হরমুজ প্রণালি খোলার বিষয়ে যা জানালেন মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি খোলার বিষয়ে যা জানালেন মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ২১: ৫৪

মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট। ছবি: রয়টার্স
চলমান উত্তেজনা সত্ত্বেও আগামী গ্রীষ্মের শেষদিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট। তবে ইরান যদি জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা অব্যাহত রাখে, তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী সেখানে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
লুইজিয়ানার ক্যামেরনে অবস্থিত একটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্রিস রাইট জানান, গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এবং পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনক্রমে বর্ধিত করা ভঙ্গুর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি নিয়ে তীব্র টানাপোড়েন চলছে। তবে এ অস্থিরতার মাঝেই আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের সাথে একটি নতুন কূটনৈতিক সমঝোতা তৈরি হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ইরান যদি বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করে রাখার নীতি বজায় রাখে, তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী শক্তি প্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করতে বাধ্য হবে। তবে এ সামরিক পদক্ষেপ মোটেও সহজ বা সাধারণ কোনো বিষয় নয়। তিনি আরও যোগ করেন, ওয়াশিংটন এখনো সামরিক শক্তির চেয়ে কূটনৈতিক আলোচনা ও সমঝোতাকেই প্রথম পছন্দ হিসেবে বিবেচনা করছে।
হরমুজ সংকটের কারণে বিশ্বব্যাপী সৃষ্ট জ্বালানি সরবরাহ ঘাটতি মেটাতে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) রপ্তানি বৃদ্ধি করেছে বলে জানান রাইট। মার্কিন মন্ত্রীর এ বার্তা এমন এক সময়ে এলো, যখন আন্তর্জাতিক সংকটের জেরে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ বাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের (এএএ) তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১৫ মে) যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন পেট্রোলের গড় মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪.৫৩ ডলার। তেলের এ লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির মুখে ফেডারেল গ্যাস ট্যাক্স সাময়িকভাবে স্থগিত করার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি প্রস্তাব নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক ও আলোচনার ঝড় উঠেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

চলমান উত্তেজনা সত্ত্বেও আগামী গ্রীষ্মের শেষদিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট। তবে ইরান যদি জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা অব্যাহত রাখে, তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী সেখানে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
লুইজিয়ানার ক্যামেরনে অবস্থিত একটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্রিস রাইট জানান, গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এবং পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনক্রমে বর্ধিত করা ভঙ্গুর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি নিয়ে তীব্র টানাপোড়েন চলছে। তবে এ অস্থিরতার মাঝেই আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের সাথে একটি নতুন কূটনৈতিক সমঝোতা তৈরি হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ইরান যদি বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করে রাখার নীতি বজায় রাখে, তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী শক্তি প্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করতে বাধ্য হবে। তবে এ সামরিক পদক্ষেপ মোটেও সহজ বা সাধারণ কোনো বিষয় নয়। তিনি আরও যোগ করেন, ওয়াশিংটন এখনো সামরিক শক্তির চেয়ে কূটনৈতিক আলোচনা ও সমঝোতাকেই প্রথম পছন্দ হিসেবে বিবেচনা করছে।
হরমুজ সংকটের কারণে বিশ্বব্যাপী সৃষ্ট জ্বালানি সরবরাহ ঘাটতি মেটাতে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) রপ্তানি বৃদ্ধি করেছে বলে জানান রাইট। মার্কিন মন্ত্রীর এ বার্তা এমন এক সময়ে এলো, যখন আন্তর্জাতিক সংকটের জেরে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ বাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের (এএএ) তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১৫ মে) যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন পেট্রোলের গড় মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪.৫৩ ডলার। তেলের এ লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির মুখে ফেডারেল গ্যাস ট্যাক্স সাময়িকভাবে স্থগিত করার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি প্রস্তাব নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক ও আলোচনার ঝড় উঠেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

হরমুজ প্রণালি খোলার বিষয়ে যা জানালেন মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ২১: ৫৪

মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট। ছবি: রয়টার্স
চলমান উত্তেজনা সত্ত্বেও আগামী গ্রীষ্মের শেষদিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট। তবে ইরান যদি জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা অব্যাহত রাখে, তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী সেখানে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
লুইজিয়ানার ক্যামেরনে অবস্থিত একটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্রিস রাইট জানান, গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এবং পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনক্রমে বর্ধিত করা ভঙ্গুর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি নিয়ে তীব্র টানাপোড়েন চলছে। তবে এ অস্থিরতার মাঝেই আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের সাথে একটি নতুন কূটনৈতিক সমঝোতা তৈরি হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ইরান যদি বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করে রাখার নীতি বজায় রাখে, তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী শক্তি প্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করতে বাধ্য হবে। তবে এ সামরিক পদক্ষেপ মোটেও সহজ বা সাধারণ কোনো বিষয় নয়। তিনি আরও যোগ করেন, ওয়াশিংটন এখনো সামরিক শক্তির চেয়ে কূটনৈতিক আলোচনা ও সমঝোতাকেই প্রথম পছন্দ হিসেবে বিবেচনা করছে।
হরমুজ সংকটের কারণে বিশ্বব্যাপী সৃষ্ট জ্বালানি সরবরাহ ঘাটতি মেটাতে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) রপ্তানি বৃদ্ধি করেছে বলে জানান রাইট। মার্কিন মন্ত্রীর এ বার্তা এমন এক সময়ে এলো, যখন আন্তর্জাতিক সংকটের জেরে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ বাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের (এএএ) তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১৫ মে) যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন পেট্রোলের গড় মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪.৫৩ ডলার। তেলের এ লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির মুখে ফেডারেল গ্যাস ট্যাক্স সাময়িকভাবে স্থগিত করার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি প্রস্তাব নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক ও আলোচনার ঝড় উঠেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
/এমএকে/

হরমুজ সংকট: এপ্রিলে এক কোটি ব্যারেল তেল রপ্তানি ইরাকের


