নিজেদের তৈরি চোরাবালিতেই আটকা পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান

নিজেদের তৈরি চোরাবালিতেই আটকা পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন করে ইরানি তেল ট্যাংকার এবং উপকূলীয় অবকাঠামোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। বৃহস্পতিবার (৭ মে) গভীর রাতে ও শুক্রবার (৮ মে) ভোরে হরমুজ প্রণালি ও জাস্ক বন্দরের কাছে এ মার্কিন হামলার ঘটনা ঘটে। পাল্টা জবাব হিসেবে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।
শুক্রবারের এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কৌশলগত জলপথটির আশপাশে থাকা উপকূলীয় স্থাপনা এবং দুটি ইরানি ট্যাংকারে চালানো মার্কিন হামলার বিপরীতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শত্রুদের একটি শক্তিশালী জবাব দিয়েছে। বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়, এ আগ্রাসনের মাধ্যমে শত্রুরা তাদের অবৈধ উদ্দেশ্য হাসিলে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এ আগ্রাসন এপ্রিল মাসের শুরুতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির এক সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। পাশাপাশি মার্কিন কর্মকর্তাদের পরস্পরবিরোধী আচরণ এবং উসকানিমূলক বক্তব্যেরও তীব্র সমালোচনা করে মন্ত্রণালয় মন্তব্য করেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের এ কর্মকাণ্ড মূলত তাদের নিজেদের তৈরি করা ‘চোরাবালি’ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজে না পাওয়ার ‘হতাশা, বিভ্রান্তি এবং গভীর অক্ষমতা’কেই তুলে ধরে।
নিজেদের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় ইরানের দৃঢ় সংকল্পের কথা পুনর্ব্যক্ত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এবং এর মহাসচিবকে তাদের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছে। তেহরান বলেছে, ওয়াশিংটনের এ ‘দস্যুতা এবং দুর্বৃত্তমূলক আচরণের’ প্রতি জাতিসংঘের যেকোনো ধরনের ‘উদাসীনতা বা তোষণনীতি’ ভবিষ্যতে অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিণতি ডেকে আনবে।
বিবৃতিতে আরও যুক্ত করা হয়, সাম্প্রতিক এ ঘটনাগুলো স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বা নিরাপত্তায় কোনো অবদান রাখেনি। এটি নিজেই এখন এমন এক অস্থিতিশীলতার উৎসে পরিণত হয়েছে যার সুদূরপ্রসারী আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব রয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি সুসম্পর্ক ও আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার নীতি পুনর্ব্যক্ত করে ইরান পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোকে সম্মিলিত আস্থার ভিত্তিতে এবং বিদেশি হস্তক্ষেপমুক্ত একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।
ওয়াশিংটন ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের লক্ষ্য করে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক্সে একটি পোস্টে লেখেন, তারা সিংহের খোলা দাঁত দেখে যেন ধরে না নেয় যে সিংহটি হাসছে।
সূত্র: প্রেস টিভি

যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন করে ইরানি তেল ট্যাংকার এবং উপকূলীয় অবকাঠামোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। বৃহস্পতিবার (৭ মে) গভীর রাতে ও শুক্রবার (৮ মে) ভোরে হরমুজ প্রণালি ও জাস্ক বন্দরের কাছে এ মার্কিন হামলার ঘটনা ঘটে। পাল্টা জবাব হিসেবে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।
শুক্রবারের এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কৌশলগত জলপথটির আশপাশে থাকা উপকূলীয় স্থাপনা এবং দুটি ইরানি ট্যাংকারে চালানো মার্কিন হামলার বিপরীতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শত্রুদের একটি শক্তিশালী জবাব দিয়েছে। বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়, এ আগ্রাসনের মাধ্যমে শত্রুরা তাদের অবৈধ উদ্দেশ্য হাসিলে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এ আগ্রাসন এপ্রিল মাসের শুরুতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির এক সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। পাশাপাশি মার্কিন কর্মকর্তাদের পরস্পরবিরোধী আচরণ এবং উসকানিমূলক বক্তব্যেরও তীব্র সমালোচনা করে মন্ত্রণালয় মন্তব্য করেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের এ কর্মকাণ্ড মূলত তাদের নিজেদের তৈরি করা ‘চোরাবালি’ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজে না পাওয়ার ‘হতাশা, বিভ্রান্তি এবং গভীর অক্ষমতা’কেই তুলে ধরে।
নিজেদের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় ইরানের দৃঢ় সংকল্পের কথা পুনর্ব্যক্ত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এবং এর মহাসচিবকে তাদের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছে। তেহরান বলেছে, ওয়াশিংটনের এ ‘দস্যুতা এবং দুর্বৃত্তমূলক আচরণের’ প্রতি জাতিসংঘের যেকোনো ধরনের ‘উদাসীনতা বা তোষণনীতি’ ভবিষ্যতে অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিণতি ডেকে আনবে।
বিবৃতিতে আরও যুক্ত করা হয়, সাম্প্রতিক এ ঘটনাগুলো স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বা নিরাপত্তায় কোনো অবদান রাখেনি। এটি নিজেই এখন এমন এক অস্থিতিশীলতার উৎসে পরিণত হয়েছে যার সুদূরপ্রসারী আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব রয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি সুসম্পর্ক ও আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার নীতি পুনর্ব্যক্ত করে ইরান পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোকে সম্মিলিত আস্থার ভিত্তিতে এবং বিদেশি হস্তক্ষেপমুক্ত একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।
ওয়াশিংটন ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের লক্ষ্য করে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক্সে একটি পোস্টে লেখেন, তারা সিংহের খোলা দাঁত দেখে যেন ধরে না নেয় যে সিংহটি হাসছে।
সূত্র: প্রেস টিভি

