সাগরে ভাসমান তেল বিক্রির উদ্যোগ ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক

সাগরে ভাসমান তেল বিক্রির উদ্যোগ ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ১৮: ০৫

ইরানের জলসীমায় থাকা তেল চীনের কাছে বিক্রির উদ্যোগ। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও নৌ-অবরোধের মুখে বিকল্প কৌশল হিসেবে আন্তর্জাতিক জলসীমায় থাকা তেল চীনের কাছে বিক্রির পথ খুঁজছে ইরান। একইসঙ্গে চলমান উত্তেজনা ও সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার প্রেক্ষাপটে বেইজিংয়ের সমর্থন নিশ্চিত করতেও সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে তেহরান।
তেহরানভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিপ্লোহাউসের পরিচালক হামিদ রেজা গোলামজাদেহ জানিয়েছেন, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। এর লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনায় ইরানের অবস্থান তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদার করা।
তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের মাত্র এক সপ্তাহ আগে আরাঘচি বেইজিং সফর করেন। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গোলামজাদেহ বলেন, ‘আরাঘচি স্পষ্টভাবেই চীনের সহযোগিতা কামনা করছেন।’
তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের আমদানি কার্যক্রম এবং সমুদ্রপথে বাণিজ্যের ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করেছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক জলসীমায় সংরক্ষিত তেল ও অন্যান্য জ্বালানি সম্পদ বিক্রির বিষয়েও বেইজিংয়ের সঙ্গে সমন্বয় করছে তেহরান।
বিশ্লেষকদের মতে, চীনের সঙ্গে এই সমন্বয় শুধু অর্থনৈতিক নয়, বরং কৌশলগতও। কারণ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জ্বালানি আমদানিকারক দেশ হিসেবে চীন ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাজার এবং একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ মোকাবিলায় একটি রাজনৈতিক ভারসাম্যও তৈরি করতে পারে।
গোলামজাদেহ আরও জানান, আলোচনায় হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা পরিস্থিতিও গুরুত্ব পেয়েছে। ইরান অতীতে যেসব পদ্ধতির মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলেছিল, সেগুলো নিয়েও আরাঘচি আলোচনা করেছেন।
বিশ্বের মোট জ্বালানি বাণিজ্যের একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। ফলে এই অঞ্চলে যেকোনো অস্থিতিশীলতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে। এমন বাস্তবতায় চীন-ইরান ঘনিষ্ঠতা এবং সমুদ্রপথে তেল বাণিজ্য নিয়ে নতুন সমঝোতা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও নৌ-অবরোধের মুখে বিকল্প কৌশল হিসেবে আন্তর্জাতিক জলসীমায় থাকা তেল চীনের কাছে বিক্রির পথ খুঁজছে ইরান। একইসঙ্গে চলমান উত্তেজনা ও সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার প্রেক্ষাপটে বেইজিংয়ের সমর্থন নিশ্চিত করতেও সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে তেহরান।
তেহরানভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিপ্লোহাউসের পরিচালক হামিদ রেজা গোলামজাদেহ জানিয়েছেন, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। এর লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনায় ইরানের অবস্থান তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদার করা।
তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের মাত্র এক সপ্তাহ আগে আরাঘচি বেইজিং সফর করেন। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গোলামজাদেহ বলেন, ‘আরাঘচি স্পষ্টভাবেই চীনের সহযোগিতা কামনা করছেন।’
তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের আমদানি কার্যক্রম এবং সমুদ্রপথে বাণিজ্যের ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করেছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক জলসীমায় সংরক্ষিত তেল ও অন্যান্য জ্বালানি সম্পদ বিক্রির বিষয়েও বেইজিংয়ের সঙ্গে সমন্বয় করছে তেহরান।
বিশ্লেষকদের মতে, চীনের সঙ্গে এই সমন্বয় শুধু অর্থনৈতিক নয়, বরং কৌশলগতও। কারণ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জ্বালানি আমদানিকারক দেশ হিসেবে চীন ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাজার এবং একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ মোকাবিলায় একটি রাজনৈতিক ভারসাম্যও তৈরি করতে পারে।
গোলামজাদেহ আরও জানান, আলোচনায় হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা পরিস্থিতিও গুরুত্ব পেয়েছে। ইরান অতীতে যেসব পদ্ধতির মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলেছিল, সেগুলো নিয়েও আরাঘচি আলোচনা করেছেন।
বিশ্বের মোট জ্বালানি বাণিজ্যের একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। ফলে এই অঞ্চলে যেকোনো অস্থিতিশীলতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে। এমন বাস্তবতায় চীন-ইরান ঘনিষ্ঠতা এবং সমুদ্রপথে তেল বাণিজ্য নিয়ে নতুন সমঝোতা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

সাগরে ভাসমান তেল বিক্রির উদ্যোগ ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ১৮: ০৫

ইরানের জলসীমায় থাকা তেল চীনের কাছে বিক্রির উদ্যোগ। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও নৌ-অবরোধের মুখে বিকল্প কৌশল হিসেবে আন্তর্জাতিক জলসীমায় থাকা তেল চীনের কাছে বিক্রির পথ খুঁজছে ইরান। একইসঙ্গে চলমান উত্তেজনা ও সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার প্রেক্ষাপটে বেইজিংয়ের সমর্থন নিশ্চিত করতেও সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে তেহরান।
তেহরানভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিপ্লোহাউসের পরিচালক হামিদ রেজা গোলামজাদেহ জানিয়েছেন, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। এর লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনায় ইরানের অবস্থান তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদার করা।
তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের মাত্র এক সপ্তাহ আগে আরাঘচি বেইজিং সফর করেন। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গোলামজাদেহ বলেন, ‘আরাঘচি স্পষ্টভাবেই চীনের সহযোগিতা কামনা করছেন।’
তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের আমদানি কার্যক্রম এবং সমুদ্রপথে বাণিজ্যের ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করেছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক জলসীমায় সংরক্ষিত তেল ও অন্যান্য জ্বালানি সম্পদ বিক্রির বিষয়েও বেইজিংয়ের সঙ্গে সমন্বয় করছে তেহরান।
বিশ্লেষকদের মতে, চীনের সঙ্গে এই সমন্বয় শুধু অর্থনৈতিক নয়, বরং কৌশলগতও। কারণ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জ্বালানি আমদানিকারক দেশ হিসেবে চীন ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাজার এবং একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ মোকাবিলায় একটি রাজনৈতিক ভারসাম্যও তৈরি করতে পারে।
গোলামজাদেহ আরও জানান, আলোচনায় হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা পরিস্থিতিও গুরুত্ব পেয়েছে। ইরান অতীতে যেসব পদ্ধতির মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলেছিল, সেগুলো নিয়েও আরাঘচি আলোচনা করেছেন।
বিশ্বের মোট জ্বালানি বাণিজ্যের একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। ফলে এই অঞ্চলে যেকোনো অস্থিতিশীলতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে। এমন বাস্তবতায় চীন-ইরান ঘনিষ্ঠতা এবং সমুদ্রপথে তেল বাণিজ্য নিয়ে নতুন সমঝোতা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




