পুরুষ উভয়ের থ্যালাসেমিয়া বাহক অবস্থা পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর মালিবাগে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন হাসপাতাল আয়োজিত বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস-২০২৬ উপলক্ষে এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। বর্তমান সরকার সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণকে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে কাজ করছে। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধি করে জনগণকে উন্নয়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, আমরা অনেকেই জানি না কে থ্যালাসেমিয়ার বাহক। দেশে প্রতি ৯ জনে ১ জন এই রোগের বাহক এবং প্রতিবছর প্রায় ৮ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্ম নিচ্ছে। এই ভয়াবহতা রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাহিদ হোসেন বলেন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা গেলে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ সম্ভব। এজন্য গণমাধ্যমকে নিয়মিত সচেতনতামূলক কনটেন্ট প্রচারের আহ্বান জানান তিনি।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মনজুর মোরশেদ।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, ফাউন্ডেশনের চিফ মেডিকেল অফিসার ড. সাজিয়া ইসলাম এবং ড. হুমায়ুন কবির।

বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া বাহক পরীক্ষা প্রয়োজন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

থ্যালাসেমিয়া একটি জন্মগত রক্তস্বল্পতা জনিত জটিল রোগ। যা মূলত তখনই সন্তানের মধ্যে দেখা দেয় যখন স্বামী-স্ত্রী দুজনই এই রোগের বাহক হন। তাই বিয়ের আগে নারী-পুরুষ উভয়ের থ্যালাসেমিয়া বাহক অবস্থা পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর মালিবাগে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন হাসপাতাল আয়োজিত বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস-২০২৬ উপলক্ষে এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। বর্তমান সরকার সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণকে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে কাজ করছে। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধি করে জনগণকে উন্নয়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, আমরা অনেকেই জানি না কে থ্যালাসেমিয়ার বাহক। দেশে প্রতি ৯ জনে ১ জন এই রোগের বাহক এবং প্রতিবছর প্রায় ৮ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্ম নিচ্ছে। এই ভয়াবহতা রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাহিদ হোসেন বলেন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা গেলে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ সম্ভব। এজন্য গণমাধ্যমকে নিয়মিত সচেতনতামূলক কনটেন্ট প্রচারের আহ্বান জানান তিনি।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মনজুর মোরশেদ।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, ফাউন্ডেশনের চিফ মেডিকেল অফিসার ড. সাজিয়া ইসলাম এবং ড. হুমায়ুন কবির।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে মাদক পাচার রোধে সমঝোতা স্বাক্ষর