নিজেদের তৈরি চোরাবালিতেই আটকা পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন করে ইরানি তেল ট্যাংকার এবং উপকূলীয় অবকাঠামোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। বৃহস্পতিবার (৭ মে) গভীর রাতে ও শুক্রবার (৮ মে) ভোরে হরমুজ প্রণালি ও জাস্ক বন্দরের কাছে এ মার্কিন হামলার ঘটনা ঘটে। পাল্টা জবাব হিসেবে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।
শুক্রবারের এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কৌশলগত জলপথটির আশপাশে থাকা উপকূলীয় স্থাপনা এবং দুটি ইরানি ট্যাংকারে চালানো মার্কিন হামলার বিপরীতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শত্রুদের একটি শক্তিশালী জবাব দিয়েছে। বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়, এ আগ্রাসনের মাধ্যমে শত্রুরা তাদের অবৈধ উদ্দেশ্য হাসিলে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এ আগ্রাসন এপ্রিল মাসের শুরুতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির এক সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। পাশাপাশি মার্কিন কর্মকর্তাদের পরস্পরবিরোধী আচরণ এবং উসকানিমূলক বক্তব্যেরও তীব্র সমালোচনা করে মন্ত্রণালয় মন্তব্য করেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের এ কর্মকাণ্ড মূলত তাদের নিজেদের তৈরি করা ‘চোরাবালি’ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজে না পাওয়ার ‘হতাশা, বিভ্রান্তি এবং গভীর অক্ষমতা’কেই তুলে ধরে।
নিজেদের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় ইরানের দৃঢ় সংকল্পের কথা পুনর্ব্যক্ত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এবং এর মহাসচিবকে তাদের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছে। তেহরান বলেছে, ওয়াশিংটনের এ ‘দস্যুতা এবং দুর্বৃত্তমূলক আচরণের’ প্রতি জাতিসংঘের যেকোনো ধরনের ‘উদাসীনতা বা তোষণনীতি’ ভবিষ্যতে অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিণতি ডেকে আনবে।
বিবৃতিতে আরও যুক্ত করা হয়, সাম্প্রতিক এ ঘটনাগুলো স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বা নিরাপত্তায় কোনো অবদান রাখেনি। এটি নিজেই এখন এমন এক অস্থিতিশীলতার উৎসে পরিণত হয়েছে যার সুদূরপ্রসারী আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব রয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি সুসম্পর্ক ও আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার নীতি পুনর্ব্যক্ত করে ইরান পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোকে সম্মিলিত আস্থার ভিত্তিতে এবং বিদেশি হস্তক্ষেপমুক্ত একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।
ওয়াশিংটন ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের লক্ষ্য করে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক্সে একটি পোস্টে লেখেন, তারা সিংহের খোলা দাঁত দেখে যেন ধরে না নেয় যে সিংহটি হাসছে।
সূত্র: প্রেস টিভি

ইরান যুদ্ধে বিলিয়ন ডলার মুনাফা করছে যেসব কোম্পানি


