শিরোনাম

ইসরায়েলের ওপর ক্ষুব্ধ আমিরাত

সিটিজেন ডেস্ক
ইসরায়েলের ওপর ক্ষুব্ধ আমিরাত
আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ এবং ইসরায়েলি প্রধামন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের সময় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছিলেন। তার এই সফরের তথ্য ফাঁস করায় দেশটির ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

বিষয়টি নিয়ে আমিরাত ‘ইসরায়েলকে’ একটি কঠোর প্রতিবাদ বার্তা পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি চ্যানেল আই২৪নিউজ।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাতে চ্যানেলটি জানিয়েছে, এই তথ্য ফাঁসের ঘটনায় আমিরাতের কর্মকর্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, এই ঘটনাটি নেতানিয়াহুর দপ্তর থেকে সংবেদনশীল তথ্য ফাঁসের একটি পুনরাবৃত্তিমূলক ধারারই প্রতিফলন।

সূত্রটি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ‘অত্যন্ত ক্ষুব্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। আমিরাত জোর দিয়ে বলেছে, ‘এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।’

সূত্রটি আরও বলেছে, অতীতে বারবার গোপন কূটনৈতিক যোগাযোগের তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার কারণে নেতানিয়াহুকে বছরের পর বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

২০২০ সালে আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে আমিরাত। কিন্তু এত বছরেও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানায়নি। কিন্তু গোপনে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা দিয়েছে আরব এই মুসলিম দেশ।

সাম্প্রতিক ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের সময় নেতানিয়াহু সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছিলেন বলে যে দাবি উঠেছে, দেশটির পক্ষ থেকে সেটা ক্রমাগত অস্বীকার করার মধ্যেই এই প্রতিবেদনটি এলো।

এক বিবৃতিতে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সফর কিংবা কোনো ইসরায়েলি সামরিক প্রতিনিধিদলকে অভ্যর্থনা জানানো নিয়ে যা কিছু ছড়ানো হচ্ছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত তা অস্বীকার করছে।’

এর আগে ইসরায়েলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার সময় ২৬ মার্চ আমিরাতের আল-আইনে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

অন্যান্য ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমও একই সময়ে আবুধাবি ও তেল আবিবের মধ্যে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সমন্বয় সম্প্রসারণের দাবি জানিয়েছে। যার মধ্যে ঊর্ধ্বতন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের কথিত সফরের কথাও রয়েছে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দখলদার পক্ষ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার সম্পর্ককে স্বাভাবিকীকরণ চুক্তির সীমা ছাড়িয়ে (আব্রাহাম চুক্তি) আরও গভীর নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সমন্বয় কাঠামোর দিকে বিকশিত হচ্ছে বলে বর্ণনা করছেন।

সূত্র: আল মায়াদিন

/জেএইচ/