মার্কিন সিনেটে ইরান যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নাকচ

মার্কিন সিনেটে ইরান যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নাকচ
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে ইরান থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রত্যাহারের লক্ষ্যে ডেমোক্র্যাটদের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব বাতিল হয়ে গেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার আইনি ক্ষমতার ৬০ দিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগের দিন বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) কংগ্রেসে এ ভোট অনুষ্ঠিত হয়।
সিনেটে ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটির পক্ষে ৪৭টি এবং বিপক্ষে ৫০টি ভোট পড়ে। দলীয় অবস্থানের সম্পূর্ণ বাইরে গিয়ে মেইন অঙ্গরাজ্যের সুসান কলিন্স ও কেনটাকির র্যান্ড পল প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। অন্যদিকে, পেনসিলভানিয়ার জন ফেটারম্যান ছিলেন একমাত্র ডেমোক্র্যাট, যিনি নিজ দলের এ উদ্যোগের বিরোধিতা করে ভোট দিয়েছেন। এ পরাজয়ের মধ্য দিয়ে প্রায় আট সপ্তাহ ধরে চলমান ইরান যুদ্ধের ওপর আইনি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আরেকটি বড় সুযোগ হাতছাড়া করল মার্কিন কংগ্রেস।
১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ারস রেজোল্যুশন অনুযায়ী, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আজই ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য চূড়ান্ত সময়সীমা। এ আইনটিতে বলা হয়েছে, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট সর্বোচ্চ ৬০ দিন কোনো দেশে সেনা মোতায়েন রাখতে পারেন। গত ২ মার্চ ট্রাম্প প্রশাসন এ অভিযানের কথা কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছিল, যার মেয়াদ শুক্রবার (১ মে) শেষ হচ্ছে। তবে সেনা প্রত্যাহারের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে প্রেসিডেন্ট চাইলে এ মেয়াদ আরও ৩০ দিন বাড়িয়ে নিতে পারেন। অনেক আইন বিশেষজ্ঞ ও সংসদ সদস্যের মতে, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া এরপরও যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে ফেডারেল আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।
ভোটের পর এক বিবৃতিতে রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স জানান, কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা অসীম নয়। সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ও শান্তির বিষয়ে কংগ্রেসের ভূমিকা অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৬০ দিনের সময়সীমা কোনো সাধারণ পরামর্শ নয়, বরং এটি একটি আইনি বাধ্যবাধকতা। পাশাপাশি তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও কৌশল নির্ধারণের ওপরও জোর দেন।
সিনেটের এ পরিস্থিতি প্রমাণ করে, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে আইনপ্রণেতারা এখনো দ্বিধাবিভক্ত। গত দুই মাসে ডেমোক্র্যাটরা অন্তত ছয়বার যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন, কারণ রিপাবলিকানরা নিজেদের দলীয় প্রেসিডেন্টের নেওয়া সামরিক সিদ্ধান্তের সরাসরি বিরোধিতা করতে চাইছেন না। অনেক রিপাবলিকান আইনি বাধ্যবাধকতাকে গুরুত্ব দিলেও ডেমোক্র্যাটদের এই প্রস্তাবটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যা দিয়েছেন। এর পরিবর্তে তারা সীমিত আকারে যুদ্ধের অনুমোদন, স্থলসেনা মোতায়েনে বাধা প্রদান অথবা বাড়তি ৩০ দিনের সুযোগ নিয়ে যুদ্ধের সময়সীমা বাড়ানোর মতো বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবছেন।
সূত্র: টাইম

