হরমুজে জাহাজে হামলার অভিযোগ খতিয়ে দেখছে সিউল
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজে জাহাজে হামলার অভিযোগ খতিয়ে দেখছে সিউল
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ মে ২০২৬, ২০: ১৪

হরমুজ প্রণালিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একটি বাণিজ্যিক জাহাজে আগুন ধরে যায়। ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে দক্ষিণ কোরিয়ার পরিচালিত একটি জাহাজে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সিউল। জাহাজটি কোনো হামলার শিকার হয়েছিল কি-না, সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির সমুদ্রবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলের কাছে নোঙর করা অবস্থায় জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ও দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান জাহাজটিতে গুলি চালিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল নিরাপদ রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক উদ্যোগে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত সিউল এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সাড়া দেয়নি।
অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থিত ইরানের দূতাবাস এ ঘটনার সঙ্গে তেহরানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে। দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, জাহাজটির ক্ষতিসাধনে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর জড়িত থাকার অভিযোগ তারা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান এবং দ্ব্যর্থহীনভাবে অস্বীকার করছে।
জাহাজটিতে থাকা ২৪ জন নাবিকই নিরাপদ রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে ছয়জন দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক।
দক্ষিণ কোরিয়ার সমুদ্রবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে ঠিক কবে তদন্ত শেষ হবে বা বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে, সে বিষয়ে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়।
সূত্র: আল জাজিরা

হরমুজ প্রণালিতে দক্ষিণ কোরিয়ার পরিচালিত একটি জাহাজে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সিউল। জাহাজটি কোনো হামলার শিকার হয়েছিল কি-না, সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির সমুদ্রবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলের কাছে নোঙর করা অবস্থায় জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ও দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান জাহাজটিতে গুলি চালিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল নিরাপদ রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক উদ্যোগে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত সিউল এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সাড়া দেয়নি।
অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থিত ইরানের দূতাবাস এ ঘটনার সঙ্গে তেহরানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে। দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, জাহাজটির ক্ষতিসাধনে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর জড়িত থাকার অভিযোগ তারা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান এবং দ্ব্যর্থহীনভাবে অস্বীকার করছে।
জাহাজটিতে থাকা ২৪ জন নাবিকই নিরাপদ রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে ছয়জন দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক।
দক্ষিণ কোরিয়ার সমুদ্রবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে ঠিক কবে তদন্ত শেষ হবে বা বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে, সে বিষয়ে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়।
সূত্র: আল জাজিরা

হরমুজে জাহাজে হামলার অভিযোগ খতিয়ে দেখছে সিউল
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ মে ২০২৬, ২০: ১৪

হরমুজ প্রণালিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একটি বাণিজ্যিক জাহাজে আগুন ধরে যায়। ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে দক্ষিণ কোরিয়ার পরিচালিত একটি জাহাজে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সিউল। জাহাজটি কোনো হামলার শিকার হয়েছিল কি-না, সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির সমুদ্রবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলের কাছে নোঙর করা অবস্থায় জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ও দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান জাহাজটিতে গুলি চালিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল নিরাপদ রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক উদ্যোগে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত সিউল এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সাড়া দেয়নি।
অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থিত ইরানের দূতাবাস এ ঘটনার সঙ্গে তেহরানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে। দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, জাহাজটির ক্ষতিসাধনে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর জড়িত থাকার অভিযোগ তারা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান এবং দ্ব্যর্থহীনভাবে অস্বীকার করছে।
জাহাজটিতে থাকা ২৪ জন নাবিকই নিরাপদ রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে ছয়জন দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক।
দক্ষিণ কোরিয়ার সমুদ্রবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে ঠিক কবে তদন্ত শেষ হবে বা বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে, সে বিষয়ে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




