ইউনূস সরকারের ঋণ ২ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা

ইউনূস সরকারের ঋণ ২ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজস্ব আদায় ও বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি যখন নিম্নমুখী ঠিক সেই সময়ে বিপুল অঙ্কের ঋণ নিয়েছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই শেষে অভ্যন্তরীণ খাত থেকে সরকারের মোট ঋণ ছিল ৮ লাখ ৯ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। চলতি বছরের জানুয়ারি শেষে তা ১০ লাখ ৯৪ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। অর্থাৎ, সব মিলে অন্তর্বর্তী সরকার দেড় বছরে ২ লাখ ৮৫ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে এই ঋণ নেওয়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত উৎস মিলে মোট ৭২ হাজার ৬৪৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা নিট ঋণ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৪০ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ গ্রহণ বেড়েছে প্রায় ৮১ শতাংশ।
ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ৬৪ হাজার ৯২৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা যা বাজেট লক্ষ্যমাত্রার ৬২ দশমিক ৪০ শতাংশ। আগের অর্থবছরের একই সময়ে সরকার ঋণ নেয় ১৫ হাজার ৫৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা যা বাজেট লক্ষ্যমাত্রার ১৫ দশমিক ৭০ শতাংশ।
ব্যাংক ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির কাছ থেকে ৭ হাজার ১১৪ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার। ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ড ইস্যু করার মাধ্যমে এসব ঋণ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারের রাজস্ব সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বাড়েনি। রাজস্ব ঘাটতি পূরণে সরকারকে ঋণের ওপর বেশি নির্ভর করতে হয়েছে। সরকারি ব্যয়– বিশেষ করে বেতন, ভর্তুকি, সুদ পরিশোধ ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যয় চলমান থাকায় বাজেট ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রয়োজন হয়েছে। এছাড়া আগের নেওয়া ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধ করতেও নতুন ঋণ নিতে হয়। ফলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মোট ঋণ বাড়ে।
ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইএনএফ) সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তফা কে মুজেরী বলেন, প্রত্যাশার তুলনায় কম রাজস্ব আদায়, উন্নয়ন ব্যয়ের চাপ এবং বাজেট ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে। তবে এর ফলে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে যা বিনিয়োগ, শিল্প সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছিল না। ফলে সরকারের ঋণ নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায়ও ছিল না।
উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সরকারি অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। নন-ব্যাংকিং উৎস থেকে ঋণের লক্ষ্য ২১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় সঞ্চয় প্রকল্পের নিট বিক্রয় থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

রাজস্ব আদায় ও বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি যখন নিম্নমুখী ঠিক সেই সময়ে বিপুল অঙ্কের ঋণ নিয়েছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই শেষে অভ্যন্তরীণ খাত থেকে সরকারের মোট ঋণ ছিল ৮ লাখ ৯ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। চলতি বছরের জানুয়ারি শেষে তা ১০ লাখ ৯৪ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। অর্থাৎ, সব মিলে অন্তর্বর্তী সরকার দেড় বছরে ২ লাখ ৮৫ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে এই ঋণ নেওয়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত উৎস মিলে মোট ৭২ হাজার ৬৪৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা নিট ঋণ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৪০ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ গ্রহণ বেড়েছে প্রায় ৮১ শতাংশ।
ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ৬৪ হাজার ৯২৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা যা বাজেট লক্ষ্যমাত্রার ৬২ দশমিক ৪০ শতাংশ। আগের অর্থবছরের একই সময়ে সরকার ঋণ নেয় ১৫ হাজার ৫৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা যা বাজেট লক্ষ্যমাত্রার ১৫ দশমিক ৭০ শতাংশ।
ব্যাংক ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির কাছ থেকে ৭ হাজার ১১৪ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার। ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ড ইস্যু করার মাধ্যমে এসব ঋণ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারের রাজস্ব সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বাড়েনি। রাজস্ব ঘাটতি পূরণে সরকারকে ঋণের ওপর বেশি নির্ভর করতে হয়েছে। সরকারি ব্যয়– বিশেষ করে বেতন, ভর্তুকি, সুদ পরিশোধ ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যয় চলমান থাকায় বাজেট ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রয়োজন হয়েছে। এছাড়া আগের নেওয়া ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধ করতেও নতুন ঋণ নিতে হয়। ফলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মোট ঋণ বাড়ে।
ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইএনএফ) সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তফা কে মুজেরী বলেন, প্রত্যাশার তুলনায় কম রাজস্ব আদায়, উন্নয়ন ব্যয়ের চাপ এবং বাজেট ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে। তবে এর ফলে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে যা বিনিয়োগ, শিল্প সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছিল না। ফলে সরকারের ঋণ নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায়ও ছিল না।
উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সরকারি অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। নন-ব্যাংকিং উৎস থেকে ঋণের লক্ষ্য ২১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় সঞ্চয় প্রকল্পের নিট বিক্রয় থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

ইউনূস সরকারের ঋণ ২ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজস্ব আদায় ও বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি যখন নিম্নমুখী ঠিক সেই সময়ে বিপুল অঙ্কের ঋণ নিয়েছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই শেষে অভ্যন্তরীণ খাত থেকে সরকারের মোট ঋণ ছিল ৮ লাখ ৯ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। চলতি বছরের জানুয়ারি শেষে তা ১০ লাখ ৯৪ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। অর্থাৎ, সব মিলে অন্তর্বর্তী সরকার দেড় বছরে ২ লাখ ৮৫ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে এই ঋণ নেওয়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত উৎস মিলে মোট ৭২ হাজার ৬৪৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা নিট ঋণ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৪০ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ গ্রহণ বেড়েছে প্রায় ৮১ শতাংশ।
ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ৬৪ হাজার ৯২৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা যা বাজেট লক্ষ্যমাত্রার ৬২ দশমিক ৪০ শতাংশ। আগের অর্থবছরের একই সময়ে সরকার ঋণ নেয় ১৫ হাজার ৫৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা যা বাজেট লক্ষ্যমাত্রার ১৫ দশমিক ৭০ শতাংশ।
ব্যাংক ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির কাছ থেকে ৭ হাজার ১১৪ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার। ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ড ইস্যু করার মাধ্যমে এসব ঋণ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারের রাজস্ব সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বাড়েনি। রাজস্ব ঘাটতি পূরণে সরকারকে ঋণের ওপর বেশি নির্ভর করতে হয়েছে। সরকারি ব্যয়– বিশেষ করে বেতন, ভর্তুকি, সুদ পরিশোধ ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যয় চলমান থাকায় বাজেট ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রয়োজন হয়েছে। এছাড়া আগের নেওয়া ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধ করতেও নতুন ঋণ নিতে হয়। ফলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মোট ঋণ বাড়ে।
ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইএনএফ) সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তফা কে মুজেরী বলেন, প্রত্যাশার তুলনায় কম রাজস্ব আদায়, উন্নয়ন ব্যয়ের চাপ এবং বাজেট ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে। তবে এর ফলে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে যা বিনিয়োগ, শিল্প সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছিল না। ফলে সরকারের ঋণ নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায়ও ছিল না।
উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সরকারি অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। নন-ব্যাংকিং উৎস থেকে ঋণের লক্ষ্য ২১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় সঞ্চয় প্রকল্পের নিট বিক্রয় থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।