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে ইরান থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রত্যাহারের লক্ষ্যে ডেমোক্র্যাটদের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব বাতিল হয়ে গেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার আইনি ক্ষমতার ৬০ দিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগের দিন বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) কংগ্রেসে এ ভোট অনুষ্ঠিত হয়।
সিনেটে ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটির পক্ষে ৪৭টি এবং বিপক্ষে ৫০টি ভোট পড়ে। দলীয় অবস্থানের সম্পূর্ণ বাইরে গিয়ে মেইন অঙ্গরাজ্যের সুসান কলিন্স ও কেনটাকির র্যান্ড পল প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। অন্যদিকে, পেনসিলভানিয়ার জন ফেটারম্যান ছিলেন একমাত্র ডেমোক্র্যাট, যিনি নিজ দলের এ উদ্যোগের বিরোধিতা করে ভোট দিয়েছেন। এ পরাজয়ের মধ্য দিয়ে প্রায় আট সপ্তাহ ধরে চলমান ইরান যুদ্ধের ওপর আইনি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আরেকটি বড় সুযোগ হাতছাড়া করল মার্কিন কংগ্রেস।
১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ারস রেজোল্যুশন অনুযায়ী, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আজই ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য চূড়ান্ত সময়সীমা। এ আইনটিতে বলা হয়েছে, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট সর্বোচ্চ ৬০ দিন কোনো দেশে সেনা মোতায়েন রাখতে পারেন। গত ২ মার্চ ট্রাম্প প্রশাসন এ অভিযানের কথা কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছিল, যার মেয়াদ শুক্রবার (১ মে) শেষ হচ্ছে। তবে সেনা প্রত্যাহারের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে প্রেসিডেন্ট চাইলে এ মেয়াদ আরও ৩০ দিন বাড়িয়ে নিতে পারেন। অনেক আইন বিশেষজ্ঞ ও সংসদ সদস্যের মতে, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া এরপরও যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে ফেডারেল আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।
ভোটের পর এক বিবৃতিতে রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স জানান, কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা অসীম নয়। সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ও শান্তির বিষয়ে কংগ্রেসের ভূমিকা অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৬০ দিনের সময়সীমা কোনো সাধারণ পরামর্শ নয়, বরং এটি একটি আইনি বাধ্যবাধকতা। পাশাপাশি তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও কৌশল নির্ধারণের ওপরও জোর দেন।
সিনেটের এ পরিস্থিতি প্রমাণ করে, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে আইনপ্রণেতারা এখনো দ্বিধাবিভক্ত। গত দুই মাসে ডেমোক্র্যাটরা অন্তত ছয়বার যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন, কারণ রিপাবলিকানরা নিজেদের দলীয় প্রেসিডেন্টের নেওয়া সামরিক সিদ্ধান্তের সরাসরি বিরোধিতা করতে চাইছেন না। অনেক রিপাবলিকান আইনি বাধ্যবাধকতাকে গুরুত্ব দিলেও ডেমোক্র্যাটদের এই প্রস্তাবটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যা দিয়েছেন। এর পরিবর্তে তারা সীমিত আকারে যুদ্ধের অনুমোদন, স্থলসেনা মোতায়েনে বাধা প্রদান অথবা বাড়তি ৩০ দিনের সুযোগ নিয়ে যুদ্ধের সময়সীমা বাড়ানোর মতো বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবছেন।
সূত্র: টাইম

মার্কিন সিনেটে ইরান যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নাকচ
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে ইরান থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রত্যাহারের লক্ষ্যে ডেমোক্র্যাটদের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব বাতিল হয়ে গেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার আইনি ক্ষমতার ৬০ দিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগের দিন বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) কংগ্রেসে এ ভোট অনুষ্ঠিত হয়।
সিনেটে ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটির পক্ষে ৪৭টি এবং বিপক্ষে ৫০টি ভোট পড়ে। দলীয় অবস্থানের সম্পূর্ণ বাইরে গিয়ে মেইন অঙ্গরাজ্যের সুসান কলিন্স ও কেনটাকির র্যান্ড পল প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। অন্যদিকে, পেনসিলভানিয়ার জন ফেটারম্যান ছিলেন একমাত্র ডেমোক্র্যাট, যিনি নিজ দলের এ উদ্যোগের বিরোধিতা করে ভোট দিয়েছেন। এ পরাজয়ের মধ্য দিয়ে প্রায় আট সপ্তাহ ধরে চলমান ইরান যুদ্ধের ওপর আইনি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আরেকটি বড় সুযোগ হাতছাড়া করল মার্কিন কংগ্রেস।
১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ারস রেজোল্যুশন অনুযায়ী, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আজই ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য চূড়ান্ত সময়সীমা। এ আইনটিতে বলা হয়েছে, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট সর্বোচ্চ ৬০ দিন কোনো দেশে সেনা মোতায়েন রাখতে পারেন। গত ২ মার্চ ট্রাম্প প্রশাসন এ অভিযানের কথা কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছিল, যার মেয়াদ শুক্রবার (১ মে) শেষ হচ্ছে। তবে সেনা প্রত্যাহারের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে প্রেসিডেন্ট চাইলে এ মেয়াদ আরও ৩০ দিন বাড়িয়ে নিতে পারেন। অনেক আইন বিশেষজ্ঞ ও সংসদ সদস্যের মতে, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া এরপরও যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে ফেডারেল আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।
ভোটের পর এক বিবৃতিতে রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স জানান, কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা অসীম নয়। সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ও শান্তির বিষয়ে কংগ্রেসের ভূমিকা অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৬০ দিনের সময়সীমা কোনো সাধারণ পরামর্শ নয়, বরং এটি একটি আইনি বাধ্যবাধকতা। পাশাপাশি তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও কৌশল নির্ধারণের ওপরও জোর দেন।
সিনেটের এ পরিস্থিতি প্রমাণ করে, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে আইনপ্রণেতারা এখনো দ্বিধাবিভক্ত। গত দুই মাসে ডেমোক্র্যাটরা অন্তত ছয়বার যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন, কারণ রিপাবলিকানরা নিজেদের দলীয় প্রেসিডেন্টের নেওয়া সামরিক সিদ্ধান্তের সরাসরি বিরোধিতা করতে চাইছেন না। অনেক রিপাবলিকান আইনি বাধ্যবাধকতাকে গুরুত্ব দিলেও ডেমোক্র্যাটদের এই প্রস্তাবটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যা দিয়েছেন। এর পরিবর্তে তারা সীমিত আকারে যুদ্ধের অনুমোদন, স্থলসেনা মোতায়েনে বাধা প্রদান অথবা বাড়তি ৩০ দিনের সুযোগ নিয়ে যুদ্ধের সময়সীমা বাড়ানোর মতো বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবছেন।
সূত্র: টাইম

ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউস
ইরানে নতুন সামরিক হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের


