যুদ্ধবিরতির পরও বিশ্ববাজারে বাড়লো তেলের দাম

যুদ্ধবিরতির পরও বিশ্ববাজারে বাড়লো তেলের দাম
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সাথে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ধীরগতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে মার্কিন তেলের বাজারে এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। মার্কিন তেলের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই-এর দাম সাম্প্রতিক লেনদেনে ৫.৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৯৯.৬১ ডলারে দাঁড়িয়েছে এবং লেনদেনের এক পর্যায়ে তা ১০০.২৯ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এই প্রথম তেলের বাজার আবারও তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছাল।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বুধবার (৮ এপ্রিল) তেলের দামে নজিরবিহীন ধসের পর বৃহস্পতিবারের এ বৃদ্ধি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। উল্লেখ্য, বুধবার মার্কিন তেলের দাম ১৬ শতাংশ বা ব্যারেল প্রতি ১৮.৫৪ ডলার কমে গিয়েছিল, যা ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে ফিউচার ট্রেডিং শুরু হওয়ার পর থেকে এক দিনে তেলের দামের সবচেয়ে বড় পতন। শতাংশের হিসাবে এটি ছিল ২০২০ সালের কোভিড-১৯ মহামারীর পর সর্বোচ্চ দরপতন।
মূলত হরমুজ প্রণালিতে যানজট ও জাহাজ চলাচলে ধীরগতি নিয়ে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার উদ্বেগের কারণেই তেলের বাজারে এই সরাসরি প্রভাব পড়ছে। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, যুদ্ধবিরতি হলেও এ রুট দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানি তেলের বাজার অস্থিতিশীল থাকতে পারে।
সূত্র: সিএনএন

ইরানের সাথে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ধীরগতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে মার্কিন তেলের বাজারে এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। মার্কিন তেলের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই-এর দাম সাম্প্রতিক লেনদেনে ৫.৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৯৯.৬১ ডলারে দাঁড়িয়েছে এবং লেনদেনের এক পর্যায়ে তা ১০০.২৯ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এই প্রথম তেলের বাজার আবারও তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছাল।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বুধবার (৮ এপ্রিল) তেলের দামে নজিরবিহীন ধসের পর বৃহস্পতিবারের এ বৃদ্ধি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। উল্লেখ্য, বুধবার মার্কিন তেলের দাম ১৬ শতাংশ বা ব্যারেল প্রতি ১৮.৫৪ ডলার কমে গিয়েছিল, যা ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে ফিউচার ট্রেডিং শুরু হওয়ার পর থেকে এক দিনে তেলের দামের সবচেয়ে বড় পতন। শতাংশের হিসাবে এটি ছিল ২০২০ সালের কোভিড-১৯ মহামারীর পর সর্বোচ্চ দরপতন।
মূলত হরমুজ প্রণালিতে যানজট ও জাহাজ চলাচলে ধীরগতি নিয়ে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার উদ্বেগের কারণেই তেলের বাজারে এই সরাসরি প্রভাব পড়ছে। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, যুদ্ধবিরতি হলেও এ রুট দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানি তেলের বাজার অস্থিতিশীল থাকতে পারে।
সূত্র: সিএনএন

যুদ্ধবিরতির পরও বিশ্ববাজারে বাড়লো তেলের দাম
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সাথে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ধীরগতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে মার্কিন তেলের বাজারে এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। মার্কিন তেলের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই-এর দাম সাম্প্রতিক লেনদেনে ৫.৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৯৯.৬১ ডলারে দাঁড়িয়েছে এবং লেনদেনের এক পর্যায়ে তা ১০০.২৯ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এই প্রথম তেলের বাজার আবারও তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছাল।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বুধবার (৮ এপ্রিল) তেলের দামে নজিরবিহীন ধসের পর বৃহস্পতিবারের এ বৃদ্ধি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। উল্লেখ্য, বুধবার মার্কিন তেলের দাম ১৬ শতাংশ বা ব্যারেল প্রতি ১৮.৫৪ ডলার কমে গিয়েছিল, যা ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে ফিউচার ট্রেডিং শুরু হওয়ার পর থেকে এক দিনে তেলের দামের সবচেয়ে বড় পতন। শতাংশের হিসাবে এটি ছিল ২০২০ সালের কোভিড-১৯ মহামারীর পর সর্বোচ্চ দরপতন।
মূলত হরমুজ প্রণালিতে যানজট ও জাহাজ চলাচলে ধীরগতি নিয়ে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার উদ্বেগের কারণেই তেলের বাজারে এই সরাসরি প্রভাব পড়ছে। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, যুদ্ধবিরতি হলেও এ রুট দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানি তেলের বাজার অস্থিতিশীল থাকতে পারে।
সূত্র: সিএনএন

লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুদ্ধবিরতি হবে না: ইরান


