৬ লাখ কোটি টাকা রাজস্বের লক্ষ্য এনবিআরের

৬ লাখ কোটি টাকা রাজস্বের লক্ষ্য এনবিআরের
নিজস্ব প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৯ শতাংশেরও বেশি রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। সেই অনুযায়ী জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের থেকে তা ১ লাখ ১ হাজার কোটি টাকা বেশি। রাজস্ব আহরণে করহার বাড়ানো থেকে শুরু করে অব্যাহতি বাতিলে জোর দিচ্ছে এনবিআর।
এনবিআর সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এনবিআর তার লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৪৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ আদায় করতে পেরেছে। অর্থাৎ এই সময়ে এনবিআর ৫ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকার বিপরীতে রাজস্ব আদায় করেছে মাত্র ২ লাখ ৫০ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা।
এনবিআরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আইএমএফের দেওয়া শর্ত অনুযায়ী আগামী অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ৯ দশমিক ২ শতাংশ। এক্ষেত্রে এনবিআরকে ৬ লাখ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব আহরণ করতে হবে। সেই হিসাবে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এনবিআরের বেশকিছু অব্যাহতি বাতিল হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া অব্যাহতির তালিকা থেকে কিছু পণ্য বাদ যেতে পারে। যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অব্যাহতির মেয়াদ চলতি অর্থবছরে শেষ হবে, সেগুলো আর না-ও বাড়ানো হতে পারে।
সূত্র জানায়, আইএমএফের শর্ত বিবেচনায় নিয়ে এরই মধ্যে অব্যাহতি যাচাই-বাছাই করতে এনবিআর আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক খাতে তিনটি কমিটি গঠন করেছে। কাস্টমস ও ভ্যাটের দুটি কমিটির একটি অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি বিষয়টি যাচাই-বাছাই করছে। আরেকটি কমিটি অব্যাহতির প্রজ্ঞাপনের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখছে। বাজেটের আগেই এ তিনটি কমিটি এনবিআর চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতনদের কাছে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে।
জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, আগামী অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব আয়ের এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা এককথায় অসম্ভব। তবে কর অব্যাহতি তুলে নেওয়ার যে পরিকল্পনা এনবিআর নিয়েছে, তা উচিত। তিনি বলেন, বাজেট বাস্তবায়নে বিদেশি সহায়তা পেলেও রাজস্ব আয় বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৯ শতাংশেরও বেশি রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। সেই অনুযায়ী জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের থেকে তা ১ লাখ ১ হাজার কোটি টাকা বেশি। রাজস্ব আহরণে করহার বাড়ানো থেকে শুরু করে অব্যাহতি বাতিলে জোর দিচ্ছে এনবিআর।
এনবিআর সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এনবিআর তার লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৪৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ আদায় করতে পেরেছে। অর্থাৎ এই সময়ে এনবিআর ৫ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকার বিপরীতে রাজস্ব আদায় করেছে মাত্র ২ লাখ ৫০ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা।
এনবিআরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আইএমএফের দেওয়া শর্ত অনুযায়ী আগামী অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ৯ দশমিক ২ শতাংশ। এক্ষেত্রে এনবিআরকে ৬ লাখ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব আহরণ করতে হবে। সেই হিসাবে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এনবিআরের বেশকিছু অব্যাহতি বাতিল হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া অব্যাহতির তালিকা থেকে কিছু পণ্য বাদ যেতে পারে। যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অব্যাহতির মেয়াদ চলতি অর্থবছরে শেষ হবে, সেগুলো আর না-ও বাড়ানো হতে পারে।
সূত্র জানায়, আইএমএফের শর্ত বিবেচনায় নিয়ে এরই মধ্যে অব্যাহতি যাচাই-বাছাই করতে এনবিআর আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক খাতে তিনটি কমিটি গঠন করেছে। কাস্টমস ও ভ্যাটের দুটি কমিটির একটি অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি বিষয়টি যাচাই-বাছাই করছে। আরেকটি কমিটি অব্যাহতির প্রজ্ঞাপনের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখছে। বাজেটের আগেই এ তিনটি কমিটি এনবিআর চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতনদের কাছে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে।
জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, আগামী অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব আয়ের এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা এককথায় অসম্ভব। তবে কর অব্যাহতি তুলে নেওয়ার যে পরিকল্পনা এনবিআর নিয়েছে, তা উচিত। তিনি বলেন, বাজেট বাস্তবায়নে বিদেশি সহায়তা পেলেও রাজস্ব আয় বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।

৬ লাখ কোটি টাকা রাজস্বের লক্ষ্য এনবিআরের
নিজস্ব প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৯ শতাংশেরও বেশি রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। সেই অনুযায়ী জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের থেকে তা ১ লাখ ১ হাজার কোটি টাকা বেশি। রাজস্ব আহরণে করহার বাড়ানো থেকে শুরু করে অব্যাহতি বাতিলে জোর দিচ্ছে এনবিআর।
এনবিআর সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এনবিআর তার লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৪৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ আদায় করতে পেরেছে। অর্থাৎ এই সময়ে এনবিআর ৫ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকার বিপরীতে রাজস্ব আদায় করেছে মাত্র ২ লাখ ৫০ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা।
এনবিআরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আইএমএফের দেওয়া শর্ত অনুযায়ী আগামী অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ৯ দশমিক ২ শতাংশ। এক্ষেত্রে এনবিআরকে ৬ লাখ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব আহরণ করতে হবে। সেই হিসাবে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এনবিআরের বেশকিছু অব্যাহতি বাতিল হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া অব্যাহতির তালিকা থেকে কিছু পণ্য বাদ যেতে পারে। যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অব্যাহতির মেয়াদ চলতি অর্থবছরে শেষ হবে, সেগুলো আর না-ও বাড়ানো হতে পারে।
সূত্র জানায়, আইএমএফের শর্ত বিবেচনায় নিয়ে এরই মধ্যে অব্যাহতি যাচাই-বাছাই করতে এনবিআর আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক খাতে তিনটি কমিটি গঠন করেছে। কাস্টমস ও ভ্যাটের দুটি কমিটির একটি অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি বিষয়টি যাচাই-বাছাই করছে। আরেকটি কমিটি অব্যাহতির প্রজ্ঞাপনের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখছে। বাজেটের আগেই এ তিনটি কমিটি এনবিআর চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতনদের কাছে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে।
জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, আগামী অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব আয়ের এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা এককথায় অসম্ভব। তবে কর অব্যাহতি তুলে নেওয়ার যে পরিকল্পনা এনবিআর নিয়েছে, তা উচিত। তিনি বলেন, বাজেট বাস্তবায়নে বিদেশি সহায়তা পেলেও রাজস্ব আয় বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।




