অ্যান্টার্কটিকায় পিরামিড সদৃশ নতুন দ্বীপের সন্ধান

অ্যান্টার্কটিকায় পিরামিড সদৃশ নতুন দ্বীপের সন্ধান
সিটিজেন ডেস্ক

অ্যান্টার্কটিকার দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ জলসীমায় পিরামিড আকৃতির এক রহস্যময় নতুন দ্বীপের সন্ধান পেয়েছেন একদল আন্তর্জাতিক অভিযাত্রী। গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে গবেষণার কাজে নিয়োজিত আছে আইসব্রেকিং জাহাজ পোলারস্টার্ন। জাহাজের ৯৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল উত্তর-পশ্চিম ওয়েডেল সাগরে এ দ্বীপটির দেখা পান। মূলত একটি শক্তিশালী ঝড়ের কবলে পড়ে জয়েনভিল দ্বীপের কাছে আশ্রয় নিতে গিয়েই বিজ্ঞানীদের নজরে আসে এ ভূখণ্ডটি। মানচিত্রে অঞ্চলটি বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত ছিল।
অভিযাত্রী দলের সদস্য ও আলফ্রেড ওয়েগেনার ইনস্টিটিউটের বাথিমেট্রি বিভাগের বিশেষজ্ঞ সাইমন ড্রুটার জানান, সামুদ্রিক মানচিত্রে এলাকাটিকে অজ্ঞাত বিপদের উৎস হিসেবে উল্লেখ করা থাকলেও সেখানে ঠিক কী রয়েছে, তা আগে কারও জানা ছিল না। শুরুতে বিজ্ঞানীরা দূর থেকে এটিকে একটি বিশাল নোংরা বরফখণ্ড বলে ধারণা করেছিলেন। কিন্তু বাথিমেট্রি ডেটা ব্যবহার করে উপকূলরেখা পরীক্ষা করার পর তারা নিশ্চিত হন এটি কোনো সাধারণ হিমশৈল নয়, বরং একটি পাথুরে দ্বীপ।
পোলারস্টার্ন জাহাজটি দ্বীপটির মাত্র ৫০০ ফুটের মধ্যে পৌঁছে ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ চালায়। জরিপ অনুযায়ী, দ্বীপটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০ ফুট উঁচু এবং ১৬৫ ফুট চওড়া ও ৪২৬ ফুট দীর্ঘ। এর আয়তন মিশরের বিখ্যাত গিজার গ্রেট পিরামিডের দৈর্ঘ্যের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের জন্য অবাক হওয়ার মতো বিষয় ছিল, স্যাটেলাইট চিত্রে দ্বীপটির বরফে ঢাকা উপরিভাগ আশেপাশের হিমশৈলগুলোর মতো দেখতে হওয়ায় এটি এতদিন অলক্ষ্যেই থেকে গিয়েছিল। এমনকি মানচিত্রে এর আগের যে অবস্থান নথিভুক্ত ছিল, বাস্তবের অবস্থানের সঙ্গে তার প্রায় এক মাইলের পার্থক্য পাওয়া গেছে।
বর্তমানে দ্বীপটির কোনো নামকরণ না করা হলেও গবেষকরা ভবিষ্যতে একে আনুষ্ঠানিকভাবে মানচিত্রভুক্ত করার পরিকল্পনা করছেন। এ আবিষ্কার প্রমাণ করে যে পৃথিবীর অনেক অংশ আজও মানুষের কাছে অজানা ও রহস্যময় হয়ে আছে।
সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট

