ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফা বৈঠক ঘিরে কড়া নিরাপত্তা

ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফা বৈঠক ঘিরে কড়া নিরাপত্তা
সিটিজেন ডেস্ক

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা বৈঠককে সামনে রেখে ইসলামাবাদে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই শহরজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নানা প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইসলামাবাদে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। এর পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী প্রদেশগুলো থেকেও আরও ১০ হাজার অতিরিক্ত সদস্য আনা হচ্ছে, যাতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা যায়। সম্ভাব্য বৈঠককে ঘিরে কোনো ধরনের ঝুঁকি এড়াতেই এই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, সেনাপ্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনী, আধাসামরিক বাহিনী ও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা সমন্বিতভাবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সক্রিয় যোগাযোগ অব্যাহত রেখে তারা বিভিন্ন দেশের নেতাদের ইসলামাবাদে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। পাকিস্তান সরকারের ধারণা, এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলে তা একটি ঐতিহাসিক মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকের তারিখ ঘোষণা করা হয়নি, তবুও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আশাবাদী, ইরান ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জনের সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রও একই ধরনের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন।
এ প্রেক্ষাপটে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগও অব্যাহত রয়েছে। দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান চলতে থাকায় পরিস্থিতি ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা বৈঠককে সামনে রেখে ইসলামাবাদে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই শহরজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নানা প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইসলামাবাদে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। এর পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী প্রদেশগুলো থেকেও আরও ১০ হাজার অতিরিক্ত সদস্য আনা হচ্ছে, যাতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা যায়। সম্ভাব্য বৈঠককে ঘিরে কোনো ধরনের ঝুঁকি এড়াতেই এই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, সেনাপ্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনী, আধাসামরিক বাহিনী ও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা সমন্বিতভাবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সক্রিয় যোগাযোগ অব্যাহত রেখে তারা বিভিন্ন দেশের নেতাদের ইসলামাবাদে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। পাকিস্তান সরকারের ধারণা, এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলে তা একটি ঐতিহাসিক মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকের তারিখ ঘোষণা করা হয়নি, তবুও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আশাবাদী, ইরান ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জনের সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রও একই ধরনের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন।
এ প্রেক্ষাপটে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগও অব্যাহত রয়েছে। দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান চলতে থাকায় পরিস্থিতি ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফা বৈঠক ঘিরে কড়া নিরাপত্তা
সিটিজেন ডেস্ক

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা বৈঠককে সামনে রেখে ইসলামাবাদে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই শহরজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নানা প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইসলামাবাদে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। এর পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী প্রদেশগুলো থেকেও আরও ১০ হাজার অতিরিক্ত সদস্য আনা হচ্ছে, যাতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা যায়। সম্ভাব্য বৈঠককে ঘিরে কোনো ধরনের ঝুঁকি এড়াতেই এই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, সেনাপ্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনী, আধাসামরিক বাহিনী ও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা সমন্বিতভাবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সক্রিয় যোগাযোগ অব্যাহত রেখে তারা বিভিন্ন দেশের নেতাদের ইসলামাবাদে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। পাকিস্তান সরকারের ধারণা, এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলে তা একটি ঐতিহাসিক মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকের তারিখ ঘোষণা করা হয়নি, তবুও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আশাবাদী, ইরান ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জনের সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রও একই ধরনের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন।
এ প্রেক্ষাপটে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগও অব্যাহত রয়েছে। দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান চলতে থাকায় পরিস্থিতি ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।




