এক্সপ্লেইনার
যুদ্ধবিরতিতে লেবাননে স্বস্তি ফিরলেও শঙ্কা কাটেনি

যুদ্ধবিরতিতে লেবাননে স্বস্তি ফিরলেও শঙ্কা কাটেনি
সিটিজেন ডেস্ক

সম্প্রতি লেবাননে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি দীর্ঘদিনের সংঘাতে ক্লান্ত মানুষের জীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। বিশেষ করে যেসব জনগোষ্ঠী সরাসরি সংঘাতের শিকার হয়েছে, তাদের মধ্যে এই বিরতি তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরাক, সিরিয়া ও লেবানন বিষয়ক প্রকল্প পরিচালক হেইকো উইমেন বলেন, কয়েক মাসের টানা সংঘাতে বিধ্বস্ত জনগণের জন্য এই যুদ্ধবিরতি ‘অত্যন্ত প্রয়োজনীয় স্বস্তি’ এনে দিয়েছে।
তার মতে, বিশেষ করে শিয়া সম্প্রদায়ের বহু মানুষ, যারা সংঘাতের কারণে ঘরবাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন, তারা এখন কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। যুদ্ধবিরতির পর এসব বাস্তুচ্যুত মানুষের অনেকেই নিজ নিজ এলাকায় ফিরতে শুরু করেছেন।
তবে স্বস্তির এই অনুভূতি সবার মধ্যে সমানভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে না। উইমেনের ভাষ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ—যাদের বেশিরভাগই শিয়া—উৎসাহ ও কখনো কখনো বিজয়ের অনুভূতি নিয়ে ঘরে ফিরছেন। কিন্তু যারা হিজবুল্লাহবিরোধী, তাদের মধ্যে স্বস্তির পাশাপাশি উদ্বেগও রয়েছে—এই যুদ্ধবিরতি দলটিকে নতুন করে শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ করে দিতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতি হিজবুল্লাহকে আঞ্চলিক সংঘাত থেকে দূরে রাখবে—এমন নিশ্চয়তা এখনো নেই।
এদিকে, আরও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ইসরায়েল ও লেবানন ১০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে। এই যুদ্ধবিরতি আসে প্রায় ছয় সপ্তাহের তীব্র লড়াইয়ের পর, যা অঞ্চলটিকে গভীর সংকটে ফেলে দেয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণায় কার্যকর হওয়া এই যুদ্ধবিরতির আগে ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে অন্তত ২,১৯৬ জন নিহত হন এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হন।
তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে। শুক্রবার সকালে লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী একাধিকবার এই যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে, যা পরিস্থিতিকে আবারও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

সম্প্রতি লেবাননে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি দীর্ঘদিনের সংঘাতে ক্লান্ত মানুষের জীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। বিশেষ করে যেসব জনগোষ্ঠী সরাসরি সংঘাতের শিকার হয়েছে, তাদের মধ্যে এই বিরতি তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরাক, সিরিয়া ও লেবানন বিষয়ক প্রকল্প পরিচালক হেইকো উইমেন বলেন, কয়েক মাসের টানা সংঘাতে বিধ্বস্ত জনগণের জন্য এই যুদ্ধবিরতি ‘অত্যন্ত প্রয়োজনীয় স্বস্তি’ এনে দিয়েছে।
তার মতে, বিশেষ করে শিয়া সম্প্রদায়ের বহু মানুষ, যারা সংঘাতের কারণে ঘরবাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন, তারা এখন কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। যুদ্ধবিরতির পর এসব বাস্তুচ্যুত মানুষের অনেকেই নিজ নিজ এলাকায় ফিরতে শুরু করেছেন।
তবে স্বস্তির এই অনুভূতি সবার মধ্যে সমানভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে না। উইমেনের ভাষ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ—যাদের বেশিরভাগই শিয়া—উৎসাহ ও কখনো কখনো বিজয়ের অনুভূতি নিয়ে ঘরে ফিরছেন। কিন্তু যারা হিজবুল্লাহবিরোধী, তাদের মধ্যে স্বস্তির পাশাপাশি উদ্বেগও রয়েছে—এই যুদ্ধবিরতি দলটিকে নতুন করে শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ করে দিতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতি হিজবুল্লাহকে আঞ্চলিক সংঘাত থেকে দূরে রাখবে—এমন নিশ্চয়তা এখনো নেই।
এদিকে, আরও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ইসরায়েল ও লেবানন ১০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে। এই যুদ্ধবিরতি আসে প্রায় ছয় সপ্তাহের তীব্র লড়াইয়ের পর, যা অঞ্চলটিকে গভীর সংকটে ফেলে দেয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণায় কার্যকর হওয়া এই যুদ্ধবিরতির আগে ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে অন্তত ২,১৯৬ জন নিহত হন এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হন।
তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে। শুক্রবার সকালে লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী একাধিকবার এই যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে, যা পরিস্থিতিকে আবারও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

যুদ্ধবিরতিতে লেবাননে স্বস্তি ফিরলেও শঙ্কা কাটেনি
সিটিজেন ডেস্ক

সম্প্রতি লেবাননে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি দীর্ঘদিনের সংঘাতে ক্লান্ত মানুষের জীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। বিশেষ করে যেসব জনগোষ্ঠী সরাসরি সংঘাতের শিকার হয়েছে, তাদের মধ্যে এই বিরতি তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরাক, সিরিয়া ও লেবানন বিষয়ক প্রকল্প পরিচালক হেইকো উইমেন বলেন, কয়েক মাসের টানা সংঘাতে বিধ্বস্ত জনগণের জন্য এই যুদ্ধবিরতি ‘অত্যন্ত প্রয়োজনীয় স্বস্তি’ এনে দিয়েছে।
তার মতে, বিশেষ করে শিয়া সম্প্রদায়ের বহু মানুষ, যারা সংঘাতের কারণে ঘরবাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন, তারা এখন কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। যুদ্ধবিরতির পর এসব বাস্তুচ্যুত মানুষের অনেকেই নিজ নিজ এলাকায় ফিরতে শুরু করেছেন।
তবে স্বস্তির এই অনুভূতি সবার মধ্যে সমানভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে না। উইমেনের ভাষ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ—যাদের বেশিরভাগই শিয়া—উৎসাহ ও কখনো কখনো বিজয়ের অনুভূতি নিয়ে ঘরে ফিরছেন। কিন্তু যারা হিজবুল্লাহবিরোধী, তাদের মধ্যে স্বস্তির পাশাপাশি উদ্বেগও রয়েছে—এই যুদ্ধবিরতি দলটিকে নতুন করে শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ করে দিতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতি হিজবুল্লাহকে আঞ্চলিক সংঘাত থেকে দূরে রাখবে—এমন নিশ্চয়তা এখনো নেই।
এদিকে, আরও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ইসরায়েল ও লেবানন ১০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে। এই যুদ্ধবিরতি আসে প্রায় ছয় সপ্তাহের তীব্র লড়াইয়ের পর, যা অঞ্চলটিকে গভীর সংকটে ফেলে দেয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণায় কার্যকর হওয়া এই যুদ্ধবিরতির আগে ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে অন্তত ২,১৯৬ জন নিহত হন এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হন।
তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে। শুক্রবার সকালে লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী একাধিকবার এই যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে, যা পরিস্থিতিকে আবারও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে পারে।