অ্যান্টার্কটিকার দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ জলসীমায় পিরামিড আকৃতির এক রহস্যময় নতুন দ্বীপের সন্ধান পেয়েছেন একদল আন্তর্জাতিক অভিযাত্রী। গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে গবেষণার কাজে নিয়োজিত আছে আইসব্রেকিং জাহাজ পোলারস্টার্ন। জাহাজের ৯৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল উত্তর-পশ্চিম ওয়েডেল সাগরে এ দ্বীপটির দেখা পান। মূলত একটি শক্তিশালী ঝড়ের কবলে পড়ে জয়েনভিল দ্বীপের কাছে আশ্রয় নিতে গিয়েই বিজ্ঞানীদের নজরে আসে এ ভূখণ্ডটি। মানচিত্রে অঞ্চলটি বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত ছিল।
অভিযাত্রী দলের সদস্য ও আলফ্রেড ওয়েগেনার ইনস্টিটিউটের বাথিমেট্রি বিভাগের বিশেষজ্ঞ সাইমন ড্রুটার জানান, সামুদ্রিক মানচিত্রে এলাকাটিকে অজ্ঞাত বিপদের উৎস হিসেবে উল্লেখ করা থাকলেও সেখানে ঠিক কী রয়েছে, তা আগে কারও জানা ছিল না। শুরুতে বিজ্ঞানীরা দূর থেকে এটিকে একটি বিশাল নোংরা বরফখণ্ড বলে ধারণা করেছিলেন। কিন্তু বাথিমেট্রি ডেটা ব্যবহার করে উপকূলরেখা পরীক্ষা করার পর তারা নিশ্চিত হন এটি কোনো সাধারণ হিমশৈল নয়, বরং একটি পাথুরে দ্বীপ।
পোলারস্টার্ন জাহাজটি দ্বীপটির মাত্র ৫০০ ফুটের মধ্যে পৌঁছে ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ চালায়। জরিপ অনুযায়ী, দ্বীপটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০ ফুট উঁচু এবং ১৬৫ ফুট চওড়া ও ৪২৬ ফুট দীর্ঘ। এর আয়তন মিশরের বিখ্যাত গিজার গ্রেট পিরামিডের দৈর্ঘ্যের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের জন্য অবাক হওয়ার মতো বিষয় ছিল, স্যাটেলাইট চিত্রে দ্বীপটির বরফে ঢাকা উপরিভাগ আশেপাশের হিমশৈলগুলোর মতো দেখতে হওয়ায় এটি এতদিন অলক্ষ্যেই থেকে গিয়েছিল। এমনকি মানচিত্রে এর আগের যে অবস্থান নথিভুক্ত ছিল, বাস্তবের অবস্থানের সঙ্গে তার প্রায় এক মাইলের পার্থক্য পাওয়া গেছে।
বর্তমানে দ্বীপটির কোনো নামকরণ না করা হলেও গবেষকরা ভবিষ্যতে একে আনুষ্ঠানিকভাবে মানচিত্রভুক্ত করার পরিকল্পনা করছেন। এ আবিষ্কার প্রমাণ করে যে পৃথিবীর অনেক অংশ আজও মানুষের কাছে অজানা ও রহস্যময় হয়ে আছে।
সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট

অ্যান্টার্কটিকায় পিরামিড সদৃশ নতুন দ্বীপের সন্ধান
সিটিজেন ডেস্ক

অ্যান্টার্কটিকার দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ জলসীমায় পিরামিড আকৃতির এক রহস্যময় নতুন দ্বীপের সন্ধান পেয়েছেন একদল আন্তর্জাতিক অভিযাত্রী। গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে গবেষণার কাজে নিয়োজিত আছে আইসব্রেকিং জাহাজ পোলারস্টার্ন। জাহাজের ৯৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল উত্তর-পশ্চিম ওয়েডেল সাগরে এ দ্বীপটির দেখা পান। মূলত একটি শক্তিশালী ঝড়ের কবলে পড়ে জয়েনভিল দ্বীপের কাছে আশ্রয় নিতে গিয়েই বিজ্ঞানীদের নজরে আসে এ ভূখণ্ডটি। মানচিত্রে অঞ্চলটি বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত ছিল।
অভিযাত্রী দলের সদস্য ও আলফ্রেড ওয়েগেনার ইনস্টিটিউটের বাথিমেট্রি বিভাগের বিশেষজ্ঞ সাইমন ড্রুটার জানান, সামুদ্রিক মানচিত্রে এলাকাটিকে অজ্ঞাত বিপদের উৎস হিসেবে উল্লেখ করা থাকলেও সেখানে ঠিক কী রয়েছে, তা আগে কারও জানা ছিল না। শুরুতে বিজ্ঞানীরা দূর থেকে এটিকে একটি বিশাল নোংরা বরফখণ্ড বলে ধারণা করেছিলেন। কিন্তু বাথিমেট্রি ডেটা ব্যবহার করে উপকূলরেখা পরীক্ষা করার পর তারা নিশ্চিত হন এটি কোনো সাধারণ হিমশৈল নয়, বরং একটি পাথুরে দ্বীপ।
পোলারস্টার্ন জাহাজটি দ্বীপটির মাত্র ৫০০ ফুটের মধ্যে পৌঁছে ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ চালায়। জরিপ অনুযায়ী, দ্বীপটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০ ফুট উঁচু এবং ১৬৫ ফুট চওড়া ও ৪২৬ ফুট দীর্ঘ। এর আয়তন মিশরের বিখ্যাত গিজার গ্রেট পিরামিডের দৈর্ঘ্যের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের জন্য অবাক হওয়ার মতো বিষয় ছিল, স্যাটেলাইট চিত্রে দ্বীপটির বরফে ঢাকা উপরিভাগ আশেপাশের হিমশৈলগুলোর মতো দেখতে হওয়ায় এটি এতদিন অলক্ষ্যেই থেকে গিয়েছিল। এমনকি মানচিত্রে এর আগের যে অবস্থান নথিভুক্ত ছিল, বাস্তবের অবস্থানের সঙ্গে তার প্রায় এক মাইলের পার্থক্য পাওয়া গেছে।
বর্তমানে দ্বীপটির কোনো নামকরণ না করা হলেও গবেষকরা ভবিষ্যতে একে আনুষ্ঠানিকভাবে মানচিত্রভুক্ত করার পরিকল্পনা করছেন। এ আবিষ্কার প্রমাণ করে যে পৃথিবীর অনেক অংশ আজও মানুষের কাছে অজানা ও রহস্যময় হয়ে আছে।
সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট




