এক্সপ্লেইনার
শুধু যুদ্ধবিরতি নয়, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বড় ছাড় চায় ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

শুধু যুদ্ধবিরতি নয়, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বড় ছাড় চায় ইরান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ১৩: ০১

ছবিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সামরিক সংঘাত দেখানো হয়েছে। ছবি: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন বিশ্লেষণ সামনে এসেছে। দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের আন্তর্জাতিক রাজনীতির সহকারী অধ্যাপক মুহানেদ সেলুমের মতে, তেহরান এখন আর শুধু যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরে যেতে আগ্রহী নয়; বরং ওয়াশিংটনের কাছ থেকে অতিরিক্ত রাজনৈতিক ও কৌশলগত সুবিধা আদায় করতে চায়।
আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেলুম বলেন, যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক পথ থেকে সরে এসে সামরিক কৌশল গ্রহণ করেছিল। তবে এখন ওয়াশিংটন আবার আলোচনার টেবিলে ফিরতে চাইছে।
তার ভাষায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র এখন বলছে যে তারা কিছু সামরিক সাফল্য অর্জন করেছে এবং সেটিকে কূটনৈতিক সাফল্যে রূপ দিতে চায়। কিন্তু ইরান এই অবস্থানের সঙ্গে পুরোপুরি একমত নয়।’
সেলুমের মতে, যদিও যুদ্ধের সূচনা যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের মধ্য দিয়েই হয়েছে, তবুও ওয়াশিংটন সামরিক চাপ, প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
অন্যদিকে ইরানের বর্তমান অবস্থানকে তুলনামূলক দুর্বল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগের অবস্থার তুলনায় এখন তেহরান অনেক বেশি চাপে রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘যুদ্ধে টিকে থাকা আর যুদ্ধে জয়ী হওয়া এক বিষয় নয়। ইরান টিকে আছে ঠিকই, কিন্তু সেটাকে পূর্ণ বিজয় বলা যাবে না।’
তবে তার মতে, ইরানের হাতে এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত চাপ রয়েছে—হরমুজ প্রণালি। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের ওপর প্রভাব বজায় রেখে তেহরান এখনো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম।
সেলুম বলেন, ইরান মূলত কূটনৈতিক সমাধানই চায়। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর আগের স্থিতাবস্থায় নিঃশর্তভাবে ফিরে যেতে তারা রাজি নয়। বরং যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে নিরাপত্তা, নিষেধাজ্ঞা বা আঞ্চলিক প্রভাবের প্রশ্নে ‘আরও কিছু’ আদায়ের লক্ষ্যেই তেহরান আলোচনায় এগোতে চাইছে।
সূত্র: আল জাজিরা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন বিশ্লেষণ সামনে এসেছে। দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের আন্তর্জাতিক রাজনীতির সহকারী অধ্যাপক মুহানেদ সেলুমের মতে, তেহরান এখন আর শুধু যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরে যেতে আগ্রহী নয়; বরং ওয়াশিংটনের কাছ থেকে অতিরিক্ত রাজনৈতিক ও কৌশলগত সুবিধা আদায় করতে চায়।
আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেলুম বলেন, যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক পথ থেকে সরে এসে সামরিক কৌশল গ্রহণ করেছিল। তবে এখন ওয়াশিংটন আবার আলোচনার টেবিলে ফিরতে চাইছে।
তার ভাষায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র এখন বলছে যে তারা কিছু সামরিক সাফল্য অর্জন করেছে এবং সেটিকে কূটনৈতিক সাফল্যে রূপ দিতে চায়। কিন্তু ইরান এই অবস্থানের সঙ্গে পুরোপুরি একমত নয়।’
সেলুমের মতে, যদিও যুদ্ধের সূচনা যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের মধ্য দিয়েই হয়েছে, তবুও ওয়াশিংটন সামরিক চাপ, প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
অন্যদিকে ইরানের বর্তমান অবস্থানকে তুলনামূলক দুর্বল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগের অবস্থার তুলনায় এখন তেহরান অনেক বেশি চাপে রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘যুদ্ধে টিকে থাকা আর যুদ্ধে জয়ী হওয়া এক বিষয় নয়। ইরান টিকে আছে ঠিকই, কিন্তু সেটাকে পূর্ণ বিজয় বলা যাবে না।’
তবে তার মতে, ইরানের হাতে এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত চাপ রয়েছে—হরমুজ প্রণালি। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের ওপর প্রভাব বজায় রেখে তেহরান এখনো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম।
সেলুম বলেন, ইরান মূলত কূটনৈতিক সমাধানই চায়। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর আগের স্থিতাবস্থায় নিঃশর্তভাবে ফিরে যেতে তারা রাজি নয়। বরং যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে নিরাপত্তা, নিষেধাজ্ঞা বা আঞ্চলিক প্রভাবের প্রশ্নে ‘আরও কিছু’ আদায়ের লক্ষ্যেই তেহরান আলোচনায় এগোতে চাইছে।
সূত্র: আল জাজিরা

শুধু যুদ্ধবিরতি নয়, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বড় ছাড় চায় ইরান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ১৩: ০১

ছবিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সামরিক সংঘাত দেখানো হয়েছে। ছবি: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন বিশ্লেষণ সামনে এসেছে। দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের আন্তর্জাতিক রাজনীতির সহকারী অধ্যাপক মুহানেদ সেলুমের মতে, তেহরান এখন আর শুধু যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরে যেতে আগ্রহী নয়; বরং ওয়াশিংটনের কাছ থেকে অতিরিক্ত রাজনৈতিক ও কৌশলগত সুবিধা আদায় করতে চায়।
আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেলুম বলেন, যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক পথ থেকে সরে এসে সামরিক কৌশল গ্রহণ করেছিল। তবে এখন ওয়াশিংটন আবার আলোচনার টেবিলে ফিরতে চাইছে।
তার ভাষায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র এখন বলছে যে তারা কিছু সামরিক সাফল্য অর্জন করেছে এবং সেটিকে কূটনৈতিক সাফল্যে রূপ দিতে চায়। কিন্তু ইরান এই অবস্থানের সঙ্গে পুরোপুরি একমত নয়।’
সেলুমের মতে, যদিও যুদ্ধের সূচনা যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের মধ্য দিয়েই হয়েছে, তবুও ওয়াশিংটন সামরিক চাপ, প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
অন্যদিকে ইরানের বর্তমান অবস্থানকে তুলনামূলক দুর্বল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগের অবস্থার তুলনায় এখন তেহরান অনেক বেশি চাপে রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘যুদ্ধে টিকে থাকা আর যুদ্ধে জয়ী হওয়া এক বিষয় নয়। ইরান টিকে আছে ঠিকই, কিন্তু সেটাকে পূর্ণ বিজয় বলা যাবে না।’
তবে তার মতে, ইরানের হাতে এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত চাপ রয়েছে—হরমুজ প্রণালি। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের ওপর প্রভাব বজায় রেখে তেহরান এখনো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম।
সেলুম বলেন, ইরান মূলত কূটনৈতিক সমাধানই চায়। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর আগের স্থিতাবস্থায় নিঃশর্তভাবে ফিরে যেতে তারা রাজি নয়। বরং যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে নিরাপত্তা, নিষেধাজ্ঞা বা আঞ্চলিক প্রভাবের প্রশ্নে ‘আরও কিছু’ আদায়ের লক্ষ্যেই তেহরান আলোচনায় এগোতে চাইছে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




